কয়লা দুর্নীতি : পেট্রোবাংলার আরও ৮ কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ


267 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কয়লা দুর্নীতি : পেট্রোবাংলার আরও ৮ কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ
আগস্ট ২৮, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

কয়লা দুর্নীতি মামলায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) আট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদক উপপরিচালক ও বিসিএমসিএলের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরস্পর যোগসাজশে এক লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ মেট্রিক টন কয়লা অবৈধভাবে বিক্রি করে ২৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা মামলার আসামি ওই আটজন।

এই মামলায় এ নিয়ে দুই দফায় পেট্রোবাংলার ১৫ কর্মকর্তা দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন।

মঙ্গলবার যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তারা হলেন- বর্তমান মহাব্যবস্থাপক (মাইন অপারেশন) আবু তাহের মো. নূর-উজ-জামান চৌধুরী, উপমহাব্যবস্থাপক (স্টোর) একেএম খালেদুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপক (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন) মো. মোরশেদুজ্জামান, উপব্যবস্থাপক (প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট) হাবিবুর রহমান, উপব্যবস্থাপক (মাইন ডেভেলপমেন্ট) জাহেদুর রহমান, উপব্যবস্থাপক (ভেন্টিলেশন ম্যানেজমেন্ট) সত্যেন্দ্রনাথ বর্মণ, ব্যবস্থাপক সৈয়দ ইমাম হাসান ও উপমহাব্যবস্থাপক (মাইন প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) মো. জোবায়ের আলী।

এরই মধ্যে দুদকের তদন্তে অবৈধভাবে এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯২ মেট্রিক টন কয়লা বিক্রি করে ২২৮ কোটি ৫৪ লাখ ১৮ হাজার ৬৮৩ দশমিক ১১ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে।

তদন্তে ২০০৪ সালের জুন থেকে গত ১৯ জুলাই পর্যন্ত খনিতে এক লাখ ৪৭ হাজার ৬৪৪ দশমিক ৪০ মেট্রিক টন কয়লার মজুদ স্থিতি পাওয়া যায়। তবে সরেজমিন তদন্তে গত ২৪ জুলাই পর্যন্ত প্রকৃত মজুদ পাওয়া গেছে তিন হাজার ৯১৬ দশমিক ৪৮ মেট্রিক টন। এই হিসাব অনুযায়ী ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯২ মেট্রিক টন। প্রতি মেট্রিক টন কয়লার মূল্য ১৫ হাজার ৯০১ দশমিক ১০ টাকা হিসাবে ঘাটতি এই কয়লার মূল্য দাঁড়ায় ২২৮ কোটি ৫৪ লাখ ১৮ হাজার ৬৮৩ দশমিক ১১ টাকা।

দুদক সূত্র জানায়, বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে বিসিএমসিএলের সাবেক এমডি হাবিব উদ্দিন আহমেদ, সদ্য বিদায়ী কোম্পানি সচিব আবুল কাশেম প্রধানীয়া, ব্যবস্থাপক (এক্সপ্লোরেশন) মোশাররফ হোসেন সরকার, ব্যবস্থাপক (জেনারেল সার্ভিসেস) মাসুদুর রহমান হাওলাদার, ব্যবস্থাপক (প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট) অশোক কুমার হালদার, ব্যবস্থাপক (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন) আরিফুর রহমান, কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) জাহিদুল ইসলাম ও উপব্যবস্থাপক (সেফটি ম্যানেজমেন্ট) একরামুল হককে।

এ ছাড়া বৃহস্পতিবার ডাকা হয়েছে উপব্যবস্থাপক (কোল হ্যান্ডলিং ম্যানেজমেন্ট) মুহাম্মদ খলিলুর রহমান, সাবেক মহাব্যবস্থাপক (ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) আব্দুল মান্নান পাটোয়ারি, ব্যবস্থাপক (ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) গোপাল চন্দ্র সাহা, ব্যবস্থাপক (হিসাব) সারোয়ার হোসেন, ব্যবস্থাপক (সেলস ও রেভিনিউ কালেকশন) মো. কামরুল হাসান, উপব্যবস্থাপক (মার্কেটিং ও কাস্টমার সার্ভিসেস) মোহাম্মদ নোমান প্রধানীয়া, সাবেক মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) একেএম সিরাজুল ইসলাম, শরিফুল আলম ও সহকারী ব্যবস্থাপক (নিরাপত্তা) আল আমিনকে।