কালিগঞ্জ হাজী তফিলউদ্দীন মহিলা মাদ্রাসায় বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি


62 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জ হাজী তফিলউদ্দীন মহিলা মাদ্রাসায় বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
এপ্রিল ২৪, ২০২০ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জের হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় বজ্রপাতে একাডেমিক ভবন, বিদ্যুৎ মিটার-লাইন ও বড় বড় গাছের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঘটেছে। সরেজমিনে দেখাগেছে, উপজেলা সদরে নারী জাগরণের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী মহিলা মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন ও বৃহৎ তিনটি গাছের ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুতের মিটারসহ এবাতেদায়ী ভবনের টিনের ছাউনী নষ্ট হয়ে গেছে। হাজী তফিল উদ্দীন দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রমিজ উদ্দীন এ প্রতিনিধিকে জানান, বজ্রপাতের ফলে মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন, টিনের ছাউনী ও আসবাবপত্রের বেশ ক্ষতি হয়েছে। মাদ্রাসা ক্যাম্পাসের ছায়াদানকারী বৃহৎ দুটি গাছ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির অন্যতম সদস্য কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফুর কাজে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদ্রাসার এবতেদায়ী ভবনের অনেক ক্ষতি হয়েছে। টিনের ছাউনী নষ্ঠ হয়েছে এবং বিদ্যুৎ লাইনের মিটারটি নষ্ট হয়ে গেছে।

#

কালিগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ইউপি সদস্য আটক গণধোলাইয়ের পর মুক্তি

সুকুমার দাশ বাচ্চু কালিগঞ্জ(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে রাতের আঁধারে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে তারালী ইউপি সদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের পূর্ব পাইকাড়া গ্রামে। স্থানীয় গ্রামবাসি মোহাম্মাদ আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন (৭০), শরিফুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, খলিলুর রহমান, তারালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সরদার আশরাফুল, ইউপি সদস্য কবির হোসেন, শহীদুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যাক্তি এ প্রতিনিধিকে জানান, তাদের গ্রামের আজগার আলী দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে থাকেন। স্ত্রী নীলুফা বেগম আঁখি মনি নামের ৭ বছরের একটি কণ্যা সন্তান ও বৃদ্ধা শাশুড়ীকে নিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করেন। সম্প্রতি তারালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তারালী গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ গাজীর ছেলে সামছুজ্জামানের সঙ্গে নীলুফা’র অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় সময় সে ওই বাড়িতে যাতায়াত করে ও মাঝে মধ্যেই রাত্রি যাপনও করতো। বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে সামছুজ্জামান নীলুফা’র ঘরে ঢুকে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এদিকে দীর্ঘদিন অনৈতিক কার্যকলাপ সহ্য করতে না পেরে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বেরসিক গ্রামবাসিরা মেম্বর ও ওই নারীকে একইরুমে আটক করে গণধোলাই শেষে মোবাইল ফোন ও পায়ের জুতা কেড়ে নেয়। এবং স্থানীয় গ্রাম পুলিশ থানা পুলিশকে খবর দেন। ততোক্ষণে ঘটনাস্থলে শতাধীক বেরসিক নারী পুরুষ জমায়েত হয়। এদিকে লম্পট ও ধুরন্ধর সামছুজ্জামান সু-কৌশলে তার পক্ষের ব্যাক্তি ঐ গ্রামের মৃত বছির শেখের ছেলে রফিকুল ইসলাম, ইউনূস আলীসহ কয়েক জনকে পটিয়ে ফেলে। এরপরে রফিকুল ও ইউনুস আলী শামসুজ্জামানকে জিম্মায় নিয়ে পিছনের দরজা দিয়ে পালাতে সহযোগীতা করে। জানাগেছে, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মেম্বরকে ছেড়ে দেয় তারা। অপরদিকে চৌকিদার মারফতে খবর পেয়ে থানার উপ-পরিদর্শক গোবিন্দ আকর্ষন পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরকেও ম্যানেজ করে কপোতকপোতির মুঠো ফোন ও জুতা পুলিশের কাছে দেওয়া হয়। ঘটনার সত্যতা জানতে পূর্ব পাইকাড়া গ্রামে গেলে গ্রাম বাসিরা বলেন, ঘটনার পর থেকে প্রবাসীর স্ত্রী পাশের গ্রামে পিতা মোহাম্মাদ আলীর বাড়িতে অবস্থান করছে । যার কারণে নিলুফার স্বামীর বাড়ির গেটে তালা ঝুলানো রয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য সামছুজ্জামানের ০১৭৪৭-৪১৯৭৯২ নম্বর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তারালী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হোসেন ছোট বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন খোঁজ নিয়ে দেখবেন। থানার উপ পরিদর্শক গোবিন্দ আকর্ষণ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গেলে শতশত লোক ঐ নিলুফার বাড়িতে অবস্থান করতে দেখেছেন এবং অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানান। তবে ওই মেম্বরকে একটি মহল কৌশলে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে এটা আমরা জানতে পেরেছি। উভয়ের মোবাইল থানায় জমা রয়েছে।