কুল্যার দাঁদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মরণ ফাঁদে পরিণত


317 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কুল্যার দাঁদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মরণ ফাঁদে পরিণত
জানুয়ারি ৪, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস কে হাসান :
আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের ৩৯নং উঃ দাঁদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি এতটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে যে চরম হুমকী নিয়ে ক্লাশ পরিচালনা করতে হচ্ছে। যে কোন মূহুর্তে ঘটতে পারে বড় কোন দূর্ঘটনা।
কুল্যা ইউনিয়নের আঁকা-বাঁকা মেঠো পথে অজ পাড়াগাঁয়ে বিদ্যালয়টি অবস্থিত। স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ ইং সালে। ভবনটি ভাংতে ভাংতে বর্তমানে ৭০% ধ্বসে-খসে গেছে। ভবনের দরজা, জানালা, সাদ, লিন্টন ও পিলার ভেঙ্গে একাকার হয়ে খাড়িয়ে আছে। বড় কোন আঘাত পেলেই সাভারের রানা প্লাজার মত চোখের পলকে ধ্বসে পড়তে পারে। দরজা জানালা না থাকায় রাত্রে বাদুর ও পশু পাখি আশ্রয় নেয় এবং মল-মূত্র ত্যাগ করায় ব্যবহার অনুপযোগি হয়ে পড়ে। প্রতিদিন শিক্ষকদের প্রতিটি কক্ষ ও বারান্দা পরিস্কার করতে হয় গোয়ালঘরের মত। অফিস কক্ষসহ অন্য কক্ষের সাদ ও পিলারের অংশ বিশেষ ভাংতে ভাংতে রড বেরিয়ে এসেছে। ক্লাস চলাকালীন সাদ থেকে রডের ফাঁক দিয়ে ইটের খোয়া বেরিয়ে এসে বাচ্চাদের মাথায় পড়ে আহত হয়েছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে অভিভাবকদের কাছ থেকে। স্কুলটির ভয়াবহ অবস্থা দেখে অভিবাবকরা নতুন বছরে অনেক বাচ্ছাকে অন্য স্কুলে ভর্তি করিয়েছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিলন কান্তি বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা এখনো নেয়া হয়নি। নতুন ভবন হবে না কি সংস্কার করা হবে তারও কোন সদুত্তর এখনো মেলেনি। স্থানীয় ভাবে শিশুদের নিরাপত্তায় নিজেদের উদ্যোগে স্কুলের মাঠে বাঁশ ও টিন দিয়ে একটি ঘর তৈরি করে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। শীতের দিনে হিমশীতল ঠান্ডায় অনেক কষ্টে ক্লাস করছে শিশুরা। এব্যাপারে এলজিইডি, উপজেলা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহল।