কলারোয়া সংবাদ : সরকারি খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহ উদ্বোধন


466 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ :  সরকারি খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহ উদ্বোধন
জুন ১৫, ২০১৭ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান, কলারোয়া ::
কলারোয়ায় সরকারি খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার  দুপুর ১২ টায় সরকারি ভাবে চাল সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা খাদ্য দ্রব ক্রয় কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্যে নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বিএম মুশফিকুর রহমান, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, মেসার্স দাউদ রাইস মিলের মালিক  আবু দাউদ প্রমুখ।

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, ২ মে থেকে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত ৩৪ টাকা কেজি দরে চাল মিলারদের নিকট থেকে ক্রয় করা হবে। এবার উপজেলায় চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫৬৫ মেট্রিক টন। উপজেলায় সরকারী ২০টি মিলারদের মধ্যে চুক্তি ভিক্তিক ১৪টি মিলার এ চাল প্রদান করবেন বলে তিনি জানান।
##

হিজলদী ২৫জুন পালিত হচ্ছে ১ম বিশ্ব ভিটিলিগো (শ্বেতী) দিবস

কলারোয়ায় প্রথম বিশ্ব ভিটিলিগো  (শ্বেতী) দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে কলারোয়া প্রেসক্লাবে প্রেস কনফারেন্সে লিখিত ব্ক্তব্য পাঠ করেন ভিটিলিগো  দিবস উদযাপন উদযাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক এম এ ফারুক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতিসংঘের আহবানে প্রথম বিশ্ব ভিটিলিগো (শ্বেতী) দিবস আগামি ২৫ জুন বিশ্বব্যাপি পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে দিবসটি জাতীয়ভাবে পালিত হবে কলারোয়ার সীমান্ত গ্রাম হিজলদীর ইকোট্যুরিজম পল্লীতে।

দি ভিটিরিগো ওয়ার্ল্ড দিবসটি উপলক্ষে “ভিটিলিগো রিসার্স সেন্টার এন্ড ইকোলজ” এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন ভিটিলিগো মা শিরিনা খাতুন। দি ভিটিলিগো ওয়ার্ল্ড’র মুখ্য সমন্বয়ক সারোয়ার হোসেন প্রেস কনফারেন্সে বলেন, হিজলদী গ্রামে তাঁর পিতার জমিতে স্থাপিত হচ্ছে “ভিটিলিগো রিসার্স সেন্টার এন্ড ইকোলজ”।

তিনি আরো বলেন, প্রচলিত তাচ্ছিল্য ও আতঙ্কের ‘শ্বেতী’ শব্দ বিলুপ্ত করে ‘ভিটিলিগো’ শব্দের প্রচার ও প্রসার তারা চান। এছাড়া বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিবন্ধির (বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষ) সঙ্গে ‘সৌন্দর্য প্রতিবন্ধি’ হিসেবে ভিটিলিগোকে (শ্বেতী) তালিকাভূক্তির  স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কাজ তারা করছেন।

অধ্যাপক এমএ ফারুক ও সারোয়ার হোসেন অভিন্ন সুরে বলেন, আমাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন বৃহত্তর সামাজিক পরিমন্ডলে ভিটিলিগো অজ্ঞতা এক মারাত্মক দুর্ভোগ। এটা কোনো রোগ না কিন্তু ভোগ। অর্থাৎ বিনা রোগে ভুগতে হবে ভিটিলিগো ভিকটিমদের।

একইভাবে ভুগতে হবে তাদের স্বজনদের। তারা বলেন, একদিন কুসংস্কারাচ্ছন্নতা কাটিয়ে গড়ে উঠবে ভিটিলিগো গণসচেতনতা, মানব উন্নয়ন বার্তা, শান্তি ও প্রগতি। প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক আব্দুর রহমান, আহবায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রহমান, প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল ও আব্দুর রহমানসহ সকল সাংবাদিকবৃন্দ।
##