খাদিজার অবস্থার ‘আরও উন্নতি’


278 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
খাদিজার অবস্থার ‘আরও উন্নতি’
অক্টোবর ১০, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :
সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার হামলার শিকার খাদিজা বেগম নার্গিসের শারীরিক অবস্থার ‘আরও একটু’ উন্নতি হয়েছে। খাদিজার চিকিৎসক স্কয়ার হাসপাতালের মেডিসিন অ্যান্ড ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘খাদিজার অবস্থা গত শনিবারের চেয়ে ভালো। তার উন্নতি হচ্ছে।’

আগের দিন শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক রেজাউস সাত্তার জানিয়েছিলেন, খাদিজা এখনও ‘কনশাস’ না হলেও ব্যথা দিলে সাড়া দিচ্ছেন। ব্যথা পেলে তাকাচ্ছেন, হাত ও পা নাড়াচ্ছেন। খাদিজা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারবেন কি-না, তা জানতে আরও দুই-তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে বলেও জানিয়েছেন নিউরোসার্জন সাত্তার।

গত ৩ অক্টোবর সিলেটে হামলার শিকার হওয়ার পর ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ৪ অক্টোবর বিকেলে খাদিজার অস্ত্রোপচার হয়।

খাদিজা সিলেট মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। গত সোমবার পরীক্ষা দিতে তিনি সিলেটের এমসি কলেজে গিয়েছিলেন। পরীক্ষা শেষে ফেরার সময় এমসি কলেজের পুকুর পাড়ে খাদিজাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদক বদরুল আলম। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে গত সোমবার রাতে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আনা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর খাদিজাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. রেজাউস সাত্তারের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে।

ঘটনার পর পরই কলেজের শিক্ষার্থীরা বদরুলকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। পরদিন তাকে আসামি করে সিলেটের শাহপরান থানায় মামলা করেন খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস। খাদিজাকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বদরুলকে বহিষ্কার করে। বদরুল হামলার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সৌদিপ্রবাসী খাদিজার বাবা মাসুম মিয়া ও বড় ভাই শাহিন আহমেদ চীন থেকে গত বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন।