কেশবপুরে টমেটো চাষে কৃষকের মাথায় হাত !


448 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কেশবপুরে টমেটো চাষে কৃষকের মাথায় হাত !
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৭ কৃষি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

মেহেদী হাসান,কেশবপুর ::
হাতে কোদাল ও নিড়ানী । কারো হাতে শাবল । আবার অনেকের পিঠের পেছনে কীটনাশক দেওয়া স্প্রে মেশিন। কখনো দল বেঁধে । কোন কোন কৃষকরা একাই কৃষি ক্ষেতের পরিচর্যা করছেন । এভাবেই শীত কালীন সবজি ক্ষেতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কেশবপুর উপজেলার ৮ নং সুফলাকটি ইউনিয়ানের কৃষকরা । এখন তাদের দম ফেলার সময় নেই বললেই চলে। সিংহভাগ কৃষকের ক্ষেতেই দিন কেটে যাচ্ছে। শুধু মাত্র বেঁচে থাকার তাগিদে বাড়তি আয়ের আশায় বিগত ৩ বছর ধরে টমেটো চাষ করে ঘুরে দাড়াতে চাইছে কৃষকরা, কিন্তু পারছে না। কৃষকের পরিশ্রমের ফল হয়েছে বিফল। ঘেরে পাড়ে টমেটো চাষ করেন এই ইউনিয়ের কৃষকরা। তবে এই ইউনিয়নে টমেটো আবাদ করে কৃষকরা প্রায় পথে বসেছে। বিগত ৩ বছরে ইউ/পির কৃষকরা টমেটো চাষাবাদ করে লোকসানের মুখ দেখতে দেখতে একেবারেই দিশেহারা । এদিকে ঋনের জ্বালায় ঘরবাড়ী ছেড়ে উধাও হয়েছে হাতে গুনা কয়েক জন পরিবার। আবার কোন কোন কৃষকরা সুদি টাকার বোঝায় ঘর থেকে বেড় হতে পারছেন না। এদিকে উপজেলার কয়েক শতাধিক কৃষক অন্যান্য শাক-সবজি চাষ করে ঘুরে দাড়াতে চাইছেন। তাদের মাঝে রয়েছে, বাধাঁকপি, ফুলকপি, মুলা, কড়লা, লালশাক, পালংশাক, সিম, বেগুন, লাউ, শশা, বরবটি, মিষ্টিকুমড়া, পটোল, কাঁচা মরিচসহ ইত্যাদি। এসবের পরেও উপজেলার বির্স্তৃন এলাকার কৃষকের মাথায় হাত। সরজমিনে কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, কৃষি ক্ষেতের বিভিন্ন রোগ বালাই দমনে কীট নাশক প্রয়োগ করেও কোন প্রকার প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলার কয়েক শতাধিক কৃষক। এদিকে নুর মিয়া নামে এক কৃষক জানান, ১একর ৫০শতাংশ জমিতে টমেটো চাষ করে ২ লাখ টাকার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তিনি জানায়, ঋন করে এত টাকা করচ করছেন । এত টাকা শোধরাবেন কিভাবে জানতে চাইলে তিনি জানান, অন্যদিকে ধানের জমি বিক্রি করে এই ঋন পরিশোধ করতে হবে। এদিকে শাহ আলম ,দুলাল মিয়া, সোয়লাইমান, আজিজ মিয়াসহ আরো অনেকে টমেটো চাষ করে পথে বসেছে।