কিউবা সফরে যাচ্ছেন ওবামা


327 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কিউবা সফরে যাচ্ছেন ওবামা
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৬ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আসছে মার্চে কিউবা সফর করবেন। ফলে প্রায় এক শতাব্দীর মধ্যে কিউবা সফর করা প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন তিনি।

হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দক্ষিণ আমেরিকা সফরের অংশ হিসেবে স্ত্রী মিশেলকে নিয়ে আগামী ২১-২২ মার্চ কমিউনিস্ট দেশটি সফর করবেন ওবামা।

এই সফরে ওবামা কিউবার বিপ্লবী, সুশীল সমাজ এবং বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানানো হয়েছে।

বলা হচ্ছে, এটি প্রেসিডেন্ট ওবামা ও তার স্ত্রীর বৃহত্তর লাতিন আমেরিকা সফরেরই একটি অংশ। কিউবার পর তারা দু’দিনের জন্য আর্জেন্টিনায় যাবেন।

এই সফর ‘বার্লিন দেয়াল’ ভেঙ্গে ফেলার মুহূর্তের মতো স্মরণীয় হবে বলে আশা করেছে হোয়াইট হাউস। এটাকে ওবামার পররাষ্ট্র নীতির অর্জন বলে মনে করা হচ্ছে।

টুইটারে এক বার্তায় ওবামা বলেন, ‘কিউবার জনগণের জীবনমানের উন্নতি বিধানের প্রচেষ্টা ও আমাদের সম্পর্কের অগ্রগতি আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আগামী মাসে আমি কিউবা সফর করব।’

এর আগে ১৯২৮ সালে শেষ আমেরিকান নেতা ক্যালভিন কুলিজ কিউবা সফর করেন।

স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে তৈরি বৈরিতা নিয়ে আধা শতাব্দীর বেশি সময় কাটিয়ে গত বছরের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হয়। গত ডিসেম্বরে ওবামা জানানা, তিনি কিউবার রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের সঙ্গে দেখা করতে চান।

কিউবা এর জবাবে বলে, ওবামাকে তারা স্বাগত জানাবে। তবে কিউবার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মাথা ঘামানো তার উচিত হবে না।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা দলের কর্মকর্তা বেঞ্জামিন রোডস বলেছেন, ‘দু’দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকিকরণের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা এখন আরও বেগবান হবে।’

আর এই সফরের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে কিউবা। দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ওবামাকে সর্বোচ্চ সম্মান ও আতিথেয়তা প্রদর্শন করা হবে।

এমনকি প্রেসিডেন্ট ওবামা যে সফরের সময় কিউবার মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে ইচ্ছুক বলে জানিয়েছেন-সে কৌতূহল মেটাতেও হাভানা প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন কিউবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হোসেফিনা ভিদাল।

তিনি বলেছেন, ‘এ সফরে কিউবার মানবাধিকার ও অন্যান্য সব বিষয়েই যুক্তরাষ্ট্র একটি স্বচ্ছ ধারণা পাবে। কারণ দুই দেশের মধ্যে নতুন সম্পর্কের প্রধান বিষয়টিই হলো পরস্পরের ভিন্নতাগুলোকে সম্মান জানানো।’

তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ খবরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও বিরোধিতা এসেছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকেই। ওবামার এ সফরকে ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ এক পদক্ষেপ বলে সমালোচনা করেছেন রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী টেড ক্রুজ।