খুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভাগ্নিকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ


188 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
খুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভাগ্নিকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ
অক্টোবর ৬, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন তার ভাগ্নি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ডিসিপ্লিনের শিক্ষক মীর সোহরাব হোসেন সৌহার্দ্যর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন ওই তরুণী।

ওই স্ট্যাটাসের মন্তব্য কলামে একজন লিখেছেন, ‘সেই আতঙ্কের কথা কী আর বলব। এত ছোট বয়সে হ্যারাসড হয়েছি যে হ্যারাসমেন্ট কী সেটাই বুঝতে পারতাম না। খালি মনে হত যে উনি তো মামা। হয়তো উনি আমাকে স্নেহ করে। কিন্তু উনার কাজ আমার কাছে এত জঘন্য কেন লাগে। হয়তো এটা আমারই দোষ। অনেক বড় হয়ে যখন ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছি ততদিনে কাউকে বলার রুচি মানসিকতা কিছুই আর ছিল না। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ মুখ খোলার জন্য।’

অপর একজন লিখেছেন, ‘দোস্ত, তোর মনে আছে কিনা জানি না, এই ব্যাপারটা নিয়ে অনেক আগে তুই আমার সঙ্গে শেয়ার করেছিলি। আমিও আমার কিছু কথা তোকে বলেছিলাম। তবে তুই যে প্রতিবাদ প্রতিবাদ ঘর থেকে শুরু করলি, তার জন্য স্যালুট তোকে। এই সমস্ত কুলাঙ্গারদের পরিবার থেকেই বয়কট করা উচিত, যাতে করে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র কোথাও এদের জায়গা না হয়।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শিক্ষক মীর সোহরাব হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী রিসিভ করে জানান, তার স্বামী বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন। তিনি কথা বলতে পারবেন না।

তবে ভাগ্নিদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা তার বিষয়। আমার স্বামী ভালো মানুষ। যে এসব আজেবাজে অভিযোগ করেছে সে আমাদের আত্মীয়। কিন্তু কী করে সে এত নোংরা অভিযোগ করল তা আমার বোধগম্য নয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেলের পরিচালক প্রফেসর মোসা. হোসনে আরা সাংবাদিকদের এ বিষয়ে বলেন, ‘একজনের মাধ্যমে লিংক পেয়ে বিষয়টি দেখেছি। কিন্তু আমাদের কাজ খুবির অভ্যন্তরে যদি কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে তা প্রতিরোধ করা। এটা বাইরের বিষয়। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগও করেনি। অভিযোগ করলে তখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখবে।’

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী বলেন, আমি কোন লিখিত অভিযোগ করবো না। শুধুমাত্র সবাইকে সচেতন করতে ও ঘর থেকে প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই আমার এই লেখা। তাছাড়া আমার লেখাটি বিভিন্ন রিপোর্টের কারণে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সড়িয়ে নিয়েছে। আমি আমার প্রোফাইল লক করতে বাধ্য হচ্ছি।