কয়রায় অগ্নিকান্ডে পাঁচটি দোকান পুড়ে ভষ্মিভুত ; পঁচিশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি


70 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কয়রায় অগ্নিকান্ডে পাঁচটি দোকান পুড়ে ভষ্মিভুত ; পঁচিশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
আগস্ট ৫, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কয়রা-(খুলনা)প্রতিনিধি ঃ
খুলনার কয়রা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঘাটাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মার্কেটে আকষ্মিক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান ভষ্মিভূত হয়েছে। এতে প্রায় পঁচিশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হয়েছে। রবিবার, ৪ আগস্ট দিনগত রাত ২টার দিকে বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে বলে ধারনা করছেন দোকানদাররা।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা প্রতিদিনের ন্যায় রবিবার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ীতে চলে যান। রাত প্রায় দুটোর দিকে আগুন দেখে লোকজনের চেঁচামেচির শব্দশুনে দোকান মালিকরা এসে দেখেন তাদের দোকান ঘর গুলোতে আগুন জ্বলছে। সাথে-সাথেই মসজিদের মাইকে আগুনের কথা জানানো হলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে । আগুনে শহিদুল্যাহ মোল্যার কাপড়ের দোকান, নুর মোহাম্মদ গাজীর ইলেক্ট্রনিক ও মেশিনারীজ দোকান, মোঃ শাহনুর আলমের ঔষধের দোকান, মোঃ আল আমিন হোসেনের মুদি দোকান ও ইসমাইল হোসেনের মুদি দোকান পুড়ে ভষ্মিভুত হয়ে যায়। আগুনে দোকানগুলির সকল মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। স্থানীয় লোকজনের চেষ্ঠায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও দোকান ঘর ও মালামালগুলি আর রক্ষা করা যায়নি।
কাপড়ের দোকানের মালিক শহিদুল্যাহ মোল্যা জানান, কয়েক বছর আগে আমার জমি বিক্রি করে এ দোকানটি করেছিলাম। আমার পূঁজি বলতে এ দোকানটাই। তাও আগুনে নিয়ে গেলো। এখন আমি মা-বাবা, সন্তানদের কি ভাবে বাঁচাবো একথা বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি জানান নগদ টাকা ও মালামাল সহ ১০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে তার। তবে আগুন কি ভাবে লেগেছে তা তিনি বলতে পারেন না। নুর মোহাম্মদ গাজী ও আল আমিন হোসেন জানান আগুনে তাদের সহায় সম্বল সব নিয়েছে। তাদেরও প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষটাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন তাদের আর কিছুই নাই।
এদিকে অগ্নিকান্ডের ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের তহবিল থেকে তাৎক্ষনিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের কিছু অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ক্ষয় ক্ষতির তালিকা জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণ করা হলে আশা করি সেখান থেকেও কিছু অনুদান পাওয়া যাবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা জানান, ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকরা আর্থিক সাহায্য পেতে আবেদন করেছেন, তাদেরকে সরকারি সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছি।

কয়রায় জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি ঃ
কয়রা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা গত ৫ আগস্ট সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্টিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহার সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম শফিকুল ইসলাম,ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কমলেস কুমার সানা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম,সহকারী কমিশনার(ভুমি) নুর-ই আলম সিদ্দিকী,চেয়ারম্যান জি এম সামছুর রহমান,আব্দুস সাত্তার পাড়,নব নির্বাচিত সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাঃ হুমায়ুন কবির সহ উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা,শিক্ষক,সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।