কলারোয়া সংবাদ ॥ সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে আলোচনা সভা


309 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে আলোচনা সভা
আগস্ট ১৯, ২০১৮ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরা সীমান্তে শতভাগ চোরাচালান মুক্ত করার লক্ষ্যে কলারোয়া সীমাস্তে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ৫ টায় উপজেলার সীমান্তবর্তী কাকডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্প গোল চত্বরে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল সরকার মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সার্থে সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান প্রতিহত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে যে মহৎ পদক্ষেপ নিয়েছেন তা বাস্তবায়নের লক্ষে চোরা-চালান বন্ধ করা অপরিহার্য। আপনাদের এলাকায় চোরাকারবারির সাথে যারা জড়িত তাদেরকে সতর্ক করবেন এবং চোরাচালান দমন করতে বিজিবিকে সর্বদা সহযোগীতা করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল, কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদর্শক শাহিনুর রহমান, ইউপি সদস্য ইয়ার আলী, মহিদুল ইসলাম, সামসুর রহমান, আলহাজ নজরুল ইসলাম, আবুল কাশেম, রফিকুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম, মজিবর রহমান, অত্র ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ বৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণী পেশাজীবি ব্যক্তিসহ এলাকার সুধীজনেরা।
##

কলারোয়ায় অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ

কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় অসহায় ও দূ:স্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ভিজিএফ কার্ডধারী মানুষের মাঝে মাথাপিছু ২০কেজি করে এ চাল প্রদান করা হয়। রোববার সকালে কলারোয়া পৌরসভা, উপজেলার সোনাবাড়িয়া, কুশোডাঙ্গা, যুগিখালীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে এ চাল বিতরণ করা হয়। রোববার সকালে পৌর এলাকার ৩ হাজার ৮১জন ভিজিএফ কার্ডধারী অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পৌর সভার প্যানেল মেয়র মনিরুজ্জামান বুলবুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর মফিজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলগণ, পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এদিকে, উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নেও অনুরূপভাবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান আসালামুল আলম আসলাম। ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি রাম প্রসাদ দত্তসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপজেলার ১২নং যুগিখালী ইউনিয়নের ভিজিএফ’র চাউল বিতরণ করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হাসান ও সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে চাউল বিতরণ করেন চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল ইসলামকলা
##

কলারোয়া বেত্রবতী নদীর উপর কাঠের ব্রীজটি ঝুকিপূর্ণ ॥ চলাচলে চরম দূর্ভোগ
কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌর সদরের মাছ বাজার সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর উপর বাঁশ-কাঠের ব্রীজটি ঝুকিপূর্ণ হয়েছে পড়েছে। যে কোন সময় একটা বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। পৌর সদরের বেত্রবতী নদীর উপর একমাত্র পাকা ব্রীজটির বিকল্প হিসেবে মাছ ও তরকারি বাজারের পাশের এই বাঁশ-কাঠের সাঁকোটি অত্যন্ত অবহেলা ও দৈন্যদশা দৃশ্যমান। অথচ নদী পারাপারের জন্য সাঁকেটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। কলারোয়া বাজারের সাথে নদীর ওপারের মুরারীকাটি, পালপাড়া, মির্জাপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য বাঁশের সাকোটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও উপযোগিতা প্রতীয়মান। স্থানীয়দের উদ্যোগে গত কয়েক বছর আগে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয় এটি। সাঁকোটি তৈরির পর অত্যন্ত উপকারে আসায় রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনও দেখা দেয়। স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা আর উদ্যোগ সীমাবদ্ধ থাকায় সরকারি সহযোগিতার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- কলারোয়ার বেত্রবতী নদীর উপর দিয়ে কলারোয়া মাছ বাজারের ভিতরে রয়েছে একটি বাঁশের সেতু বা ব্রীজ, যার উপর দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হয় শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ। বর্তমানে বাঁশ-কাঠের সাকোঁটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোন মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে কোন দূর্ঘটনা, দূর্ঘটনার শিকার হতে পারেন সাধারণ মানুষ। দু’পারের মানুষের উপকার হিসেবে বিবেচিত এই ব্রীজটি পাকাকরণ করে নতুন ভাবে তৈরি করার দাবি উঠেছে।
কাঠের পুলের মাথার চায়ের দোকানদার নূরুল ইসলাম জানান-সরকারী কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানো হলে তারা শুধু আশ্বাসের বাণী দেন তবে কোনো কাজের কাজ হয় না।
শ্রীপ্রতিপুর এলাকায় বসবাসকারী অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম জানান, কলারোয়া বাজারের মূল কেন্দ্র চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে উঠেছে, বৃষ্টির পানির চাপে ভেঙ্গে গেছে বাঁশ-কাঠের এই সাঁকোটি। অধিকাংশ জায়গায় বাঁশ ও কাঠের পচন ধরেছে।
আহসাননগর থেকে আসা পথচারি আজমল হোসেন জানান- কাঠের পুল দিয়ে চলতে খুব ভয় লাগে, যে কোনো মুহুর্তে ঘটে যেতে পারে বড় কোনো দূর্ঘটনা।
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশ-কাঠের এই পুলটি দেখার জন্য কেউ যেন নেই। পুলটি কলারোয়া বাজারের মূল কেন্দ্রের সাথে মিলিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ ঝুকি নিয়ে পার হতে হয় ভাঙ্গা, মগ্ন, কাঠের পুলটি দিয়ে। এমনকি প্রতিনিয়তো ছোট-খাটো দূর্ঘটনা লেগেই আছে।
এলাকাবাসী সাতক্ষীরা-১ আসনের এ্যাড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অতি দ্রুত ভঙ্গুর কাঠের পুলটি অপসারণ করে পাকা ব্রীজ নির্মাণ করে জনগণের চলাফেরার সুযোগ করে দেয়া হোক।
##

বিদুৎহীন এক জনপদের নাম কলারোয়ার শাকদাহ ইউনিয়নের শাকদাহ মাঠ পাড়া গ্রাম
কে এম আনিছুর রহমান ::
বিদুৎহীন এক জনপদের নাম সাতক্ষীরার কলারোয়ার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের শাকদাহ মাঠ পাড়া গ্রাম। শুধু বিদ্যুতহীন-ই নয়, রাস্তাঘাটও অত্যন্ত নাজুক। এমনকি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বড়খলসি গ্রামের কোলঘেষা উপজেলার শাকদাহ মাঠপাড়া এই গ্রামটিতে পাকিস্থান আমলের একটি কালভার্ট ভঙ্গুর হয়ে পড়লেও আজো পর্যন্ত সেটা মেরামত কিংবা নতুনভাবে তৈরি করা হয়নি।
অথচ পাঁচ শতাধিক ফসলি জমিতে চাষাবাদ আর পুকুর-ঘেরে মাছ চাষে এলাকার মানুষ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শরীক হচ্ছেন।
শাকদাহ মাঠপাড়া ওই গ্রামের ৫০টি পরিবারের ৩ শতাধিক বাসিন্দা রয়েছেন বিদ্যুৎহীন আর অবহেলিত অবস্থায়। রাস্তাঘাটের জরাজীর্ণতায় একটু বৃষ্টি হলেই দূরদূরন্তের স্কুল-কলেজে যেতে পারে না স্থানীয় শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা নামলেই ঘুটঘুটে অন্ধকারে গ্রাটি ভুতুড়ে অবস্থার সৃষ্টি হয়। বিদ্যুতের অভাবে পড়ালেখার যেমন সমস্যা হচ্ছে ঠিক তেমনি স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যহত হচ্ছে।
ওই গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন জানান বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যার পর টর্সলাইট নিয়ে রাস্তায় চলতেও ভয় পাই। রাতে কেউ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য এখানে কেউ আসতেও চায় না আবার এখান থেকে নিয়ে যাওয়াও বিপদ।
গ্রামটিকে ঘিরে ৫’শতাধিক ফসলি জমি, কয়েকটি ডিজেলচালিত ডিপটিবওয়েল, মসজিদ, ঘরোয়া মন্দিরসহ বাড়ি-ঘর সম্বলিত হিন্দু-মুসলিমের সম্প্রীতির এ গ্রামটি আধুনিকতার ছোয়া যেনো ধরাছোয়ার বাইরে। সবমিলিয়ে বিদ্যুৎ আর রাস্তার উন্নয়ন হলে অবহেলিত এ গ্রামটির বাসিন্দারা কৃতজ্ঞ থাকবে সংশ্লিষ্টদের প্রতি।
কুশোডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম বলেন,রাস্তা সংষ্কারে চেষ্টা চলছে। আর বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে কথা হয়েছে।
আর তাই অবিলম্বে সমস্যা সমাধানে স্থানীয় সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন শাকদাহ মাঠপাড়ার বাসিন্দারা।
##