কয়রায় পাউবোর কর্মকর্তাদের গনধোলাই !


334 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কয়রায় পাউবোর কর্মকর্তাদের গনধোলাই !
মে ২৯, ২০১৭ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

শেখ মনিরুজ্জামান মনু, কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি ::
খুলনার কয়রা উপজেলার সদর ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদের ঘাটাখালি ভেঙে যাওয়া বেড়িবাধ গতকাল সোমবার সকালে সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে রিংবাধ দিয়ে আটকানো হলেও দুপুরের জোয়ারের প্রবল ¯্রােতে তা আবার ভেঙে যায়।  পানিবন্ধি হাজার হাজার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসি ক্ষুব্ধ হয়ে পাউবোর কর্মকর্তাদের গন ধোলাই দিয়েছে।

জানা গেছে ২৭ মে মধ্যরাতে প্রবল জোয়ারের চাপে পাউবোর ১৩-১৪/২ পোল্ডারের কপোতাক্ষ নদ সংলগ্ন ঘাটাখালি গ্রামের সোহরাব শেখের বাড়ী সংলগ্ন দুর্বল বেড়িবাঁধের প্রায় দেড়’শ ফুট জায়গা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে কয়রা সদর ইউনিয়নের ঘাটাখালি, গোবরা পূর্ব চক, হরিনখোলা ও ২নং কয়রা গ্রাম লোনা পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ে। যার ফলে ৩ শতাধিক মৎস্য ঘের,চলতি আউশ মৌসুম ধান,পুকুরের মাছ সহ বিভিন সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে । ভাঙন কবলিত এলাকায় পানি বন্ধি মানুষের খাবার পানি সংকটের পাশাপাশি পানি বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ মুহুর্তে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাধ মেরামত করা সম্ভব না হলে কয়রা সদর সহ আশ পাশের এলাকা লোনা পানিতে তলিয়ে যাবে। কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন,সম্প্রতি ঘাটাখালি বেড়িবাঁধের টেন্ডার সম্পন্ন করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। টেন্ডারের পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ঠিকাদার পাঠাতে অনুরোধ করা সত্বেও সময়মত বাঁধের কাজ না করায় ঘাটাখালি নামক স্থানের বেড়িবাধ ভেঙে মানুষের চরম ক্ষতি হয়েছে। তিনি  জরুরী ভিত্তিতে  ভেঙে যাওয়া বাধ নির্মানে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

অপর দিকে স্থানীয় জনগন পাউবো কর্তৃপক্ষের উদাসিনতার কারনে ২৯ মে দুপুরে ক্ষুব্ধ হয়ে পাউবোর কর্মকর্তা ও ঠিকাদারকে গন ধোলাই দিয়েছে। পাউবোর সাতক্ষীরা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার ভৌমিকের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বদিউজ্জামান বলেন, ভেঙে যাওয়া বেড়ি বাধ আটকানোর জন্য চেষ্টা চলছে।  উপজেলা চেয়ারম্যান আখম তমিজ উদ্দিন বলেন বেড়িবাধ ভেঙে যাওয়ার পর থেকে  এলাকাবাসিদেরকে সাথে নিয়ে বাধ আটকানোর জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।