কলারোয়া সংবাদ ॥ ফেনসিডিলসহ মাদক ৯ জন আসামি আটক


86 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ ফেনসিডিলসহ মাদক ৯ জন আসামি আটক
মার্চ ১৬, ২০২০ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পৃথক অভিযানে ৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী ও ৭জন ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। থানা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার পৌরসভাধীন গরুর হাট মোড় এলাকায় স্থানে জনৈক ডাবলু এর পানের দোকানের সামনে থেকে ৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ আসামি রামভদ্রপুর গ্রামের রমজান গাজীর পুত্র সোহাগ হোসেন (২৪) ও মৃত সাদেক আলীর পুত্র হাসান আলীকে আটক করে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় মাদকদ্রব্য আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। এদিকে, বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক ৭জন আসামিকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতদের রোববার সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আদালত প্রেরণ করা হয়েছে বলে ওসি শেখ মুনীর-উল-গীয়াস জানান।

#

কলারোয়ায় গাভী পালনে প্রশিক্ষণের পরীক্ষা

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ার জালালাবাদে গাভী পালনে প্রশিক্ষণ নেয়া বেকার যুব পুরুষ-মহিলাদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেলে উপজেলার ২নং জালালাবাদ ইউনিয়নের শংকরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কলারোয়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে গাভী পালনের উপর ৭দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণের এই সেশনে ৩৫জন বেকার যুবক-যুবতী অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে ৫০ নম্বরের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জেগেছে যুব জেগেছে দেশ, লক্ষ্য ২০৪১ এ বাংলাদেশ’ -শীর্ষক স্লোগানে এই প্রশিক্ষণ সেশনের পরীক্ষা পরিচালনা করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার
নুরুন নাহার আক্তার, প্রশিক্ষক বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে সার্টিফিকেট প্রদান ও বিশেষ ঋণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে।

#

কলারোয়ার রাজপুর বিদ্যালয় ক্যাচমেন্ট এলাকা অন্তভূক্তি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তবর্তী রাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, চান্দা গ্রামটি বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকা ভূক্ত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসি। রোববার মানববন্ধনে জন প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ,অভিভাবকসহ শতশত নারী-পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে। এ সময় স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকগণ মানববন্ধনে বলেন-বিদ্যালয়টি ১৯৫৭ সালে স্থাপিত হয় ১১নং চান্দা মৌজায়। আর সেই থেকে স্কুলটি পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু ওই বিদ্যালয়টি গ্রাম স্কুল ক্যাচমেন্ট এর আওতাভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতোমধ্যে ওই স্কুলে দপ্তারী নিয়োগ দেয়া হবে। সেখানে চান্দা গ্রাম থেকে কেউ দরখাস্ত করতে পারবেন না। এটি কৌশল করা হয়েছে মাত্র। অথচ চান্দা গ্রামের ৬০/৬৫ জন ছাত্র/ছাত্রী ঐ প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত এবং ম্যানেজিং কমিটিতে বর্তমানে চান্দা গ্রামের ৩জন সদস্যও রয়েছে। তার পরেও চান্দা গ্রামকে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্যাচমেন্ট এরিয়া থেকে অজ্ঞাত কারনে বাদ রাখা হয়েছে। সরকারী বিধি মোতাবেক দপ্তারী নিয়োগ প্রসংগে রাজপুর গ্রাম থেকে দপ্তারী পদের লোক ঠিক করা হয়েছে। কিন্তু কতিপয় সুযোগ সন্ধানীদের কুপরামর্শে চান্দা গ্রাম থেকে যেন কেউ আবেদন করতে না পারে সে লক্ষে চান্দা গ্রামকে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার বাইরের শিশুকে ঐ বিদ্যালয়ে ভর্তি করা যাবে না বলে তারা জানান। এলাকাবাসীর দাবি অতিদ্রুত চান্দা গ্রামটি ৫০ নং রাজপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার অন্তুর্ভুক্ত করার দাবী জানান। এদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোজাফ্ফার উদ্দীনের সেল ফোন বন্ধ থাকায় তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

#