কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উৎযাপন


169 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উৎযাপন
মার্চ ৬, ২০২০ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে “খাদ্য লড়াইয়ে নারীর অবদান শ্লোগানকে সামনে রেখে নারী কৃষকদের স্বাধীন প্রতীকি বাজার উদ্বোধন ও পরিদর্শন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী। শুক্রবার ৬মার্চ বিকাল ৫টায় কালিগঞ্জ প্রেসক্লাব সংলগ্ন নদীর পাড়ে প্রতিকী বাজার উদ্বোধন করা হয়। বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন এর আয়োজনে ও বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক, খানি বাংলাদেশ এবং ব্রেথ ফর দ্যা ওয়াল্ডের সহযোগিতায় নারীর উৎপাদিত খাদ্যের স্বাধীন প্রতীকি বাজার উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার নরিম আলী মুন্সি, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, নিউ নাইচ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সুফিয়ান সজল, বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি জান্নাতুল মাওয়ার সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক হাফিজুল রহমান শিমুল, এসএম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্চু, শাওন আহমেদ সোহাগ প্রমুখ। প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন নারী উদ্যোক্তাদের খুজে বের করতে হবে। নাজিমগঞ্জ কিম্বা কালিগঞ্জ বাজারে নতুন করে বাজারের মার্কেট হলে সেখানে নারীদের ব্যবসার জন্য এবং তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের জন্য আলাদা ভাবে দোকান ঘর বরাদ্ধ দেওয়া হবে। বর্তমান সরকার নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। খাদ্য উৎপাদনে নারীদের ভূমিকা অনেক কিন্তু তার পণ্য বিক্রির জন্য তার যথেষ্ট বাজার ব্যবস্থাপনা নেই। শহরের কোথাও কোথাও থাকলেও গ্রামে তা কল্পনা করা যায় না। নারী বিক্রেতাদের জন্য একটি প্রতীকি বাজার স্থাপন করার কর্মসূচী তারা হাতে নিয়েছি। যেখানে নারীরা তাদের পণ্য বাজারে বিক্রি করবেন। এটি অভিনব কর্মসূচী এই কারনে যে বাজারে নারী বিক্রেতার প্রচলন স্থাপিত হবে। নারীর অপ্রচলিত কাজের ধারার বাইরের কাজেও নারীর অংশগ্রহন বাড়বে। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান, শ্রম আইনে অন্তর্ভুক্তকরন, মজুরী বৈষম্য দূরীকরণ এবং খাদ্য অধিকার আইন প্রনয়নের দাবিতে জানায়। বিন্দু একটি নারীবাদী সংগঠন যারা নারীর মানবাধিকার রক্ষা, লিঙ্গ সমতা, টেকসই উন্নয়ন, শিক্ষা ও পরিবেশ উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে। প্রতীকি বাজার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নারী বিপণনকারীসহ সকল স্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

#

কালিগঞ্জে পবিত্র বোখারী শরীফ খতম ও দোয়া অনুষ্ঠান

সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দ্বীন প্রতিষ্ঠান বাজারগ্রাম রহিমপুর জামি‘আ ইমদাদিয়া তালিমুল কোরআন মাদ্রাসায় পবিত্র বোখারী শরীফ খতম ও বরকতপূর্ন দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ মার্চ শুক্রবার বিকাল ৪টায় মাদ্রাসায় প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পবিত্র বুখারী শরীফ খতম ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দোয়া অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম পীরে কামেল মোকাম্মেল আলহাজ¦ হযরত মাওলানা মোঃ অজীহুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জামিয়ার প্রধান মুফতী দক্ষিণ খুলনার অন্যতম আলেমে দ্বীন পীরে কামেল আলহাজ¦ হযরত মাওঃ মুফতী মোঃ আব্দুস সাদেক। অনুষ্ঠানে কোরআন ও দ্বীন পিপাষু হাজার হাজার ধর্ম প্রাণ মুসলমান ও ছাত্রবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া অনুষ্ঠানে দেশ জাতি ও ইসলামের কল্যান কামনা করে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাফেজ মাওঃ মুনজুরুল আরম ও মাষ্টার শেখ আব্দুল মঈন।

কালিগঞ্জে জমি জায়গার বিরোধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অভিনব কৌশল

সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জে পল্লীতে অন্যের জমি দখলে রাখতে না পেরে প্রতিপক্ষ কে ঘায়েল করতে মিথ্যা অভিযোগ এনে অসুস্থ্যর ভান করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর গ্রামে। উপজেলার ঊত্তর শ্রীপুর গ্রামের লতিফ মোড়লের ছেলে শহিদুল ইসলাম কালিগঞ্জ প্রেসক্লবে এসে সাংবাদিকদের জানান, একই গ্রামের রাখাল সরকারের পুত্র দীনবন্ধু সরকার (৫৯) কিশোরী সরকার (হারমনিয়াম মিন্ত্রী) তার জমি চাষাবাদ ও সম্পত্তি দেখা শুনা করতেন। ১৯৯২ সালের দিকে কিশোরী মিন্ত্রী, তার স্ত্রী ৫ কন্যা রেখে মারা যান। কিশোরী সরকারের কোন পুত্র সন্তান না থাকায় কন্যা ও জামাইরা জমিসহ সকল বিষয় দেখা শুনা করতো। ২০০৬ সালে প্রায়ত কিশোরী সরকারের স্ত্রী নমিতা সরকার মারা যান। এসময় জমি দেখা শুনা করার সুবাদে দীনবন্ধু সরকার কৌশলে জমি জবর দখল ও তার আয়েত্তে নিতে বিভিন্ন ফন্ধিফিকির করতে থাকে। ইতিমধ্যে প্রায়ত কিশোরী সরকারের ৫ কন্যার ও জামাইরা শশুর পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিতে চাইলে ধুরন্ধর দীনবন্ধু সরকার বাঁধা হয়ে দাড়ায়। এক পর্যায়ে তার দুই কন্যা শ্রাবন্তি ও মুরালী তাদের অংশের প্রাপ্য জমি কিছু অংশ লতিফ মোড়লের পুত্র শহিদুল মোড়লের কাছে বিক্রি করে। শহিদুল ইসলাম জমিতে গিয়ে ঘেরে ভেড়ি দিয়ে মাছ চাষ শুরু করে। এসময় দীনবন্ধু তাকে হয়রানি করার জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে কালিগঞ্জ থানার এসআই চিম্ময় মন্ডল ঘটনাস্থালে যান এবং উভয় পক্ষকে ডেকে মিমাংশার জন্য থানায় বসেন। জমি জায়গার সামগ্রীক বিষয়টি অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করলে তিনি উভয় পক্ষকে বলেন এক একমাস পরে পুনরায় বিষয়টি নিয়ে বসবো যে যে অস্থায় রয়েছে সে ভাবে থাকবে। এদিকে উপান্ত না পেয়ে ধুরন্ধর দীনবন্ধু সরকার প্রতিপক্ষ শহিদুলকে ফাঁসাতে পরিকল্পিত ভাবে নাটক সাজিয়ে হাসাপাতলে ভর্তি হওয়ার পর বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রচার দেয়। দীনবন্ধু সরকার জমি দখলে ব্যার্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াকে কেন্দ্র করে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।