কলারোয়া সোনালী ব্যাংকে জোড়া খুনের ঘটনায় পাঁচজনের জবানবন্দি রেকর্ড


486 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সোনালী ব্যাংকে জোড়া খুনের ঘটনায় পাঁচজনের জবানবন্দি রেকর্ড
জুলাই ২০, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া :
সাতক্ষীরার কলারোয়া সোনালী ব্যাংকে জোড়া খুনের ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম উপজেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদেরকে সোমবার সাত¶ীরা আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট এরশাদ আলীর খাস কামরায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করার পর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে  বলে জানাগেছে।
দেশব্যাপি আলোচিত এই ঘটনায় এপর্যন্ত যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা  হলো,কলারোয়া  উপজেলার সিংহলাল গ্রামের বদিউজ্জামানের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪২) মির্জাপুর গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে গোলাম রহমান (৩৭) ঝিকরা গ্রামের মৃত জোহর আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম ওরফে কালো মনি (৩৮) একই গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে আবুল কাশেম (৩৮)ও সোনালী ব্যাংক ভবনের মালিক গোলাম রব্বানীর বাড়ির তত্বাবধায়ক আজিবর রহমান (৪৯)।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার সাত¶ীরা আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট এরশাদ আলীর খাস কামরায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করার পর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।এছাড়া আরো কয়েক জনকে জিঞ্জাসাবাদের জন্য আটক করা হলেও তদন্তের ¯^ার্থে পুলিশ তাদের নাম-ঠিকানা এবং সংখ্যা জানায়নি।
গত ১৫ জুলাই মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনালী ব্যাংক শাখায় ভোল্ট ভেঙ্গে টাকা ডাকাতির কাজে বাধা দেয়ায় জবাই করে হত্যা করা হয় ওই ব্যাংকে কর্তব্যরত দুই আনসার সদস্যকে। নিহতরা হলেন উপজেলার ঝাঁপাঘাট গ্রামের শেখ কাইউম হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩০) ও সাত¶ীরা সদর উপজেলার হরিশপুর গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে আসাদুজ্জামান (২৫)।
এ ঘটনায় পরের দিন বুধবার বিকালে কলারোয়া থানায় একটি মামলা (নং-১৮) দায়ের করা হয়। সোনালী ব্যাংকের কলারোয়া শাখার মানেজার কালিগঞ্জ উপজেলার কোমরপুর গ্রামের রমেশ সরকারের ছেলে মনোতোষ সরকার বাদি হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের ওসি মোস্তাফিজুর রহমানের উপর ন্যাস্ত করা হয়। তিনি খুনের রহস্য উদঘটনসহ আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য এস আই (ডিবি) ইমরান হোসেনকে দায়িত্ব প্রদান করেন।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই ইমরান হোসেন ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকমকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ আসামীর জবান বন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। আসামীরা কি বলেছে, তা মামলার তদন্তের ¯^ার্থে বলা যাবে না। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে অন্য স্থানে পালিয়ে থাকা আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।