খুলনায় ১১ পুলিশ ও আনসার সদস্যের মামলা পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ


349 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
খুলনায় ১১ পুলিশ ও আনসার সদস্যের মামলা পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু ::
খুলনার খালিশপুর থানার ১১ পুলিশ ও আনসার কর্মকর্তাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত চোখ উৎপাটনের মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম আমলী আদালতের বিচারক শহিদুল ইসলাম এ নির্দেশ দেন। আগামী ১৮ অক্টোবর মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর নগরীর খালিশপুর নয়াবাটি রেললাইন বস্তি কলোনীর মো. জাকির হোসেনের স্ত্রী রেনু বেগম বাদি হয়ে খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিমের আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় দাবিকৃত দেড় লাখ টাকা না পেয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা যোগসাজসে তার ছেলে মো. শাহ জালালের দু’টি চোখ উৎপাটন করে বলে অভিযোগ করা হয়।
বাদিপক্ষের আইনজীবী মো. মোমিনুল ইসলাম জানান, ৭ সেপ্টেম্বর আদালত বাদির জবানবন্দি গ্রহন করে রোববার আদেশের জন্য দিন ধার্য্য করেন। আদেশে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যদিয়ে মামলার কার্যক্রম শুরু হলো।
আদালতে বাদিপক্ষে আইন ও শালিস কেন্দ্রের প্যানেল ল’ ইয়ার আব্দুর রশীদ ও খুলনার এ্যাড. মিনা মিজানুর রহমান অংশ নেন।
মামলার আসামিরা হচ্ছে খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসিম খান, এসআই রাসেল, এসআই তাপষ রায়, এসআই মোরসেলিম মোল্লা, এসআই মিজান, এসআই মামুন, এসআই নূর ইসলাম ও এএসআই সৈয়দ সাহেব আলী, আনসার সদস্য (সিপাই) আফসার আলী, আনসার ল্যান্স নায়েক আবুল হোসেন, আনসার নায়েক রেজাউল এবং অপর দু’জন খালিশপুর পুরাতন যশোর রোড এলাকার সুমা আক্তার ও শিরোমনি বাদামতলা এলাকার লুৎফুর হাওলাদারের ছেলে রাসেল।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই মো. শাহ জালাল স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে পিরোজপুরের কাউখালি উপজেলার সুবিদপুর গ্রামের বাড়ি থেকে নগরীর নয়াবাটি রেললাইন বস্তি কলোনীর শ্বশুর বাড়িতে আসে। ওইদিন রাত ৮টায় শাহ জালাল তার শিশু কন্যার দুধ কেনার জন্য বাসার পাশ্ববর্তী দোকানে যায়। এ সময় খালিশপুর থানা পুলিশ তাকে আটক করে দেড় লাখ টাকা দাবি করে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ কর্মকর্তারা শাহজালালকে বিশ্ব রোডের (খুলনা বাইপাস সড়ক) নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তার হাত-পা চেপে ধরে এবং মুখে গামছা ঢুকিয়ে স্ক্রু ডাইভ্রার দিয়ে দু’টি চোখ উপড়ে ফেলে বলে এজাহারে বাদি উল্লেখ করেন। বর্তমানে তার দু’টি চোখই অন্ধ। #