কালিগঞ্জের নলতায় এক যুবতীর আত্মহত্যা


222 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জের নলতায় এক যুবতীর আত্মহত্যা
মে ২০, ২০১৯ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সুকুমার দাশ বাচ্চু,কালিগঞ্জ ::

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলাধীন নলতা ইউপির মাঘুরালী গ্রামে শারমিন সুলতানা (১৬) নামক এক মেয়ে সকলের অগোচরে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঘরের আঁড়ায় ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। শারমিন অত্র গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম ও মোছা. হাফিজা খাতুনের একমাত্র কন্যা। এ ব্যাপারে কালিগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। মামলা নং ১৭/১৯, তারিখ ২০/০৫/২০১৯ খ্রি.। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম ও হাফিজা খাতুনের শারমিন (১৬) ও নাঈম (১৪) নামক ২ সন্তান। অন-লাইনে দু’সন্তানের জন্য ২টি মোবাইল ক্রয়ের জন্য দুইশত টাকা বুকিং দেন। মোবাইল গ্রহণের সময় অবশিষ্ট টাকা পরিশোধ করতে হবে। সে হিসেবে ১৯ মে শহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে নাঈম সাতক্ষীরায় যেয়ে সংশ্লিষ্ট স্থানে মোবাইল নেয়ার জন্য পার্সেল খুলে দেখেন তার মধ্যে পেঁয়াজ, রসুন বা এজাতীয় দ্রব্য। তখন তারা নলতায় এসে শহিদুল ইসলাম মোবাইল দোকান থেকে ছেলের জন্য ১টি মোবাইল ক্রয় করে মেয়ের জন্য আর একটি অর্ডার দিয়ে বাড়ী ফেরেন। কিন্তু মেয়ের জন্য মোবাইল না কিনে শুধু ছেলের জন্য মোবাইল ক্রয় করায় শারমিনের চরম অভিমান হয়। ভাইয়ের মোবাইল কিছুটা দেখার পর এক পর্যায়ে ১৯ মে রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শারমিনের পিতা শহিদুল ইসলাম এলাকার মৎস্য ঘেরে চলে গেলে শারমিনের মাতা হাফিজা খাতুন তার ছেলেকে নিয়ে এক ঘরে এবং শারমিন আরেক ঘরে শোয়ার জন্য দরজা দেয়। রাত ১০টার দিকে শারমিনের ঘরে ছটফট শব্দ শুনে পাশের ঘর থেকে তার মা ও ভাই বেরিয়ে চাপা দরজা ধাক্কা দিয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে শারমিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে তাদের আত্মচিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন এসে আড়া থেকে শারমিনকে নামিয়ে দ্রুত প্রথমে চৌমোহনী ক্লিনিক এবং পরবর্তীতে নলতা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গেছে। আর তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে।

#