কু- প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ষড়যন্ত্র : প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছে বিধবার সংবাদ সম্মেলন


518 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কু- প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ষড়যন্ত্র :   প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছে বিধবার সংবাদ সম্মেলন
অক্টোবর ৪, ২০১৫ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়া কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন দেবহাটা দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের অসহায় বিধবা জাহানারা খাতুন।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার স্বামী পেশায়  একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। তাদের সংসার পরিচালনা করার জন্য তার স্বামী পাশ্ববর্তী হক নামের একজন ভদ্রলোকের সাথে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকায় শেয়ারে কসাইএর ব্যবসা শুরু করেন। কিছুদিন পর তার স্বামী মারা গেলে স্বামীর ব্যবসায়ীক পার্টনার স্বামীর অংশ হিসেবে ওই টাকার লাভের কিছু অংশ তাকে দিত। সে টাকা দিয়ে ২ মেয়ে ও ১ ছেলেকে অনেক কষ্টে সংসার পরিচালনা করে আসছিল। এসময়  দুধূর্ষ ক্যাডার একই গ্রামের মৃত মানিক মোল্যার ছেলে আলাউদ্দিন ও আব্দুর রহিমের ছেলে শহীদুল ইসলাম বাবু’র কুনজ পড়ে তার উপর। আলাউদ্দিন ও বাবু প্রায় তাকে কু-প্রস্তাব দিতে থাকে। কিন্তু তাদের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় আলাউদ্দিন, বাবু ও তার সহযোগিরা রাতের বেলায় তার ঘরের দরজায় ধাক্কা-ধাক্কি করে বারান্দার রেলিং থাকার কারণে ঘরে উঠতে না পেরে তারা তার বারান্দার রেলিং ও ভেঙে ফেলেছে। ইতোমধ্যে তার বড় মেয়ের বিয়ে দেওয়ার কারনে সামাজিক সম্মানের কথা ভেবে তিনি মুখ বুজে তাদের অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছিলেন। এদিকে তার স্বামীর ব্যবসায়ীক পার্টনার ব্যসায়িক লাভের হিসাব নিকাশ করতে আমার বাড়িতে আসতো। উক্ত আলাউদ্দিন ও বাবু গংরা তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে না পেরে আমাকে ও স্বামীর ব্যসায়িক পার্টনার হক কে জড়িয়ে বিভিন্ন সময় আপত্তিকর মন্তব্য প্রচার করতে থাকে। এরই জের ধরে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হক ব্যবসায়িক লেনদেনের হিসাব দিতে তার বাড়ি আসে। এসময় আলাউদ্দিন ও একই এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে শহিদুল ইসলাম বাবু এলাকার মানুষকে ভুল বুঝিয়ে প্রায় ৫ শতাধিক লোকজন নিয়ে আমার বাড়িতে আসে। আমরা কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই আলাউদ্দিন ও বাবু আমার ঘরের জিনিস পত্র ভাংচুর করতে থাকে। এছাড়া আমার স্বামীর ব্যবসায়িক পার্টনার হকেও মারপিট করতে থাকে। আমি বাধা দিতে গেলে আমার শিশু ছেলে রাকিব কে ছুড়ে ফেলে দেয়। এসময় তারা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে শীলতা হানি ঘটায়। ঘরে থাকা ৪৫ হাজার ৭শ টাকা বের করে নেয়। এরপরও তারা বলে যদি এই মুহুর্তে আরো ২০ হাজার টাকা না দিস তাহলে তোদের থানায় চালান করে দেব। সন্ত্রাসীরা আমাকে একটি সাদা স্ট্যাম্পে সহি দিতে বলে। রাজি না হওয়ায় আমাকে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করে।
এব্যাপারে ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে রক্ষা পতে ও স্বামী ভিটেয় সুস্থভাবে বসবাস করার দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি