কয়রায় নতুন বই পেয়ে বেজায় খুশি শিক্ষার্থীরা


141 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কয়রায় নতুন বই পেয়ে বেজায় খুশি শিক্ষার্থীরা
জানুয়ারি ১, ২০২২ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

শেখ মনিরুজ্জামান মনু ::

সারাদেশের ন্যায় কয়রা উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের হাতে গতকাল নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে।নতুন বছরের প্রথম দিনে হাতে নতুন বই পেয়ে বেজায় খুশি শিক্ষার্থীরা। উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,কয়রা উপজেলার সাত ইউনিয়নের ১৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৩ হাজার ৪৬০ জন শিক্ষার্থী এবং ৩৫টি মাধ্যমিক ও ২৫টি মাদরাসার ২৬ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে।গতকাল শনিবার শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেখা যায়,বিদ্যালয়ের মাঠে সারিবদ্ধভাবে প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিচ্ছেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী রেহনুমা কামাল ঐশী বলেন,আজকে আমাদের স্কুল থেকে তিনখান নতুন বই দিয়েছে।বইতে মলাট লাগাতে বলেছে স্যারেরা । প্রত্যেক মঙ্গলবারে আমাদের ক্লাস হবে।নতুন বই পায়ছি খালি পড়বো। গ্রাজুয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র রাশেদুল আলম বলেন,স্কুল থেকে বছরের প্রথম দিনে নতুন বই পেয়েছি।গতবছর করোনার কারণে ঠিকমতো ক্লাস করতে পারিনি।এবছর কি হবে জানিনা। তবে নতুন বই পেয়েছি ক্লাস হোক বা না হোক বাড়িতে বই পড়তে পারবো শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষক মনিরুন্নেছা বলেন,সকাল ১০ টা থেকে পর্যায়ক্রমে সকল শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে।আজকে ১ম শ্রেণীর ১৯ জন,২য় শ্রেণীর ১৬ জন,৩য় শ্রেণীর ২১ জন,৪র্থ শ্রেণীর ১৬ জন,৫ম শ্রেণীর ২০ জন ছাত্রছাত্রী বই নিয়েছেন।উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন,সারাদেশের ন্যায় কয়রা উপজেলার ১৪২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৩ হাজার ৪৬০ জন শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মোহসিন আলী বলেন, নতুন বছরের প্রথমদিনে উপজেলার ৩৫টি মাধ্যমিক ও ২৫টি মাদরাসার ২৬ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে।সব বই ছাত্রছাত্রীদের হাতে আমরা তুলে দিতে পারিনি।আমাদের কাছে এখনো কিছু বই এসে পৌঁছায় নাই।যেগুলো আমরা পেয়েছি সেগুলো বিতারণ করা হয়েছে।বাকী বইগুলো হাতে পাওয়া মাত্রই বিদ্যালয়ে পৌঁছাই দেওয়া হবে।

#