কলারোয়া সংবাদ ॥ মাছ চোরের হামলায় এক মৎস্য চাষী গুরুতর আহত


169 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ মাছ চোরের হামলায় এক  মৎস্য চাষী গুরুতর আহত
জুলাই ৪, ২০১৯ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ফিরাজতুল্যা গাজী (৪৫) নামে এক মাছ চাষীর উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। বুধবার রাত ৮টার দিকে তাকে গুরুত্বর জখম অবস্থায় কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এঘটনায় ৪ জন সন্ত্রাসীর নাম উল্লেখ্য করে কলারোয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে ও আহত মাছ চাষীর ছেলে মোস্তফা কামাল জানান, তাদের উপজেলার আলাইপুর গ্রামে একটি মাছের ঘের আছে। সেই ঘের থেকে মাসখানিক যাবৎ মাছ চুরি হচ্ছে। এনিয়ে তার পিতা ফিরাজতুল্যা দুরচিন্তায় ভুগছিলেন। তিনি স্থানীয় মানুষের কাছে এনিয়ে পরামর্শ করেন। পরে বুধবার রাতে ওই ঘেরে পাহারা দেন। রাত ৮টার দিকে উপজেলার আইলপুর গ্রামের মাজেদ গাজীর ছেলে ইউসুফ আলী (২৪) ও একই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে হযরত মোড়ল (২২) তার ঘেরে জাল দিয়ে মাছ ধরে। এসময় তিনি জালের শব্দ শুনে টর্চ লাইট মেরে উক্ত চোরদের তাড়া করেন। চোরেরা জাল নিয়ে দৌড়ে তাদের বাড়ীতে চলে আসে। তখন ঘের মালিক ফিরাজতুল্লা চোরেদের পিছু নিয়ে তাদের বাড়ীতে এসে ঘেরে মাছ ধরতে নিষেধ করিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
এক পর্যায়ে মাছ চোর ইউসুফ গাজী, হযরত মোড়ল, মাজেদ গাজী, আকলিমা খাতুন দলবদ্ধ হয়ে লোহার রড ও সাবল দিয়ে এলোপাতাড়ী ভাবে পিটিয়ে সারা শরির নিলা ফোলা জখম করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরে তার ডাকচিৎকারে ছেলে ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল এগিয়ে আসলে তাকেও ধরে বেধড়ক পিটিয়ে তার কাছে থাকা নগদ ২৫ হাজার ৮শ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয় লোকজন মাছ চাষী ফিরাজতুল্লা কে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদিকে ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল আরো জানান,হাতে নাতে মাছ চোর ধরে ফেলাতে তার পিতার উপর এ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুনীর-উল-গীয়াস জানান আহতদের দেওয়া একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন।

#

কলারোয়ায় শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের বর্ণাঢ্য রথযাত্রা উৎসব

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৯ম বর্ষ শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের বর্ণাঢ্য রথযাত্রা উৎসব উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কলারোয়া সনাতন ধর্ম স্বেচ্ছাসেবক পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত রথ উৎসবের শুভ উদ্বোধন কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু। উত্তর মুরারীকাটি পালপাড়া শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন-সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য ও কলারোয়া পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব শেখ আমজাদ হোসেন, পৌরসভা আ.লীগের সভাপতি আজিজুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম,সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সহ-সভাপতি দিলীপ চ্যাটার্জী, জিতিন্দ্র নাথ ঘোষ, সোনাবাড়ীয়ার শ্রী সুপ্রসাদ চৌধুরী, রথযাত্রা উৎসব উদযাপন পরিষদের কোষাধ্যক্ষ শ্রী জীবন ঘোষ, উপজেলা জয় মহাপ্রভু সেবক সংঘের সভাপতি শ্রী গোষ্ট চন্দ্র পাল, কলারোয়া শ্রীকৃষ্ণের দাস সম্প্রাদায়ের সভাপতি শ্রী সুনীল দাস, শ্রী অশিত কুমার, মাস্টার শ্রী প্রদীপ পাল, কলারোয়া সনাতন ধর্ম স্বেচ্ছাসেবক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী অসীত ঘোষ, সহ-সভাপতি শ্রী প্রকাশ হালদার, সেবাচার্য্যে সুজিত গোম্বামী, বিশ্বনাথ ভারতী, আশালতা পাল, জয়দেব গোম্বামী প্রমুখ।

#

কলারোয়ায় প্রতিবন্ধী এক মহিলার বসত বাড়ির প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ

কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শারিরীক প্রতিবন্ধী এক মহিলার বসত বাড়ির প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়েছে হযরত আলী নামে এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলারোয়া পৌর সদরের তুলশীডাঙ্গা গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের স্ত্রী শারীরিক প্রতিবন্ধী নূর জাহান খাতুন কলারোয়া প্রেসক্লাবে এসে এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, তিনি একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ও অসহায় মহিলা। তার একমাত্র ছেলে আব্দুর রাজ্জাকও শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনি বহু কষ্টে অর্জিত টাকা দিয়ে পৌর সদরে ৮ শতক ক্রয় করা জমির মধ্যে ৭ শতকের উপর ঘর তৈরি করেন। বাকি ১ শতক জমি বাড়ির প্রবেশ পথের জন্য রেখে দেয়। জমি ক্রয় করার সময় জমির মালিক তাকে যে পথ দেখিয়ে দেয় সেই ১ শতক দিয়ে তিনি দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে যাতায়াত করছেন।
বর্তমানে ক্রয়কৃত জমির মালিকের আপন ছোট ভাই প্রতিবেশী ওজিহুর রহমান ওই জমি মেপে জানিয়ে দেয়, তোমার ব্যবহৃত পথ আমার পাওনা হয়েছে, আমি উক্ত পথ ঘিরে দেব। তোমার পথ পাশের জমির মালিক আমিনুদ্দীনের ছেলে হযরতের জমির মধ্যে চলে গেছে।
পরে তিনি ও ওজিহুর রহমান দুইজনে প্রতিবেশী হযরতকে বিষয়টি জানায়, তোমার ঘরটি একটু পিছাইয়া তৈরী করো তোমার ওই জমির মধ্যে তার (নূর জাহান) জমি রয়েছে।
তিনি একজন অসহায় প্রতিবন্ধী হওয়ায় হযরত তার কথায় কোন কর্ণপাত না করে তার বাড়ি যাওয়ার পথের উপর ঘর নির্মান করেছে হযরত আলী। বর্তমানে তিনি বাড়ি প্রবেশ করতে পারছেন না।
বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি পৌর ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল শালিসি বৈঠকের আয়োজন করলে,তাতে হযরত কোন মিমাংসায় আসেননি। তাই বিষয়টি সাংবাদিকদের দ্বারা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।

#