কালিগঞ্জের রতনপুরে পাইপ লাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ


466 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জের রতনপুরে পাইপ লাইনের  মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ
আগস্ট ৭, ২০১৫ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বিশেষ প্রতিনিধি ॥
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের দুই শতাধিক বাড়িতে এখন পাইপ লাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। পানিতে মাত্রা অতিরিক্ত লবনাক্ততার কারনে ইতোপূর্বে এসব এলাকায় নিরাপদ পানির তীব্র সংকট ছিল। স্থানীয় রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

ইউনিয়ন পরিষদ সরকারের হাইজিন, স্যানিটেশন এন্ড ওয়াটার সাপ্লাই (হাইাসাওয়া) প্রকল্পের সহায়তায় ২০১৩ সালে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি পানি সোধনাগার ও প্রায় ১৫ কিলোমিটার পাইপলাইন বসানোর কাজ শেষ করে। প্রাথমিক অবস্থায় এলাকাবাসীদের পাইপ লাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে পানি সংগ্রহ করায় অভ্যস্ত করার জন্য বিনামূল্যে পানি সরবরাহ করা হয়। প্রকল্প মেয়াদ শেষে বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ নিজস্ব উদ্যোগে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।
রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান জানান, বর্তমানে দুই‘শ টি বাড়িতে পানির টেপ বসানো হয়েছে। এই টেপ থেকে প্রতিনিদিন সকালে ৪ ঘন্টা ও বিকেলে ৪ ঘন্টা হিসেবে দিনে দু’বার পানি সরবরাহ করা হয়। তবে বিশেষ কোন প্রয়োজনে এর বাইরেও পানি সরবরাহ করা হয় বলে ওই চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। প্রতিটি টেপের জন্য মাসে ৮০ টাকা বিল প্রদান করতে হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় দুই হাজার মানুষ নিরাপদ পানি পাচ্ছে। পানি সরবরাহ ব্যাস্থাটি সচল রাখার জন্য বিদ্যুৎ বিল ও একজন পাম্প অপারেটরের বেতন গ্রাহকের বিলের টাকায় সময় সমন্বয় করা হয়। তবে মাঝে মাঝে ঘাটতি হলে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে তার যোগান দেয়া হয়।

চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকমকে বলেন,জনগনের জন্য নিরপপদ পানি সরবরাহ করা আমাদের দায়িত্ব, তাই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বাড়তি টাকা প্রদান করতে হয়। তবে ইউনিয়নের অনেক এলাকায় এখনও নিরাপদ পানির সংস্থান করা সম্ভব হয়নি। তাদের জন্যও সরকারী সহায়তা প্রয়োজন।
সীমাস্ত সংলগ্ন রতনপুর ইউনিয়নের ৩৭টি গ্রামে প্রায় ২৭ হাজার লোকের বসবাস। নদী ও পুকরের পানিতে তীব্র লবনাক্ততা থাকার কারনে এলাকার মানুষ নিরাপদ পানির সংকটে ভুগছে। তাই ইউনিয়নের বিদ্যমান পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সম্প্রসারেন জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানীয়রা দাবী জানিয়েছেন।