কলারোয়া সংবাদ ॥ ভুল অস্ত্র পাচারে এক কিশোরীর পিত্তথলী কাটা পড়লো


207 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ ভুল অস্ত্র পাচারে এক কিশোরীর পিত্তথলী কাটা পড়লো
আগস্ট ২৭, ২০২০ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বেসরকারী এক হাসপাতালে হাজিরা খাতুন (১৭) নামের এক কিশোরীর পিত্তথলিতে পাথর না থাকলেও ভুল অস্ত্র পাচারে পিত্তথলি কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ডা. ঈসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে। উপজেলার শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা: ঈসমাইল হোসেনের মালিকানাধীন অনিবন্ধিত বেসরকারী শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী হাজিরা খাতুন (১৮) উপজেলার চিতলা গ্রামের জামাল সরদারের মেয়ে।

এ ঘটনায় বুধবার হাজিরা খাতুনের বড় ভাই খায়রুল বাশার বাদী হয়ে ওই ডাক্তারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, খায়রুলের বোন হাজিরা খাতুনের পেটে জ্বালা-যন্ত্রনা ও বমি শুরু হলে গত ১৩ আগষ্ট তাকে নিয়ে প্রথমে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে মুন্না ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে রিপোর্টে জানতে পারে তার বোনের পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে। পরে ২২ আগষ্ট তার বোনকে ডা: ঈসমাইল হোসেনের বেসরকারী শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডা: ঈসমাইল হোসেন রোগী দেখে জরুরী অস্ত্র পাচারের পরামর্শ দেন। ডাক্তারের পরামর্শে তারা সম্মত হলে । ডাক্তার তাকে অপরাশনের করে কিন্তু পিত্তথলিতে কোন পাথর পাওয়া যায়নি। তবে ভুলবশতঃ তার পিত্তথলিটি কেটে ফেলেছি। এরপর কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ডাক্তারের লোকজন তাদেরকে হুমকী-ধামকী দেয়। বর্তমানে তার বোন কলারোয়া শিশু ও জেনারেণ হাসপাতালে (প্রাঃ) চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে ডাক্তার ঈসমাইল হোসেন জানান, রোগীর আতœীয় স্বজনের পীড়া-পীড়ির কারণে তড়ি ঘোড়ী করে আমি অস্ত্র পাচার করেছি ।

এদিকে প্রতিবেদক শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের ১০৪ নং কেবিনে ঢুকতেই সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে ভ’ক্তভোগী হাজিরা হাউমাউ করে কেঁদে বলেন, যে ডাক্তার আমার জীবন নিয়ে ব্যবসা করলো। আমি সেই ডাক্তারের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি। এছাড়া আর কেউ যেন আমার মত এমন প্রতারনার শিকার না হয়। এ ভাবেই আর্তনাদ করতে থাকেন ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী জেরিন কান্তা বলেন, তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

#

কলারোয়ায় টিকা প্রতিরোধযোগ্য রোগের সার্ভিল্যান্স বিষয়ক প্রশিক্ষণ

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনায় টিকা প্রতিরোধযোগ্য রোগের সার্ভিল্যান্স বিষয়ক এক দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচ এন্ড এফপিও) ডাক্তার জিয়াউর রহমান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আয়োজিত প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথি হিসাবে বিষয় ভিত্তিক বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার শফিকুল ইসলাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাতক্ষীরা জেলার সারভিল্যান্স এন্ড ইম্যুনাইজেশান মেডিকেল অফিসার (আইভিডি) ডাক্তার মোহাম্মদ আমানত উল্লাহ’র পরিচালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জন চিকিৎসক, ৬ জন নার্স, এক জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই), এক জন স্যানিটারী ইন্সপেক্টও, ২ জন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ২ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ৬ জন স্বাস্থ্য সহকারী ও ২৪ জন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) অংশগ্রহন করেন বলে জানা যায়। কর্মশালায় উপজেলার টিকাদান কর্মসুচীর সার্বিক অবস্থা, টিকাদানের প্রয়োজনীয়তা, টিকা প্রতিরোধযোগ্য রোগসমূহ ও রোগসমূহের সার্ভিল্যান্স এবং তদন্ত প্রতিবেদন বিষয়ক আলোচনা করা হয়।

#

কলারোয়ার চন্দনপুরে ২১৭ বোতল ফেনসিডিলসহ এক মহিলা আটক

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ার চন্দনপুরে গোয়াল ঘর থেকে ২১৭ বোতল ফেনসিডিলসহ এক মহিলাকে আটক করেছে পুলিশ। আটক রেবেকা খাতুন (৩২) ওই গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। থানা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই ইসরাফিলের নেতৃত্বে এএসআই রকিবুল হাসান ও এএসআই রফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার রাতে চন্দনপুর ইউনিয়নের চন্দনপুর গ্রামের রেবেকা খাতুনকে তার বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে ২১৭ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় মাদক আইনে একটি মামলা (যার নং – ১৯/২৬-৮-২০) হয়েছে। এদিকে, গ্রেফতারকৃতের এবং এলাকাবাসির তথ্য মতে থানার এসআই ও চন্দনপুর ইউনিয়ন পুলিশিং বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইস্রাফিল হোসেন জানান, উদ্ধারকৃত ২১৭ বোতল ফেনসিডিলের প্রকৃত মালিক চন্দনপুর এলাকার একাধিক মাদক মামলার আসামী মাদক সম্রাট নামে পরিচিত আজগর আলী। তিনি আরও জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের আটকের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে ফেনসিডিল উদ্ধারের সময় আটক মহিলার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না বলে থানা সূত্রে জানা যায়।

#

কলারোয়ায় শিশু পাচার প্রতিরোধে এক মতবিনিময় সভা

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শিশু পাচার প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় এবং কোভিট-১৯ পরিস্থিতিতে করনীয় বিষয়ে পৌরসভার সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইনসিডিন বাংলাদেশ’র আয়োজনে কলারোয়া পৌরসভা অডিটোরিয়াম এ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়। বক্তারা শিশু পাচার, পাচারের ধরন, শিশু পাচার পরিস্থিতি, পাচারের কৌশল, পাচারের উদ্দেশ্য ও এর ফলে কি ঘটে, বাল্য বিবাহ, শেষ পরিণতি, পাচার প্রতিরোধে সুপারিশ, শিশু সুরক্ষা, কোভিট-১৯ পরিস্থিতিতে করুনীয় ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন। একই সাথে পৌরসভার সদস্যদের মাধ্যমে পাচারের কুফল ও প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল। ইনসিডিন বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি ও প্রোগ্রাম অফিসার সাকিবুর রহমানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র শেখ জামিল হোসেন, পৌরসচিব তুষার কান্তি দাস, সিনিয়র সহকারী ইঞ্জিনিয়র ওজিহুর রহমান, কাউন্সিলর মেজবাহ উদ্দিন লিলু, রফিকুল ইসলাম, আকিমুদ্দীন আকি, ফারহানা হোসেন, লুতফুন নেছা লুতু, আলফাজ উদ্দিন, ইমাদ হোসেন, মফিজুল হক, ইনস্টিটিউটের সভাতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শেখ শহিদুল ইসলাম, ফেরেন্ড স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি, শিশু শিক্ষার্থী মাহি আল হাসান, সামিয়া রহমান প্রমুখ।

#

কলারোয়ায় আরো ২ ব্যক্তি করোনায় আক্রান্তসহ মোট ১০২ জন

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নতুন করে থানার ওয়ারলেস অপারেটরসহ ২ ব্যক্তির করোনা পজিটিভি শনাক্ত হওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০২ জনে পৌঁছালো। নতুন করে আক্রান্তরা হলেন, কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামে চাকুরীর সূত্রে বসবাসরত তৌফিকুল ইসলাম (৪০) ও তার স্ত্রী কাকলী আক্তার (৩৪)। আক্রান্ত তৌফিকুল ইসলাম কলারোয়া থানায় ওয়ারলেস অপারেটর হিসাবে কর্মরত আছেন। এ পর্যন্ত নতুনসহ করোনায় আক্রান্ত মোট ১০২ জনের মধ্যে ইতোমধ্যে ৮৮ জনকে করোনামুক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। আর ৩ জন পূর্বেই মারা গিয়েছেন। ফলে বর্তমানে উপজেলায় ১১ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্নভাবে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরো কয়েকজন করোনামুক্ত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। বুধবার (২৬আগস্ট) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচ এন্ড এফপিও) ডাক্তার জিয়াউর রহমান, নতুন করে ২ ব্যক্তির করোনা পজিটিভ’র বিষয়টি নিশ্চিত করে আরো জানান, এদিন (২৬আগস্ট) পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ৭২৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে প্রেরণ করা হলেও ইতোমধ্যে ল্যাব থেকে ৬৯৭ জনের রিপোর্ট হাসপাতালে এসেছে। এদিকে, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর-উল-গীয়াস জানান, বুধবার (২৬আগস্ট) নতুন করে আক্রান্ত থানায় কর্মরত ব্যক্তির বসবাসরত বাড়িতে লকডাউন করা হয়েছে।

#