কাদের সিদ্দিকী ঐক্যফ্রন্টে যাবেন কি-না জানা যাবে ৩ নভেম্বর


275 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কাদের সিদ্দিকী ঐক্যফ্রন্টে যাবেন কি-না জানা যাবে ৩ নভেম্বর
নভেম্বর ১, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, তিনি দেশে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সবাইকে নিয়ে একটি সার্বিক ঐক্য চান।

সার্বিক ঐক্যের মধ্যে বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং ড. কামাল হোসেনকে তিনি এক মঞ্চে দেখতে চান। বুধবার মতিঝিলে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।

তবে ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেওয়া বিষয়ে তার দলের রাজনৈতিক অবস্থান জানাতে আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে বলেন তিনি।কাদের সিদ্দিকী বলেন, তার রাজনৈতিক অবস্থান জানাতে জেল হত্যা দিবসে আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন। সেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন ড. কামাল হোসেন।

তিনি আভাস দেন, এই আলোচনা সভায় বি. চৌধুরীকেও নিয়ে আসবেন। এই সভাতেই তিনি নিজের ও দলের রাজনৈতিক অবস্থান পরিস্কার করবেন। সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল- ‘আপনি ঐক্যফ্রন্টে যাচ্ছেন কি-না।’ জবাবে তিনি বলেন, যা বলার সেদিনই বলব।

তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে ড. কামাল হোসেনকে তিনি তার বাসায় নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেখানে সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এ ছাড়া মঙ্গলবার রাতে তার বাসভবনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গিয়েছিলেন। সেখানেও রাজনীতি নিয়ে তাদের মাঝে মতবিনিময় হয়েছে।

কাদের সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রীর সংলাপ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি দেশের জন্য একটি মাইলফলক। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বলেই তিনি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংলাপের দাবিতে তিনিই প্রথম ২০১৫ সালের ২ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা ৬৪ দিন মতিঝিলের ফুটপাতে কাটিয়েছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, তিনি অসার বক্তব্য দেন। দু’দিন আগেও তিনি বলেছিলেন, ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার ভেতরে কিছু নেই। ঐক্যফ্রন্ট সম্পর্কে আওয়ামী লীগ থেকে বলা হয়েছিল, ছাল-বাকল।

এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার পরপরই সংলাপের আহ্বান জানানোর মধ্যে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের অসারতা প্রমাণ হয়ে গেছে। রাজনৈতিক সম্মানবোধ থাকলে তার উচিত ছিল পদত্যাগ করা। প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ হলে তার জানা উচিত ছিল, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। তাই তার দরকার ছিল কথার মধ্যে কিছুটা স্পেস রেখে কথা বলা। তিনি তা করেননি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জাহাঙ্গীর।