কেশবপুরে যেখানে-সেখানে বাস থামিয়ে যাত্রী উঠানামানো করায় বাড়ছে জনদূর্ভোগ


346 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কেশবপুরে যেখানে-সেখানে বাস থামিয়ে যাত্রী উঠানামানো করায় বাড়ছে জনদূর্ভোগ
মার্চ ২৫, ২০১৭ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

মেহেদী হাসান,কেশবপুর ::
যশোরের কেশবপুরে উপজেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যাত্রীবাহি বাস শহরে যত্রতত্র যাত্রী ওঠা নামা করায় জন দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে কেশবপুর ভায়া চুকনগর সড়কের কেশবপুর শহরের থানা মোড় ও কেশবপুর প্রেসক্লাবের সামনে যাত্রীবাহি বাস থামা ও যাত্রী ওঠা নামা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যার প্রেেিত বাস মিনিবাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতির প থেকে শহরে কয়েকদিন ধরে মাইকিং করা হলেও প্রথম কয়েকদিন সে নির্দেশনা কার্যকর হলেও আবারও পুর্বের অবস্থা বিরাজ করছে। বাস নির্ধারিতে স্থানে না থামায় যাত্রী দূর্ভোগ একদিকে যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে অপরদিকে শহরে যানজট লেগেই আছে। প্রথমাবস্থায় কেশবপুরের সচেতন মহল এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেও বর্তমান সময়ে যত্রতত্র যাত্রী বাহি বাস দাঁড়িয়ে সড়কে যানজট সৃষ্টি করায় ুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। কেশবপুর ত্রিমোহিনী মোড়ে নিয়োজিত ট্রাফিক পুলিশ ও পৌর সভার দু’জন ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করলেও শহরের যানজট লেগেই আছে। এ ছাড়াও সড়কের উপর একাধিক ট্রান্সপোর্ট এর ট্রাক মালামাল লোড আনলোড করায় জানজট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ট্রান্সপোর্টের ট্রাক লোড আনলোড করার উপর পৌর মেয়র নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিলেও সে নির্দেশনা কাজে আসেনি। উপজেলা আইন শৃঙ্খরা কমিটির প্রতিটি মাসিক সভায় শহরের প্রাণকেন্দ্র ত্রিমোহিনী মোড়ে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠা নামা বন্ধে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও তার কোন বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে কেশবপুরের মানুষের কাছে সিদ্ধান্তগুলি কাগুজে বাঘে পরিণত হয়েছে। আইন শৃঙ্খরা কমিটির সদস্য কেশবপুর প্রেসকাবের সভাপতি আশরাফ উজ জামান খান জানান, শহরের যানজট লেগেই আছে। উপজেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় কেশবপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়,শহীদ দৌলৎ বিশ্বাস চত্বর যানজট মুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও সে সিদ্ধান্ত আজও কার্যকর করা হয়নি, যা দুঃখজনক। এ ছাড়া শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত হাসপাতাল সড়কের ত্রিমোহিনী মোড় হতে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে ড্রেন থাকায় এ সড়কে যানজট লেগেই থাকে ।