কেশবপুর-সাগরদাঁড়ী সড়কের বেহালদশা


326 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কেশবপুর-সাগরদাঁড়ী সড়কের বেহালদশা
ডিসেম্বর ২২, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

মেহেদী হাসান,কেশবপুর (যশোর) থেকে :
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্বের জম্ম স্থান কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ীতে ১৯৩ তম জন্ম জয়ন্তি প্রতিবছরের ন্যায় ২৫জানুয়ারী কবির জন্মভূমি সাগরদাড়ীতে ২২জানুয়ারী থেকে শুরু হবে। জন্ম জয়ন্তিÍ ২২জানুয়ারী থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৮ জানুযারী পর্যন্ত। সাংস্কৃতিক মন্ত্রনালয়ের অধিনে অনুষ্ঠিত হবে এমেলা।কিন্তু স্মরন কালের ভয়াবহ নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে কেশবপুর সাগরদাড়ী সড়কটিতে। বড়-বড় গর্ত আর খানা খন্ধে প্রতি নিয়ত বাস ট্রাক পিকআপ মাইক্রো এসব গর্তে বেঁধে থাকা যেন রুটিনে পরিনত হয়েছে। একই সাথে সড়কটিতে থাকা অধিকাংশ ব্রীজ কাল ভার্ট ভেঙ্গে গেছে। মধুমেলার আগে এগুলো সংস্কার বা নুতন ভাবে নির্মান করা না হলে এসড়ক দিয়ে মধুভক্তদের যানবাহনে যাতায়াত করা রিতিমত অনিশ্চিত হয়ে পড়ার আশংকা রযেছে। মধুকবির স্মরনে প্রতিবছর মেলার আগে সড়কটির সংস্কার হয়ে থাকে। এবছরও হয়ত তার ব্যত্যয় ঘটবেনা।যদিও এরিপোর্ট লেখার সময় কবে নাগাদ সংস্কার শুরু হবে সেটা জানেন না উপজেলা এল জি ই ডি অফিস।এব্যাপারে আলাপ হলে উক্ত অফিসের প্রকৌশলী কামরুল হাসান সরদার জানান কবে থেকে কাজ শুরু হবে সেটা বলা যাচ্ছেনা,তবে মধুমেলার আগেই শেষ হবে। তিনি বলেন বড় বড় গর্ত গুলোতে পিচ দেয়া না গেলেও আমরা খোয়াদিয়ে ঠিক করে দেব। তিনি জানান ভেঙ্গে যাওয়া দুটি কালভার্ট ভরাট করে রাখা হবে। মেলার পর কাজ করা হবে।অথচ সড়কটির হাসানপুর,প্রতাপপুর ও বাগদহা গ্রামের মধ্যে তিনটি ব্রীজ বা বক্স কালভার্ট ভেঙ্গে গেছে। অথচ বাগদহা গ্রামের মধ্যে ভেঙ্গে যাওয়া ব্রীজটির খবর কেশবপুর এলজিইডি প্রকৌশলীর অজানা রয়েছে। সাগরদাড়ীর মধু মেলায় এসড়ক দিয়ে লক্ষ-লক্ষ মানুষের যাতায়াত হয়ে থাকে। হাসানপুর সীমানায় ভেঙ্গে যাওয়া বক্স কালভার্টটি দু‘বছরে দুবার ভেঙ্গে গেছে, আবার দু‘বার নির্মান করা হয়েছে। এসড়কে সারা বছর চলাচলকারী ব্য্রক্তি মাষ্টার আলী আজগার,মাষ্টার হযরত আলী, ব্যবসায়ী নজরূল ইসলাম ও ব্যবসায়ী মনিরুজ্জমান মিলন সকলেই জানান, সারাবছর সড়কটির প্রতি কর্তৃপক্ষ নজর দেননা। মধুমেলা আসলেই তড়িঘড়ি করে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়।মেলা শেষ হলে কাজবন্ধ থাকে।১/২মাস পর আবার শুরু করে যেন তেন ভাবে ব্যপক অনিয়ম দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কাজ শেষ করা হয়। যেকারনে এক বছর যেতে না যেতে সড়কের পীচ খোয়া উঠে যেতে থাকে।ফলে সরকারের অর্থের অপচয়টা বেশী হয়ে থাকে। ভুক্তভোগীদের দাবী এমন ভাবে সংস্কারের কাজ যেন হয়, সংস্কারের পর অন্তত৩/৪ বছর যেন সড়কটি ভাল থাকে ।