কিশোর কিশোরীদের যোগ্যতা বাড়িয়ে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে : খুলনা বিভাগীয় কমিশনা


330 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কিশোর কিশোরীদের যোগ্যতা বাড়িয়ে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে : খুলনা বিভাগীয় কমিশনা
এপ্রিল ১২, ২০১৬ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

হাফিজুর রহমান, কালিগঞ্জ :
কিশোর কিশোরী দের যোগ্যতা বাড়িয়ে  নিজে দের গড়ে তুলে আগামী দিনের অভিবাবক হিসাবে দেশ ও জাতীর উন্নয়নের কাজে আসতে হবে। বাল্য ও শিশু বিবাহ জাতীর জন্য অভিশাপ । আর এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্য হিসাবে বাংলাদেশের প্রথম বাল্য বিবাহ মুক্ত উপজেলা হিসাবে প্রধান মন্ত্রীর স্বীকৃতি পায়। বর্তমান সরকার দুগ্ধ বতী মায়েদের এবং গর্ভবতি মায়েদের ভাতা চালু করেছে। তিনি বলেন আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে কেলারা রাজ্যে প্রত্যেক মেয়ে দের নার্সিং প্রশিক্ষন বাধ্যতা মূলক করা হয়েছে। তাই আমাদের দেশে মেয়েদের ১৮ বছরের আগে বিয়ে নয় এবং ২০ বছরের আগে মা নয়। তাই বাল্য বিবাহকে না বলি সূথী সমৃদ্ধ দেশ গড়ি। ধুমপান ও মাদক পরিত্যাগে সবাই ৪ যোগে কাজ করি।

সোমবার বেলা ১২ টার সময় কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠে ইউনিসেফের অর্থায়নে রূপান্তরের আয়োজনে  এবং উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যাবস্থা পনায় কিশোর কিশোরী উৎসবে প্রধান অথিতির ব্ক্তব্য খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ এই কথা গুলো বলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোহাম্মাদ  মহিদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অথিতি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব শেখ ওহেদুজ্জামান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দীন হাসান,সহকারী কমিশনার ভূমি শিমুল কুমার সাহা, ইউনিসেফের বিভাগীয় প্রধান কফিল উদ্দিন,রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক  রফিকুল ইসলাম,প্রকল্প ব্যাবস্থাপক কাজি মফিজুর রহমান,প্রমূখ। জন সম্পৃত্ততায় সামাজিক রীতিনীতি ও আচারণ গত পরিবর্তনে প্রকল্প সাতক্ষীরার গতকাল এই সমাবেশে ২০/২৫ টা নাম সর্বস্ব  স্টল দিয়ে উৎসবকে জাগজমক করে সাজানো হলেও প্রকৃত পক্ষে অধিকাংশ স্টলে কাউকে পাওয়া যায় নি ।উৎসবে প্রচন্ড তাপ প্রভাব উপেক্ষা করে শিশু কিশোররা অংশ গ্রহন করলেও  অধিকাংশ শিশুরা অভূক্ত অবস্থায় অনুষ্ঠান ত্যাগ করে। উপস্থিত সংবাদ কর্মীদের কোন আমন্ত্রণ বা বসার ব্যাবস্থা না করায় দাড়িয়ে রোদে সংবাদ সংগ্রহ করে। এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দীন হাসানের নিকট  জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সাংবাদিক দের বলেন কেন তারা তো ৫/৬ শ প্যাকেট খাওয়ার ব্যাবস্থা করার কথা বিষয়টা আমি দেখছি। এ বিষয়ে আরো সত্যতা জানার জন্যে রূপান্তরের কালিগঞ্জ শাখার ব্যাবস্থাপক  বাসন্তী রাণী দাকেসর কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ৫০০ প্যাকেটের  ব্যাবস্থা করা  হয়েছে এর বেশি হলে আমার করার কিছু নেই। সাংবাদকি দের বলার দায়িত্ব ছিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আপনারা এ বিষয়ে পত্রিকায় লিখেলে প্রকল্প টি বন্ধ হয়ে যাবে আমি আপনাদের নিকট ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আর এ ধরনের ভুল হবে না।