কলারোয়া সীমান্তে ৩ বাংলাদেশীকে ফেরত দিলো বিএসএফ


328 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সীমান্তে  ৩ বাংলাদেশীকে ফেরত দিলো বিএসএফ
অক্টোবর ১৪, ২০১৬ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের হাকিমপুর বিএসএফ ক্যাম্পে আটক তিন বাংলাদেশীকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।
বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা কাকডাঙ্গা সীমান্তের মেইন পিলার ১৩/৩ এস এর  ৩ আরবি’র নিকট পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে  হস্তান্তর করা হয়।
হস্তান্তরকৃতরা হলেন-  ফরিদপুর জেলার মধুগ্রাম থানার গুন্দারদিয়া গ্রামের আক্তার শেখের ছেলে ইমরান হোসেন (২৪), মাদারীপুর জেলা সদরের চরমুগুরিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে রুহুল আমিন (২৩) ও একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মহিবুল্লাহ।
উপজেলার সীমান্তবর্তী কাকডাঙ্গা বিওপি’র ন্যান্স নায়েক  শ্রী চিংনু মারমা জানান,গত কয়েকদিন আগে উক্ত ব্যক্তিরা কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে ভারতের হাকিমপুর বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় ওই ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করে বাংলাদেশের কলারোয়া  উপজেলার কাকডাঙ্গা বিওপিতে পত্র প্রেরন করেন। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে ওই সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ আটককৃতদের তার নিকট হস্তান্তর করেন।  পরে রাতে তাদেরকে থানা পুলিশে সোর্পদ করা হয়।
এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় একটি পাসপোর্ট আইনে একটি মামলা হয়েছে বলে  থানার অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক শেখ জানান।
###
কলারোয়ায় দশ টাকায় চাল দেয়ার নামে ঘুষ গ্রহন করায় দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ১নং জয়নগর ইউনিয়নে ঘুষের বিনিময়ে কার্ড পেয়েছে এলাকার স্বচ্ছল ব্যক্তিরা। ঘুষ দিতে না পারায় হতদরিদ্র অনেক পরিবার কার্ড পায়নি। এমনকি হতদরিদ্রদের কার্ড না দিয়ে ইউপি মেম্বররা নিজেদের পরিবারের সদস্যদের নামে কার্ড গ্রহন করে ১০ টাকা মূল্যের চাল তুলে নিয়েছেন। এ ঘটনায়  বঞ্চিত হত দরিদ্র মানুষ দুই জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শুক্রবার ওই ইউনিয়নে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসি জানান, জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিজাউল বিশ্বাস সবগুলো কার্ডই স্থানীয় আওয়ামী লীগকর্মীদের নাম তালিকাভুক্ত করে। এনকি তিনি তাঁর সচ্ছল প্রতিবেশীসহ নিজের মায়ের নামেও কার্ড ইস্যু করেন। আর যারা টাকা দিতে পারেননি তাঁদের কার্ড দেওয়া হয়নি। এমনকি টাকা দিয়েও অনেকেই কার্ড পায়নি।

টাকা দিয়ে ১০ কেজি চালের কার্ড না পাওয়া হত দরিদ্র জাহানারা বেগম, রেকসোনা খাতুন, সমার্তবান বেগম, রওশনারা খাতুন,রুমা খাতুন, নাজমা বেগম, সোনাভান বিবি, সুফিয়া খাতুন, নাসিমা বেগম, হামিদা খাতুন, আবদুল মজিদ, ফতেমা খাতুন জানান, তাঁদের প্রতিটি কার্ডের জন্য ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রিজাউলকে জনপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। তার পরও তাদেরকে কার্ড দেয়া হয়নি। এরপর তারা টাকা ফেরত চাইলে ভবিষ্যতে তাদের কোন সরকারি সাহায্য দেয়া হবে না বলেও হুমকি দিলে তারা তাদের টাকা ফেরত না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জেলা প্রশাসক বরাবর হতদরিদ্র এলাকাবাসির অভিযোগ দেয়ার কথা শুনে ইউপি সদস্য রেজাউল বিশ্বাস গাঢাকা দিয়েছেন। তাকে ইউনিয়ন পরিষদে, বাড়িতে এমনকি তার মোবাইলেও যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, সংররক্ষিত মহিলা মেম্বর কোহিনুর বেগমও এলাকার দুঃুস্থ ও অহসায়দের নিকট থেকে টাকা ১০ টাকায় চাল দেয়ার কথা বলে টাকা আদায় করেছেন। দক্ষিন ক্ষেত্রপাড়া গ্রামের পঙ্গু আনন্দ ঋষি টাকা দিতে না পারায় ওই মহিলা মেম্বর তার স্বামী মফেজ শেখের নামে কার্ড দিয়ে চাল উত্তোলন করেছেন। এমনকি প্রথম কোটার চাল বিতরনের দিনে ওই মহিলা মেম্বরের স্বামী এলাকার ১৬ জন হত দরিদ্রদের চাল তুলে নিয়ে মাছের খাদ্য হিসেবে নিজের ঘেরে ছিটিয়ে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য কোহিনুর বেগম জানান, স্বামী টাকা খরচ করে তাকে মেম্বরী পাশ করিয়েছে। মেম্বর না থাকলেও তো তার সাথে ঘর সংসার করতে হবে। তাই তার কথার বাইরে যাওয়ার উপায় নেই।
ইউপি সচিব আসাদুল ফারুক জানান, চালের কার্ড প্রদানের কথা বলে রেজাউল মেম্বর গরীবদের নিকট থেকে টাকা গ্রহন করেছেন বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। তিনি আরো জানান, ইউনিয়নে নয়টি ওয়ার্ডে  হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল প্রদানের জন্য ৭৫৮ টি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ইউপি সদস্য রিজউল বিশ্বাস পেয়েছেন ৬১ টি কার্ড।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন আল মাসুদ বাবু বলেন, কার্ডের বিনিময়ে হতদরিদ্রদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করায় সদস্য রেজাউল বিশ্বাস ও মহিলা মেম্বর কোহিনুরের স্বামী মফেজ শেখ সম্প্রতি তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় তিনি (চেয়ারম্যান) কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন বলে জানান।
কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় বলেন, এসব অভিযোগ তদন্তের জন্য আজ শনিবার উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও খাদ্য কর্মকতাকে জয়নগর ইউনিয়নে পাঠানো হবে।
কলারোয়ায় মাস ব্যাপী জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান শুরু
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে এক মাস ব্যাপী জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান- ২০১৬ শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা মিলনায়তনে এ অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন। পরে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভায়  বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষন অফিসার মনিরুল হকসহ উপজেলা কৃষি অফিসের সকল কর্মকতা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্র্থীগন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ৫ জোড়া করে ইঁদুর মারার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এখন হলো ইঁদুর মারার উপযুক্ত সময়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন  উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আলহাজ্ব শেখ আবুল হাসান।

কলারোয়ার উলুডাঙ্গার বীর মুক্তিযোদ্ধা নজিবার আর নেই
আলি হোসেন,খোরদো (কলারোয়া) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নজিবার রহমান গাজি (৭০) বার্ধক্যজনিত কারণে ইনেÍকাল করেছেন (ইন্না—–রাজিউন)। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানা সদরের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে কালিগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে পথিমধ্যে মারা যান। তিনি পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ছিলেন বলেন জানা গেছে। মরহুম নজিবার রহমান উপজেলার উলুডাঙ্গা  গ্রামের মৃত জফর গাছির ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার জুম্মা নামাজ পর মরহুমের রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড-অব-অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনারের নেতৃত্ব দেন খোরদো পুলিশ ফাঁিড়র ইনচার্জ হাসানুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন,সহকারী কমিশনার ( ভুমি) সানজিদা জেসমিন, উপজেলা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, ডিপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, সাংগঠনিক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলী, মুক্তিযোদ্ধা আমির আলী, নাজিমুদ্দীন, ইবাদ আলী মাস্টার প্রমুখ । পরে জানাযা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে কবরস্থ করা হয়। জানাযা নামাজ পরিচালনা করেন খোরদো বাজার মসজিদের খতিব মাওলানা বিল্লাল হোসেন।

॥ ভুট্রোলাল গাইন হঠাৎগঞ্জ হাইস্কুলের সভাপতি হওয়ায় অভিনন্দন

কলারোয়া প্রতিনিধি :

news-pic-1410-2016
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ভুট্রোলাল গাইন। তিনি ওই ইউনিয়নের আ’লীগের সভাপতি ও মাদার তেরেসার পুরস্কার প্রাপ্ত এক ব্যক্তি। ওই স্কুলের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান শাহাজাদা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও তরুন ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মোরশেদ আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ কালাম, কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মারুফ হোসেন, ইউপি সদস্য ইয়ার আলী, হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন  প্রমুখ।