খুলনায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যায় দু’জনের মৃত্যুদণ্ড


84 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
খুলনায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যায় দু’জনের মৃত্যুদণ্ড
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

খুলনার খালিশপুরের বাস্তুহারা কলোনির শিশু আফসানা মিমিকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দু’জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক মোহাম্মদ মহিদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- খালিশপুরের বাস্তুহারা এলাকার মৃত আবদুল কাদের হাওলাদারের ছেলে বাবুল হাওলাদার ওরফে কালা বাবুল এবং সাদেক হোসেনের ছেলে এমদাদ হোসেন।

খালাস পেয়েছেন খালিশপুরের বাসিন্দা মোজাফ্‌ফর আহমেদের ছেলে মো. আশা মিয়া, আবদুল বাশার হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলী, ফজলুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ওরফে জাহিদ ও আবদুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে নজরুল ইসলাম। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার বাদী মিমির বাবা ইমাম হোসেন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় খালিশপুরের বাস্তুহারা কলোনির ইমাম হোসেনের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া মেয়ে আফসানা মিমি ঝালমুড়ি কিনতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরের দিন বাস্তুহারা দীঘি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ইমাম হোসেন খালিশপুর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। পরের বছর জানুয়ারি মাসে পুলিশ কালা বাবুলকে আটক করে। কালা বাবুল ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।

২০১০ সালের ২৩ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খালিশপুর থানার ওসি আবু মোকাদ্দেশ আলী ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। মামলায় ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।