কলারোয়া সংবাদ ॥ যুদ্ধ করে জীবন দিয়েও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পায়নি মতিয়ার রহমান


96 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ যুদ্ধ করে জীবন দিয়েও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পায়নি মতিয়ার রহমান
জুলাই ৯, ২০১৯ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে নিজের জীবণ দিয়েও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আজও স্বীকৃতি পেল না মতিয়ার রহমান। অথচ তার কবরে ২১ ফেব্রুয়ারী ও ১৬ ডিসেম্বর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। মতিয়ার রহমান সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হামিদপুরের পরানপুর গ্রামের মৃত ইছতুল্লাহ সানার ছেলে। তিনি ছিলেন শিক্ষিত ব্যক্তি। তিনি ১৯৭১সালে নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেন। যুদ্ধ করতে করতে যশোর জেলার জামতলা নামক স্থানে ১৯৭১সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি সহ ৫/৬জন মারা যান। তার ওই স্থানে গণ কবর দেওয়া হয়। প্রতি বছর তাদের স্বরণ সভাসহ গণ কবরে পুষ্পুমাল্য নিবেদন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। এই বীর সেনার নাম সকলের উর্দ্ধে রাখতে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম তরিকুল ইসলাম বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমানের নামে একটি সড়ক নির্মাণ করেন। সড়কটি হলো-কলারোয়া পৌর সদরের পাকা পুলের মাথায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান সড়কের মাইল ফলক নির্মাণ করা হয়ে ছিলো। বর্তমানে রাস্তাটি রয়েছে কিন্তু মাইল ফলকের কোন চিহ্ন ও পর্যন্ত নেই। মতিয়ার ছিলেন তার পিতার ছোট ছেলে। তারা ৩ ভাই ও বোন। তিনি ছিলেন ছোট । এই বীর সেনার পারিবারের মধ্যে এখনও চাচা ভাইপোরা বেঁচে রয়েছেন। তারা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমানের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি চায়। এ ব্যাপারে কলারোয়া উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধার মোসলেমউদ্দিন বলেন-মতিয়ার রহমান যুদ্ধের সময় নিহত হয়েছেন তিনি শুনেছেন। নিশ্চয় মতিয়ার রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম মোস্তফা জানান- সরকারের পক্ষ থেকে বহু বার নাম বাদ পড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা সদস্যদের নাম যাচাই বাচাই হয়েছে। কিন্তু মতিয়ার রহমানের পক্ষে কেউ কোন দিন কোন ফাইল নিয়ে জমা দেয়নি। যার কারনে তার নাম বাদ পড়তে পারে। কাগজ পত্র সঠিক থাকলে সরকার যদি কোন দিন সুযোগ দেয় তাহলে তিনি মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লেখাতে পারবেন।

#

কলারোয়ায় তহশীলদারের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে খাস জমিতে পাঁকা ইটের গাঁথুনি দিয়ে ঘর তৈরীতে সহয়তার অভিযোগ

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এক তহশীলদারের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে খাস জমিতে পাঁকা ইটের গাঁথুনি দিয়ে ঘর তৈরীতে সহয়তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার ৯৩ নং জালালাবাদ মৌজার সরকারি খাস খতিয়ানভ’ক্ত ১০৩৭ নং দাগে জালালাবাদ গ্রামের মালায়েশিয়া প্রবাসী মিজানুর রহমান মোড়লের ছেলে ইমরান হোসেন প্রায় মাস খানেক আগে জালালাবাদ বাজারে লোহার রড,ইটের খোয়া ও বালির মিশ্রনে কংক্রিট দিয়ে পিলার তৈরী করে পাঁকা দোকান ঘর তৈরী শুরু করে। বাজারের মধ্যে সরকারি জমি জবর দখল করে দোকান ঘর তৈরিতে এলাকার সচেতন মানুষরা ফুঁসে ওঠে।
মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে গেলে জালালাবাদ গ্রামবাসীর অনেকে বলেন, বিষয়টি তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সাতক্ষীরা জেলা প্রসাশককে মোবাইল ফোনে অবহতি করেছিলেন। পরে গত ১৯ শে জুন উপজেলা ভুমি অফিসের কানুনগো এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন ভ’মি অফিসের তহশীলদার আমিরুল ইসলাম স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতে ওই জমি সরেজমিন মাপ জরিপ করে সীমানা নির্ধারণ করেন। তাতে দেখা যায়, ইমরান হোসেন সরকারের খাসএক শতক জমি জবর দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ শুরু করছে। তখন কানুনগো সকলের সামনে ইমরানকে বলেন, নির্মাণাধীন দোকান ঘরের অর্ধেক অংশ সরকারের খাস জমিতে তৈরী হচ্ছে। সরকারের জমিতে দোকান ঘর তৈরী করা যাবে না। তাকে সরকারের জমি অবমুক্ত করার জন্যও বলেন তিনি। কিন্তু গত তিন দিন আগে পুনরায় উক্ত ইমরান হোসেন সরকারি ওই জমিতে কংক্রিটের কাজ শুরু করেছে। জালালাবাদ ইউনিয়ন ভুমি অফিস থেকে মাত্র ২০ গজ দুরে খাস জমিতে ওই পাঁকা কাজ চলতে থাকায় তহশীলদারের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, জালালাবাদ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে সরকারের জমিতে কংক্রিট দিয়ে পাঁকা দোকান ঘর তৈরীতে সহয়তা করছেন। এ এবিষয় উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো’র সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।
জালালাবাদ ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশীলদার আমিরুল ইসলামের ব্যবহারিত ০১৭২০-৫৪৮৯০৮ মুঠোফোনে তাঁর বক্তব্য জানার জন্য ফোন করলে তাঁর ফোনে রিং হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

#

লাবসায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বাগতিকদের সাথে কলারোয়ার ড্র

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার লাবসায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ড্র করেছে কলারোয়া ফুটবল একাডেমি ও স্বাগতিক লাবসা ফুটবল একাদশ। মঙ্গলবার বিকেলে লাবসা ফুটবল মাঠে আয়োজিত ওই ম্যাচে ৩-৩ গোলে ড্র থেকে অমীমাংসিত থাকে। খেলার প্রথমার্ধের ১০মিনিটের মাথায় কলারোয়া ফুটবল একাডেমির ১২নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় মারুফ গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। ২৫মিনিটের মাথায় আবারো মারুফ নিজের ও দলের ২য় গোল করে ব্যবধান বাড়ান। খেলার মধ্যবিরতির আগ মুহুর্তে¡ লাবসা ফুটবল একাদশের ইব্রাহিম গোল করে ব্যবধান কমান। বিরতির পর কলারোয়ার সেই মারুফই নিজের হ্যাট্টিক গোলটি করে ৩-১ দলকে গোলে এগিয়ে নেন। খেলার শেষের দিকে লাবসার ইব্রাহিম নিজের ২য় গোল করেন। এর কিছুক্ষণ পরে লাবসার মিলন ১টি গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। ম্যাচের শেষ বাশি যখন বাঁজে তখন স্কোরবোর্ডের ফলাফল ৩-৩ গোল। প্রীতি ম্যাচ হওয়াও ড্র থেকেই অমীমাংসিত ভাবে খেলাটি শেষ হয়। খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন সোহেল ও সাগর। লাবসা ফুটবল একাদশ আয়োজিত খেলাটি উপভোগ করেন অসংখ্য ফুটবলপ্রেমি।

#