কালিগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজির বীজ বিতরণ


134 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজির বীজ বিতরণ
মে ১৮, ২০২০ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা এর উদ্যোগে ও এসএসিপি (স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট) প্রকল্পের অর্থায়নে কৃষ্ণনগর, কালিগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালিন সবজির বীজ বিতরণ করা হয়।
অদ্য ১৮ মে, ২০২০ খ্রি: সোমবার সকাল ১১ টায় কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামে মোট ৫০ জন কৃষকের মাঝে বারি উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রকার সবজির বীজ যেমন-বেগুন, ঢেঁড়শ, লাউ, ঝিঙা, সীম, গীমাকলমি, মিষ্টিকৃমড়া, পালংশাক, বরবটি, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক, শসা ও বারি হাইব্রিড টমেটো-৮ (গ্রীষ্মকালিন) এর বীজ বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য যে করোনা পরবর্তী খাদ্যসংকট মোকাবিলা ও প্রতি ইঞ্চি জমির সুষ্ঠু ব্যবহারে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে মাঝারি, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মাঝে এই বীজ বিতরণ করা হয়।
উক্ত বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, বেনারপোতা, সাতক্ষীরা’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (চ:দা:) ড. মো: মোশাররফ হোসেন। ড. মো: মোশাররফ হোসেন বলেন একজন পূর্ণ বয়ষ্ক ব্যক্তির দৈনিক ২৫০-৩০০ গ্রাম শাক-সবজি তার খাদ্য তালিকায় থাকা দরকার। কিন্তু সচেতনতা ও সবজির স্বল্প উৎপাদনের কারণে উল্লিখিত পরিমাণ সবজি খাওয়া হয় না। শহরের চেয়ে গ্রামে সবজি সংক্রান্ত এই সচেতনতা আরো কম। এ জন্য পারিবরিক পুষ্টির চাহিদা পূরণে বসতবাড়িতে সবজি চাষের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে ৫০ জন কৃষাণ ও কৃষাণীর মাঝে বসতবাড়িতে সবজি চাষের জন্য সবজির বীজ বিতরণ করা হয়। এছাড়া অধিক মুনাফা উৎপাদনকারি গ্রীষ্মকালিন টমেটো, মিষ্টিকুমড়া ও ঢেঁড়শের প্রদর্শনী প্লটের জন্য বীজ বিতরণ করা হয়।
এসময় তিনি করোনা ভাইরাস থেকে নিজেকে ও তাদের পরিবারকে রক্ষার জন্য আতংকিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন এবং সরকারের দেযা সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলতে বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: রুহুল আমিন, উপজেলা কৃষি অফিসার, কালিগঞ্জ; বৈজ্ঞানিক সহকারি জনাব এস এম মতিয়ার রহমান, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, বেনারপোতা, সাতক্ষীরা, ও জনাব মো: ফারুক আহম্মদ, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা, কালিগঞ্জ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পারষ্পারিক সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সম্পন্ন করা হয়।