কালিগঞ্জ সংবাদ ॥ ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ভেড়ীবাধ সংস্কার শুরু


196 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জ সংবাদ ॥  ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ভেড়ীবাধ সংস্কার শুরু
মে ২৭, ২০২০ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ শ্যামনগর সীমান্ত এলাকার গোয়ালঘেষিয়া নদীর ঘোলা ঝাপালী ভাঙ্গন কবলিত ভেড়ীবাধের কাজ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে হাজার হাজার মানুষের অংশ গ্রহনে শুরু হয়েছে। ঘুর্ণিঝড় আম্পান সুপার সাইক্লোনে তান্ডবে ভেড়ীবাধ সংস্কারের কাজ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলগের সহ-সভাপতি সাঈদ মেহেদী নেতৃত্বে ২৭ মে ভোর থেকে শুরু হয়। ঈদের আগে ঘুর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে শ্যামনগর কালিগঞ্জ ঘোলা ত্রিমহোনী ৪টি পয়েন্ট দিয়ে ব্যাপক আকারে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়। এই ভাঙ্গনে নদীর পানিতে কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পূর্ব কালিকাপুর এলাকার শত শত মৎস্য ঘের, ১৫টি গ্রামের ঘরবাড়ি, ক্ষেতের সবজি পানিতে তলিয়ে যেয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিদারুণ কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করে গ্রাম বাসিরা। ভেঙ্গে যাওয়ার স্থানে দুই ধার দিয়ে বাশের খুটি পুতে বালির বস্তা ফেলে বাধ দেওয়ার চেষ্টা চালায়। গত ২/৩ দিন ধরে পূর্ব কালিকাপুর ভেঙ্গে যাওয়া পানি ঠেকানোর জন্য বাশ খুটি ফেলে বাধ দেওয়ার চেষ্টা করে। সেখান থেকে কিছুর যেয়ে একই রাস্তায় আবারও পানির চাপে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। সেখানেও সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে গ্রামবাসিরা কাজ করছে। তাতে পানি বন্ধ না হওয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাঈদ মেহেদী উদ্যোগ গ্রহন করেন। এসময় তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভেঙ্গে যাওয়া গোয়াল ঘেষিয়া নদীর ঘোলা ত্রিমোহনী এলাকায় ভেড়িবাধ মেরাতম করার জন্য সকলকে আহবান জানান। এসময় তার নেতৃত্বে গত ২৭ মে বুৃধবার ভোর ৫টা থেকে কালিগঞ্জের কালিকাপুর খেয়াঘাট হতে ট্রলারে করে ঘোলায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় কাজ করার জন্য এগিয়ে আসে। ভোর থেকে ঘোলা ঝাপালী এলাকায় হাজার হাজার মানুষ ভেড়ীবাধ নিমাণে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করতে থাকে। ভোর ৫টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত কাজ শেষে সকলকে দুপুরে খাওয়া ব্যবস্থা করেন। উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী বলেন, ঘুণিঝড়ের তান্ডবে নদীর ভেড়িবাধ ভেঙ্গে গিয়ে পানিতে ভিটেবাড়ি ঘরদোর মৎস্য ঘের ঢুবে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে নাভিশ্বাস সাধারন মানুষ। তখন কিছু ধান্ধাবাজ এই ভাঙ্গন কবলিত এলাকা নিয়ে রাজনৈতি শুরু করেছে। তিনি বলেন আসাধারণ মানুষদের জঘন্ন্য হাস্যকর ফাজলামো নজর না দিয়ে এলাকার সাধারন মানুষকে সাথে নিয়ে ঝড়ি কোদাল আর বস্তা নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙ্গন কবলিত ভেড়িবাধ এলাকার কাজের জন্য আহবান জানালে হাজার হাজার মানুষ ভেড়িবাধ নির্মানে কাজ শুরু করেছে। এই কাজে উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ এলাকার হাজার মানুষ অংশ গ্রহন করে। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা কাজ শেষ করার আশা রাখি। কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকলিমা খাতুনের কন্যা ও জাতীয় পাটি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাফিয়া পারভীন জানান, ঘূণিঝড়ের তান্ডবে ঘোলা ঝাপালী ভেড়িবাধ ভেঙ্গে গিয়ে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ১টি গ্রামের কয়েক শত পরিবারের ঘর বাড়ি ক্ষেতে সবজি পুকুর মৎস্য ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত ২/৩ দিন এলাকার মানুষের সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভেড়িবাধের কাজ শুরু করি। এদিকে ঘোয়াল ঘেষিয়া ঘোলা ঝাপালী এলাকার ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ভেড়ি বাধ নির্মানে কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর নেতৃত্বে সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। সেখানে প্রায় ৫/৬ হাজার মানুষ সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করছে। তাদেরকে দুপুরের খাওয়ার সকল ব্যবস্থা করা হয়েছে।

#

কালিগঞ্জে শতাধিক পরিবারের মাঝে বিশিষ্ট সমাজসেবক
আমজাত হোসেন এর খাদ্য সহায়তা প্রদান
সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
বিশিষ্ঠ শিল্পপতি ও সমাজ সেবক লকপুর গ্রুপ এবং সাউথ বাংলা ব্যাংককের চেয়ারম্যান এসএম আমজাদ হোসেন এর সহযোগীতায় ও বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী আজিজ আহমেদ পুটু ও তার ছেলে ফয়েজ আহমেদ এর তত্বাবধায়নে করোনায় কর্মহীন অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন করেছেন। ঈদের আগের দিন কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী, পূর্বনারায়নপু, কাকশিয়ালী, মোমরেজপুসহ কয়েকটি গ্রামের শতাধিক পরিবারকে এই সহয়তা দেওয়া হয়।

#

কৃষ্ণনগরে শতাধিক পরিবারের
মাঝে শাড়ি লুঙ্গি বিতরন
সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে কালিকাপুর গ্রামে শতাধিক পরিবারের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি প্রদান করা হয়েছে। সাতক্ষীরার বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ঢাকাস্থ সতিমির সভাপতি, সাতক্ষীরা যুব একাডেমীর চেয়ারম্যান খলিলুল্লাহ ঝড়–র আর্থিক সহায়তায় ও কৃষ্ণনগর সংরক্ষিত মহিলা সদস্য শ্যামলী অধিকারীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এলাকার শতাধিক ব্যক্তিদের মাঝে ঈদ উপলক্ষে ও করোনায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে শাড়ি লুঙ্গি প্রদান করা হয়।

#

কালিগঞ্জ সামাজিক দুরত্ব মেনে সকল
মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত
সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জ উপজেলায় যথাযোগ্য ধমীয় ভার গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পবিত্র ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারে প্রথাম করোনা ভাইরাসের কারনে ভিন্ন ভাবে কালিগঞ্জ উপজেলার সকল মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় কালিগঞ্জ থানা জামে মসজিদ, সাবরেজিষ্ট্রি অফিস জামে মসজিদ, বাস টামিনাল জামে মসজিদ, নলতা শাহী জামে সমজিদ, বাজারগ্রাম বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, মহৎপুর রওজাতুল জান্নাত জামে মসজিদ, বাজারগ্রাম জামেয়া এমদাদিয়া জামে মসজিদ সহ কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে প্রায় তিন শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাতে সামাজিত দুরত্ব মেনে মাস্ক ও জায়নামাজ নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এবছর ঈদের জামাত ময়দানে নয় সমজিদে সরকারী নির্দেশনা মেনে অনুষ্টিত হয়। ঈদের পর নামাজ শেষে কোলাকুলি হ্যান্ডসেফ ছাড়াই দুর থেকে শুভেচ্ছা বিনিময় করেই বাড়িতে যান। তবে এবারের ঈদের একে অপরের সাথে সুহাদ্য বিনিময় ও বাড়িতে গিয়ে দাওয়াত খাওয়া নিকট আতœীয়দের মাঝে সীমাবদ্ধ ছিল।