কলারোয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভ মিছিল ও ক্লাস বর্জন


512 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভ মিছিল ও ক্লাস বর্জন
আগস্ট ৮, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কলারোয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও ক্লাস বর্জন করেছে অধ্যায়ণরত ছাত্র-ছাত্রীরা। শনিবার সকাল ১০ টার দিকে ছাত্র-ছাত্রীদের নবীণ-বরণ না করা, কমনরুম  না থাকা,  ভর্তি ফরম বাবদ অতিরিক্ত ৫০ টাকা আদায় করা, শ্রেণীকক্ষে ফ্যান ও বাল্ব না থাকা,বিএনসিসি কোর্স চালু না থাকা, কলেজ অধ্যক্ষ নিজেই ঠিকাদারী হয়ে প্রাচীরের পুরানো ইট দিয়ে টয়লেট নির্মান করা, ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণ ও কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের অবমূল্যায়ণ করাসহ একাধিক কারণে কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভ মিছিল ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচী। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে কলেজ অধ্যক্ষ এসব সমস্যাগুলো জুরুরী ভিত্তিতে সমাধান করার আশ্বাস দিলে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের আন্দোলন স্থগিতের ঘোষনা দেয়।
কলারোয়া সরকারী কলেজের অধ্যায়ণরত ছাত্র শফিউর রহমান শিমুল, আহনাফ তাজিম অনিক, ফিরোজ হোসেন স¤্রাাট, হাবিবুর রহমান, রউফ, সাকিল খান জজ, রাব্বিসহ অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী জানায়, গত জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে তাদের ক্লাস শুরু হয়। এর মধ্যে ইদুল ফিতর উপলক্ষে কলেজ বেশ কিছু দিন ছুটি থাকে। ছুটি শেষ হলে ওই  মাসের ২৩ তারিখে কলেজ খোলার পর থেকে কলেজের  উক্ত সমস্যা গুলো সমাধান করার জন্য কলেজ অধ্যক্ষকে বার বার বলা সত্ত্বেও বিষয়গুলো সমাধান করেননি। এমনকি তাদেও অভিযোগ গুলো কোন কর্নপাতও করেননি। বিধায় তাদের কলেজের সার্থে  এবং পড়াশুনার সুষ্ট পরিবেশের লক্ষে কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এ আন্দোলন করা হয় বলে তারা জানায়।
কলেজ অধ্যক্ষ ড.এন.হাসান সোরওয়ার্দীনের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, তার কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা নবীন-বরণ করার জন্য আর্থিক সহযোগিতা চাইলে তিনি কলেজ ফান্ডে টাকা না থাকায় দিতে অস্বীকার করেন। তবে ব্যক্তিগত ভাবে ওই অনুষ্ঠানের সহযোগিতার কথা বলেন। অতিরিক্ত ভর্তি ফিসের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানতেন না। পরে শুনেছেন ভর্তি কমিটির শিক্ষকরা তাদের পারিশ্রমিক ও ই-মেইল খরচ বাবদ অতিরিক্ত ৫০ টাকা নিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের অতিরিক্ত নেওয়া ওই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এ দিকে নিজে ঠিকাদারী হয়ে কাজ করার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে বিষয়টি বলবেন বলে জানান। বিএনসিসির ব্যাপারে জানতে চাইলে তার যোগদানের আগেই ওটা বন্ধ ছিল। এটা চালু করার ইকতিয়ার তার নয়, তবে চালু করার জন্য বিএনসিসির কর্র্তৃপক্ষের নিকট যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া কলেজের অন্যান্য সমস্যার কথা তিনি স্বীকার করে বলেন খুব দ্রুত সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কমিটির  শিক্ষক হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মারুফ কবীর ভর্তি বাবদ প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর নিকট থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা মেইল খরচ বাবদ আদায় করা হয়েছে বলে স্বীকার করেন।