কলারোয়া সংবাদ ॥ শিশুদের মাঝে এ্যাসেসটিভ ডিভাইস বিতরণ


323 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ শিশুদের মাঝে এ্যাসেসটিভ ডিভাইস বিতরণ
নভেম্বর ১৭, ২০১৬ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে এ্যাসেসটিভ ডিভাইস (হুইল চেয়ার,চশমা ও বিশেষ ধরণের জুতা ইত্যাদি) বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপর একটার দিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে  উপজেলা ১১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব ডিভাইস বিতরণ করা হয়। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে এ সব ডিভাইস বিতরণ করেন উপজেরা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকবার হোসেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সঞ্জয় কুমার,সাংবাদিক কে এম আনিছুর রহমান,এম এ সাজেদ,সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন। ডিভাইস নেওয়া প্রতিষ্ঠান গুলো হলো- উপজেলার দমদম,বইতা, রাজপুর,পাঁচপোতা, মুরারীকাটি, পাঁচনল, বামনখালী, রামকৃষ্ণপুর, মুরারীকাটি, ধানদিয়া ও দেয়াড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
###

জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ১৯৬ জন  শিক্ষার্থী অনুপস্থিত
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায়  বাল্যবিবাহ ও দারিদ্রতার শিকার হয়ে চলমান জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ১৯৬ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। ফরম পুরন করেও পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকায় কার্যত এদের শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৪৫৭৫ জন শিক্ষার্থী জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ফরম পুরণ করেছে। এর মধ্যে ৮৩৪ জন জেডিসি  এবং ৩৭৪১ জন জেএসসিতে। তবে ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষায় ১৯৬ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। এর মধ্যে ১৩৩ জন মেয়ে বাকি  ৬৩ জন ছেলে।
তাদের অনুপস্থিতির ব্যাপারে পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ জানান, মেয়েদের প্রায়ই সবই বাল্যবিয়ের শিকার হওয়ায় ফরম পুরুন করা সত্ত্বেও পরীক্ষা দিতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে তাদের লজ্জা, স্বামীর অনাগ্রহ ও দারিদ্রতা প্রধান দায়ী। আর ছেলেরা মুলত পরিবারের অভাবের কারণে আয় রোজগারে লিপ্ত হয়েছে। কেউ কেউ নিজ এলাকাতেই আবার কেউ কেউ দেশের বাইরে বা দেশের বিভিন্ন শহরে আয় রোজগারে লিপ্ত রয়েছে।
সোনাবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আক্তার আসাদুজ্জামান জানান, তার প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ জন  মেয়ে ও ১ জন ছেলে মোট ৭ জন পরীক্ষা দিচ্ছে না। খোঁজ নিয়ে জেনেছেন মেয়ে গুলোর বিয়ে হয়ে গেছে এবং ছেলেটি কাজের সন্ধানে এলাকার বাইরে চলে গেছে। তিনি জানান, অভাব অনাটনের কারণে প্রতিবছর এভাবেই ৬ষ্ট শ্রেণিতে ভর্তির পর থেকে ঝরে পড়া শুরু হয়।
কলারোয়া পৌর সদরের বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল জানান,দরিদ্র ও অসচেতন অভিভাবকরা মেয়েদের প্রকৃত বয়স গোপন রেখে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ বের করে বিয়ে দিচ্ছেন। এ ছাড়া কোন কোন অভিবাবক জন্ম সনদ জোগাড় করতে না পেরে কতিপয় আইনজীবিদের মাধ্যমে এভিডেফিড করার পর এলাকার মৌলভিদের দিয়ে বিয়ের কাজ সারছেন বলে তিনি জানান।
###

কলারোয়া সীমান্তে নারী-পুরুষসহ ১০ অনুপ্রবেশকারী আটক
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার অপরাধে নারী-পুরুষসহ ১০ অনুপ্রবেশকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মাদরা সীমান্তের মেইন পিলার ১৩/৩ এস এর ৯ আরবি’র নিকট থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো-  বাগেরহাট জেলার মড়েলগঞ্জ থানার সন্ন্যাসী গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে কাইয়ুম হোসেন (৪০),কাইয়ুমের স্ত্রী নাছিমা খাতুন (৩৫), কাইয়ুমের মেয়ে লায়লা খাতুন (২৫). খলিল বয়াতির ছেলে রবিউল ইসলাম (২২), একই থানার কেসি চালিতাবুনিয়া গ্রামের নাছির খাঁর স্ত্রী রেবা বেগম (৪০), নাছির খাঁর ছেলে হৃদয় কাঁন (১৮), খোকন হাওলাদারের ছেলে শাহিন (৪৫), শাহিনের মেয়ে আদুরী বেগম (২০), একই জেলার শরণখোলা থানার মালিয়া গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে  আলমগীর হোসেন (৩৫) ও উপজেলার উত্তর ভাদিয়ালী গ্রামের আব্দুল আহাদের ছেলে বাবলা হোসেন (২৮)।
মাদরা বিওপি’র কোম্পানী কমান্ডার হায়দার আলী জানান, বৃহস্পতিবার ওই সময় ল্যান্স নায়েক মোখলেছুর রহমানের নেতৃত্বে ওই সীমান্তে টহল কালে ভারত থেকে সোনাই নদী পার হয়ে আটককৃতরা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময়  টহলরত বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে। পার তারা কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পায় তাদেরকে থানা পুলিশে সোর্পদ করা হয়।
এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় একটি পাসপোর্ট আইনে মামলা হয়েছে বলে  থানার ফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক শেখ জানান।