কয়রা সংবাদ : হড্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হলেন মহাশিস


293 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কয়রা সংবাদ : হড্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হলেন মহাশিস
অক্টোবর ১৭, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হড্ডা ডিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্ধন্দিতায় পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওর্য়াডের ৩ বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য মহাশিস সরদার। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে হড্ডা ডিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে কোন প্রার্থী না থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্ধন্দিতায় পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হন। ইউপি সদস্য মহাশিস সরদার ইতঃপূর্বে একাধিক বার ঐ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচন পরিচালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম সুলতান মাহমুদ। ইউপি সদস্য মহাশিস সরদার পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারি শিক্ষকবৃন্দ, ম্যানিজিং কমিটির সদস্য, অভিভাবক ও ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

কয়রায় স্বাস্থ্য পরিদর্শককের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রায় মিথ্যা মামলায় হয়রানীর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামের রফিক সরদারের স্ত্রী মালতী ওরফে রহিমা খাতুন। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সহকারি পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম আমার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা তার বিরুদ্ধে কোনভাবে প্রতিবাদ করতে পারিনা। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে বিভিন্নভাবে হয়রনী করে থাকে। তিনি আরও বলেন, তার রোষনলে পড়ে আমি মিথ্যা মাদক মামলায় জেল হাজত খেটেছি। জায়গীর হাসপাতালটি সে নিজেই নিয়ন্ত্রন করে। অফিসে হাজির না হয়ে বিভিন্ন কর্মকান্ডে লিপ্ত থেকে মানুষের ক্ষতি করা তার পেশা হয়ে দাড়িয়েছে। আমি একাধিক বার তার বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অভিযোগ দায়ের করে কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। মালতিরানী ওরফে রহিমা বেগম বলেন, উক্ত শফিকুল ইসলাম আমার বিরুদ্ধে তার স্ত্রীর সন্তান নষ্ট হওয়ার অভিযোগে কয়রা থানায় ২০১৮ সালে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় আরও ৪ জন নিরিহ মানুষকে আসামী করা হয়। সবাই ঐ মামলায় জেল হাজতবাস করি। এতে তিনি ক্ষ্যান্ত হয়নি পরবর্তিতে তার নির্দেশে আশা মন্ডল বাদী হয়ে আমার বিরুদ্ধে কয়রা থানায় আরও ১ টি মারামারির অভিযোগে মিথ্যা মামলা করে। এ সকল মামলায় হয়রানী শিকার হচ্ছি। তিনি এখনও আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার হুমকির পাশাপাশি ক্ষতি করার জন্য ভয়ভীত প্রদর্শন করছে। আমি সংবাদ সম্মেলনে শফিকুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

কয়রায় গ্রাম আদালতের উঠান বৈঠাক

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি ঃ- স্থানীয় সরকার বিভাগের সহযোগিতায় ,ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তায় এবং ওয়েভ ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে গ্রাম আদালত সক্রিয় করন প্রকল্পের আওতায় উঠান বৈঠাক ১৭ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৩ টায় কয়রা সদর ইউনিয়ানের ৩ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল গফ্ফার ঢালীর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়।এ ছাড়া বাগালী ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডে বিকাল ৪ টায় মোঃ কামরুল সরদারের সভাপতিত্বে উঠান বৈঠাক অনুষ্টিত হয় । উঠান বৈঠাকে গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন গ্রাম আদালত সহকারী আলমগীর হোসেন ও গোলাম রব্বানী ।

কয়রার হড্ডা ডিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুনরায়

সভাপতি নির্বাচিত হলেন মহাশিষ সরদার

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হড্ডা ডিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্ধন্দিতায় পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওর্য়াডের ৩ বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য মহাশিষ সরদার। গত ১৭ অক্টোবর বেলা ১১ টায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে হড্ডা ডিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে কোন প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্ধন্দিতায় পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হন। ইউপি সদস্য মহাশিষ সরদার এরপূর্বে একাধিক বার ঐ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচন পরিচালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম সুলতান মাহমুদ। মহাশিষ সরদার পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, ম্যানিজিং কমিটির সদস্য, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।