কালিগঞ্জে খাদ্য গুদামে চাউল সরবরাহ না করার অভিযোগ


123 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জে খাদ্য গুদামে চাউল সরবরাহ না করার অভিযোগ
মে ৩, ২০২০ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সুকুমার দাশ বাচ্চু, কালিগঞ্জ ::

কালিগঞ্জ উপজেলায় কতিপয় মিল মালিকদের কারসাজিতে সরকারী নির্দেশ উপেক্ষা করে সরকার কে বেকায়দায় ফেলার পাইতারা করছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের তালিকা ভুক্ত ৫টি চাউল কল মিল সংগৃহীত ধানের ফলিত চাল নিদিষ্ট সময়ে গুদামে জমা না দিয়ে সময় ক্ষেপন করছে। কালিগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রন অফিস সূত্রে জানা গেছে উপজেলায় ৫টি চাউল মিল মালিকদের কাছে আমন সংগৃহীত ধান ২০১৯-২০২০ সনে ধান মিলিং সাপেক্ষে ফলিত চাল পাওয়ার লক্ষ্যে কিছু সংখ্যক মিলে ধান প্রেরণ করে। ধান পাওয়া মিল মালিকরা হলেন উপজেলার ভাড়াশিমলা মেসার্স হাসিনা রাইস মিল প্রোঃ মোছাঃ হাসিনা মমতাজ কে ১০ মেট্রিক টন ধান এ থেকে পাওনাকৃত ফলিত চালের পরিমান ৬.৬৪৬ মেট্রিক টন চাল। নলতা মেসার্স সরদার রাইস মিল প্রোঃ এস,এম হাবিবুর রহমান কে ৩০ মেট্রিক টন ধান পাওনাকৃত চাউল ১৯.৯৩৮ মেঃ টনঃ চাউল, দাদপুর মেসার্স সাথী রাইস মিল প্রোঃ মোঃ আফছার আলী কে ১২ মেট্রিক টন ধান, পাওনাকৃত চাউল ৭.৯৭৫ মেঃ টনঃ দুদলী মেসার্স মোসলেম রাইস মিল প্রোঃ মীর মোসলেম আলীকে ২০ মেঃ টনঃ ধান, পাওনাকৃত ১৩.২৯২ মেঃ টনঃ ও পাওখালী মেসার্স সালাউদ্দীন রাইস মিল এর প্রোঃ সালাউদ্দীন কে ১০ মেট্রিক টন ধান দেওয়া হয়। পাওনাকৃত ৬.৬৪৬ মেঃ টনঃ চাউল পাবে। সরকারী ভাবে ৫টি মিলে ধান প্রেরণ করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও পুনরায় সময় বৃদ্ধি করার শর্তেও মিল মালিকরা কালিগঞ্জ বসন্তপুর খাদ্য গুদামে পাওনাকৃত চাউল গুদামে সরবরাহ করেননি। দীর্ঘদিন যাবৎ ধান নিয়ে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও সময় মত মিলাররা খাদ্য গুদামে চাউল সরবরাহ না করায় গত ৩০ এপ্রিল ২০২০ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রন কর্মকর্তা বসন্তপুর খাদ্য গুদামে চাউল জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট মিল মালিকরা ২৯ এপ্রিল আবেদন করে জানায় ধান নেওয়ার পর করোনা ভাইরাসের কারণে সময়মত চাউল সরবরাহ করতে পারেনি। আমন ফলিত চাউল যথাসময়ের মধ্যে পরিশোধ করিতে না পারায় পুনরায় আবার সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। এদিকে সরকারের নির্র্দেশ উপেক্ষা করে গুদামে চাউল জমা না দিয়ে নিজেরাই চাউল আতœসাত করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চক্রান্তে লিপ্ত আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

#