কালিগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি আটক


150 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি আটক
জুলাই ২৪, ২০২১ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট ::

কালিগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে সোনিয়া খাতুন (২২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের গণেশপুর গ্রামের জামাত আলী গাজীর মেয়ে এবং পাশর্^বর্তী শেরকাটি গ্রামের আনারুল মোল্লার (২৬) স্ত্রী।
ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী আনারুল মোল্লা পলাতক রয়েছে। শ্বশুর আশারাফ মোল্লা (৫৫) ও শাশুড়ি মমতাজ বেগমকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ।
নিহত গৃহবধূর পিতা জামাত আলী জানান, প্রায় ৫ বছর পূর্বে শেরকাটি গ্রামের আশারাফ মোল্লার ছেলে রাজমিস্ত্রী আনারুল মোল্লার সাথে তার মেয়ে সোনিয়া খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আড়াই বছর বয়সের একটি ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই জামাই আনারুলসহ শ্বশুর ও শাশুড়ি তার মেয়ের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। প্রায় ৩ মাস মাস আগে মেয়ে সোনিয়াকে নির্যাতন করে জামাতা আনারুল ও শ্বশুর-শাশুড়ি। নির্যাতন সইতে না পেরে এসময় সোনিয়া শ^শুরবাড়ি থেকে তার বাড়িতে চলে আসে। কিছুদিন পর জামাতা আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে মেয়েকে আবারও নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকালে মেয়ে সোনিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে জানান তিনি।
খবর পেয়ে থানার উপ-পরিদর্শক সিয়াবুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যেয়ে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেন। নিহতের গলায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে বলে জানান তিনি।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কাারণ জানা যাবে। নিহত গৃহবধূর শ্বশুর আশারাফ মোল্লা ও শাশুড়ি মমতাজ বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরবর্তীতে গৃহবধূর পিতা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

#