খুলনায় ব্যাংক কর্মচারি হত্যা মামলায় ৫ আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড


384 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
খুলনায় ব্যাংক কর্মচারি হত্যা মামলায়   ৫ আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড
জুলাই ২৯, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

খুলনা ব্যুরো :
খুলনায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মচারীর ছেলে আলমগীর হোসেনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যাকান্ডের মামলায় ৫ আসাসির যাবজ্জীবন কারাদ- দেয়া হয়েছে। বুধবার খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মোঃ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১ জন আসামিকে খালাস দেয়া হয়।
দ-প্রাপ্তরা হলেন মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকার মোঃ হারুনের ছেলে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মাঈন, নুরুজ্জামানের ছেলে শাহীন, আবদুস সাত্তারের ছেলে ইদ্রিস, তারা মিয়ার ছেলে জাহিদ এবং আবদুল হক কসাইয়ের ছেলে মনির। এর মধ্যে জাহিদুল ও মাঈন পলাতক রয়েছে। খালাশ প্রাপ্তরা হচ্ছে  তালিকাভুক্ত আরেক সন্ত্রাসী ট্যারা মোস্ত, সুলতান, মনির-২, শহিদুল, আরাফাত, আলমগীর, সুলতান মিস্ত্রী, মিজান, জাকারিয়া, খলিল ও কবির।
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীর টুটপাড়া মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় আলমগীরের বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মচারী শেখ ওমর আলী বাড়ি তৈরী শুরু করেন। ২০০৩ সালে ১ জুন ওই এলাকার সন্ত্রাসীরা তার কাছে ৫০ হাজার চাঁদা দাবি করে। ৬ জুন চাঁদার টাকা আনতে গেলে মাঈন, শাহীন, ইদ্রিস, মনিরসহ অন্যদের সাথে ওমর আলীর ছেলেদের বাকবিতন্ডতা হয়।
ওই দিন সন্ধ্যায় শেখ ওমর আলীর সেজ ছেলে আলমগীর হোসেন এলাকার মুদি দোকানে কেনাকাটা করতে যান। ২০০৩ সালের ৬ জুন সন্ত্রাসীরা আলমগীরকে ধরে নিয়ে যায়। পরদিন ভোরে বটিয়াঘাটার হরিণটানা বিল থেকে আলমগীরের তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের অসংখ্য কোপ ও গুলির চিহ্ন ছিল।
এ ঘটনায় ৭ জুন নিহতের বাবা শেখ ওমর আলী বটিয়াঘাটা থানায় ১৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০০৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এস আই আলী ইমরান ওই ১৬ জনের বিরুদ্ধেই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। তবে ছেলে হত্যার বিচার দেখে যেতে পারেননি ওমর আলী। গত বছর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি।