কাদের সিদ্দিকীকে ‘আটকাতে’ ইসির আবেদন


314 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কাদের সিদ্দিকীকে ‘আটকাতে’ ইসির আবেদন
অক্টোবর ২৬, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপ নির্বাচনে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে হাই কোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিতের আবেদন করেছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের প্যানেল আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. ইয়াসিন খান সোমবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি জমা দেন।

পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “মঙ্গলবার চেম্বার বিচারপতির আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।”

আগামী ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে কাদের সিদ্দিকীর প্রার্থিতা ইসি খেলাপি ঋণের কারণে বাতিল করলেও হাই কোর্টের আদেশে ২২ অক্টোবর সব প্রার্থীদের সঙ্গে তাকেও প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ওই দিনই ইসির প্যানেল আইনজীবী মোহাম্মদ ইয়াসিন খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, হাই কোর্টের ২১ অক্টোবরের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

অক্টোবর মাস জুড়ে  সুপ্রিম কোর্টে অবকাশ চলছে। তবে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য অবকাশকালীন বেঞ্চ রয়েছে। অবকাশকালে ২৭ অক্টোবর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত রয়েছে।

ভাই আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর আসনে এখন পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা কাদের সিদ্দিকী বলে আসছেন, তার মনোনয়নপত্র বাতিলের পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে।

কৃষক, শ্রমিক, জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের ‘ঋণ খেলাপ করেছে’ যুক্তি দেখিয়ে গত ১৩ অক্টোবর কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এর বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে তা ১৮ অক্টোবর খারিজ হয়। এরপর প্রার্থিতা ফিরে পেতে তিনি ২০ অক্টোবর হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন। ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে পরদিন আদালত কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে নির্দেশসহ রুল দেয়।

কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কতৃর্ত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।

হাই কোর্টের আদেশ পক্ষে পেয়ে ইতোমধ্যে নিজের দলীয় প্রতীক গামছা মার্কার প্রচার শুরু করেছেন লতিফের ভাই কাদের।

এই উপ নির্বাচনের অপর তিন প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগের হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী (নৌকা), বিএনএফ এর আতাউর রহমান খান (টেলিভিশন) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইমরুল কায়েস (আম)।