কলারোয়া সংবাদ ॥ সাংবাদিক দীপক শেঠের ‘নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পদক’ অর্জন


392 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ সাংবাদিক দীপক শেঠের ‘নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পদক’ অর্জন
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান, কলারোয়া প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠকে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের  জন্য ‘নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পদক-১৫’ এ ভূষিত করা হয়েছে। ‘নেলসন ম্যান্ডেলা রিসার্চ কাউন্সিল অব বাংলাদেশ’ সোমবার বিকেলে ঢাকা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি সেমিনার হলে তাকে এ পদক প্রদান করা হয়।

তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের ডাক ও সাতক্ষীরার যুগের বার্তা পত্রিকার কলারোয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এ ছাড়া তিনি উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক স্বগীয় শ্যামাপদ শেঠের দ্বিতীয় পুত্র ও বিএসএইচ সিংগা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক।

উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদে মানুষের সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনগুরুত্বপূর্ণ সংবাদ তাঁর লেখনীতে প্রকাশ পেয়ে থাকে নিয়মিতভাবে। সাংবাদিকতায় এ জনপদে তাঁর দায়িত্বশীলতা সর্বমহলে প্রশংসা পেয়েছে। এসব কিছুই তাঁকে এনে দিয়েছে এই পদক।

কলারোয়া প্রেসক্লাবসহ কলারোয়ার সকল সাংবাদিক সংগঠনের মধ্যে এই প্রথম সাংবাদিকতায় এই অসামান্য পদক অর্জন হলো। এ অর্জন কেবল সাংবাদিক দীপক শেঠের একার নয়, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সতীর্থ সকল সাংবাদিকদের এ অর্জন- এমনটি দাবি দীপক শেঠের। ঢাকার ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পদক প্রদান করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য এড. মনোয়ারা  বেগম। এই সম্মানসূচক পদক অর্জন করায় দীপক শেঠকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের সকল কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।
##

কামারালী বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ীর মৃত্যু
কলারোয়া প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় কামারালী বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী আশা  মারা গেছে (ইন্না—————রাজিউন)। সে কামারালী গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে  । পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় কামারালী বাজার থেকে ব্যবসায়ীক কাজ সেরে বাড়ি এসে ঘুমিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে অনেক বেলা হয়ে গেলেও ঘুম থেকে না উঠায় তার মা ছেলেকে বার বার ডাকতে থাকে। কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে তার মা পাশ্ববর্তী লোকজনের ডাকলে তারা ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে দেখে মারা গেছে। গ্রাম্য ডাক্তার ও এলাকা বাসির ধারনা স্ট্রোকে মারা গেছে। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।