খুলনা সংবাদ ॥ খুলনায় ডাকাতদের হাতুড়ী পেটায় হাফেজ নিহত


494 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
খুলনা সংবাদ ॥ খুলনায় ডাকাতদের হাতুড়ী পেটায় হাফেজ নিহত
জুলাই ২২, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ওয়াহেদ-উজ-জামান, খুলনা ব্যুরো :
খুলনায় ডাকাতদের হাতুড়ী পেটায় হাফেজ মো. শামসুদ্দোহা (১৬) নামক একজন কিশোর নিহত হয়েছে। বুধবার ভোর রাতে নগরীর রূপসা স্ট্যান্ড রোড এলাকায় নিহতের নানা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাতদের হামলায় তার বৃদ্ধা নানী খাদিজা বেগম (৭০) ও গৃহ পরিচারিকা রাণী (৪৫) আহত হয়। আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি ডাকাত কর্তৃক সংগঠিত হয়েছে জানালেও পুলিশ চোর বলে দাবি করছে।
খুলনা থানার এস.আই তাপষ কুমার পাল জানান, বুধবার ভোর রাতের দিকে একদল সংঘবদ্ধ চোর নগরীর ৭০/৩ নং রূপসা স্ট্যান্ড রোডের আব্দুল জব্বারের বাড়িতে চুরি করতে যায়। ওই সময় শব্দে ঘুমন্ত নাতি হাফেজ মো. শামসুদ্দোহা টের পেলে তার মাথায় হাতুড়ী দিয়ে আঘাত করে। তার চিৎকারে বাড়ির অন্যরা জেগে উঠলে তার নানী ও কাজের বুয়াকেও বেধড়ক মারপিট করে চোরেরা পালিয়ে যায়। তবে বিষয়টি ডাকাতি নয় বলে দাবি করেন তিনি।
এ ব্যাপারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)’র মুখপাত্র শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, আশংকাজনক অবস্থায় কিশোর শামসুদ্দোহাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত কিশোর মো. শামসুদ্দোহা ক্বোরআনের হাফেজ। সে মাহে রমজানে তারাবি নামাজের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। সে নগরীর গল্লামারী এলাকার গোলাম জাহেদ রহমানের ছেলে। লাশ দাফন শেষে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
###

খুলনায় জাসদের উদ্যোগে কর্ণেল তাহের দিবস পালিত :

খুলনা ব্যুরো :
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল – জাসদ খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্বোগে মঙ্গলবার বিকেলে উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাসদ খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি রফিকুল হক খোকনের সভাপতিত্বে এবং জাসদ খুলনা মহানগর কমিটির সাধারন সম্পাদক খালিদ হোসেন এর পরিচালনায়  শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তমএর রাজনৈতিক আদর্ম ও তার জীবন – সংগ্রামের উপর সভায় আলোচনা করেন, জাসদ খুলনা মহানগর কমিটির সহসভাপতি মিজানুর রহমান রাজা, সহ সভাপতি উইনুস আলী মোল¬া, জেলা জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির শেখ,জাসদ নেতা আকবর আলী শেখ,ডাঃ এস,এম,জাহিরুল ইমাম,মোসারেফ হোসেন,আবদুল খালেক মুন্সি,এ্যাড. নজরুল ইসলাম খান,কাঝী হাসনাত কমিট,মহত শেখ, সাহাবুদ্দিন সাবু,মহত শেখ,আব্দুস সবুর মোল¬া,মিন, মেহেরনেছা, সামজদে শেখ, ছাত্র নেতা সুমন শেখ,কমল হোসেন,আবু বক্কর সিদ্দিকি রাজা,শাহারিয়ার নাফিজ ইমন প্রমুখ।সভায় বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আন্নতম সেকটর কমান্ডার শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তমকে মিথ্যা আভিযোগে ১৯৭৬ সালর ২১ জুলাই ফাসি দিয়ে হত্যা করা হয়।তাকে যে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে দেশের সর্বাউচ্চো আদালদ রায় দিয়েছে।তার বিরুদ্ধো আনিত অভিযোহের কোন নথি পত্র নাই।১৯৭৫ সারের ১৫ই আগোস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার মদ্ধো দিয়ে সেনাবাহিনিতে হত্যা,কু এবং ক্ষমতাদখলের রাজনীতি শুরু হয় তখন ৭৫ এর ৭ নভেম্বর শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তমএর নেতৃত্বে সিপাহি জনতার অভূত্থানের মধ্য দিয়ে দেশকে একটি স্তিথিশীল আনেন।। এমনকি জিয়াউর রহমানও প্রানে রক্ষা পান।কিন্তু জিয়া ক্ষমতার লোভে মার্কিন-পাকিস্থানের সাথে যোহ সাজোসে  কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তমকে হত্যা করে, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিদের নিয়ে দেশ পরিচালনা করে।তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও একই ভাবে রাজনীতি করছেন। বিএনপি-জামাত-আগুন সন্ত্রাসী-জঙ্গীবাদের বিরূদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জনতার লরাই করার জন্য দলের সখল নেতা কর্মিদের প্রতি আহবান জানান।
###

খুলনায় বিদেশি পিস্তল , গুলিসহ জনযুদ্ধের ক্যাডার গ্রেফতার :

খুলনা ব্যুরো :
খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ রকিবুল ওরফে রকি (২৮) নামে এক চরমপন্থি ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টারদিকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ফুলতলা উপজেলার যুগ্নিপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সে চরমপন্থি দল পূর্ব বাংলার কমিউনিষ্ট পার্টি (এমএল-জনযুদ্ধ)’র ক্যাডার এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রোকনুজ্জামান জানান, অস্ত্র কেনার জন্য পরিচয় গোপন রেখে গোয়েন্দা শাখার পক্ষ থেকে সন্ত্রাসী রকি’র সাথে যোগাযোগ করা হয়। সে ৪০ হাজার টাকায় অস্ত্র ও গুলি বিক্রি করতে রাজি হয়ে গোয়েন্দা ফাঁদে পা দেয়। সে মোতাবেক মঙ্গলবার রাতে ফুলতলা উপজেলার যুগ্নিপাশা মেইন রোড এলাকায় গেলে সে অস্ত্র বিক্রি করতে আসলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও এক রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ফুলতলা ও অভয়নগর থানায় হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে ফুলতলার দামোদর গ্রামের রূহুল আমিনের ছেলে। গোয়েন্দা কার্যালয়ে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
####

খুলনায় যুদ্ধাপরাধী খান এ সবুরের নামে সড়কের নাম না রাখার দাবী :

খুলনা ব্যুরো :
‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় দালাল ও যুদ্ধাপরাধী খান এ সবুর সহ অন্যান্য স্বাধীনতাবিরোধীদের নামে কোন সড়কের নাম বা স্থাপনা থাকতে পারে না। উচ্চতর আদালতে দায়ের করা মামলায় রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, খুলনায় খান এ সবুর সড়ক সহ বাংলাদেশের কোনও স্থাপনায় স্বাধীনতাবিরোধীদের নাম রাখা যাবে না। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশন উচ্চতর আদালতের নির্দেশ কার্যকর করেনি। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের মূল্যে অর্জিত বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদে সবুর খানদের কবর দেয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মদানকে উপহাসের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করবার জন্য—যা ছিল বাংলাদেশকে পাকিস্তানে রূপান্তরিতকরণের চক্রান্তের অন্তর্গত। দেরিতে হলেও  প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার মাধ্যমে ৩০ লক্ষ শহীদের পরিবারবর্গ সহ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার ধারক সর্বস্তরের নাগরিকের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।-এভাবে বললেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভায় নাগরিক নেতৃবৃন্দ।
বুধবার বিকাল ৪টায় বিএমএ মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি খুলনার আয়োজনে ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় দালাল ও যুদ্ধাপরাধী খান এ সবুর নামে যে সড়কের নামকরণ পরিবর্তনের জন্য উচ্চতর আদালতের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নের লক্ষে করণীয় নির্ধারণের জন্য নাগরিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা: শেখ বাহারুল আলম। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মহেন্দ্র নাথ সেন। সভায় অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য শ্যামল সিংহ রায়, সাংস্কৃতিক কর্মি শাহিন জামাল পণ, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, পেশাজীবী, সাংস্কুতিক কর্মি, সাংবাদিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
####

খুলনা সংবাদ ॥ খুলনায় ডাকাতদের হাতুড়ী পেটায় হাফেজ নিহত

ওয়াহেদ-উজ-জামান, খুলনা ব্যুরো :
খুলনায় ডাকাতদের হাতুড়ী পেটায় হাফেজ মো. শামসুদ্দোহা (১৬) নামক একজন কিশোর নিহত হয়েছে। বুধবার ভোর রাতে নগরীর রূপসা স্ট্যান্ড রোড এলাকায় নিহতের নানা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাতদের হামলায় তার বৃদ্ধা নানী খাদিজা বেগম (৭০) ও গৃহ পরিচারিকা রাণী (৪৫) আহত হয়। আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি ডাকাত কর্তৃক সংগঠিত হয়েছে জানালেও পুলিশ চোর বলে দাবি করছে।
খুলনা থানার এস.আই তাপষ কুমার পাল জানান, বুধবার ভোর রাতের দিকে একদল সংঘবদ্ধ চোর নগরীর ৭০/৩ নং রূপসা স্ট্যান্ড রোডের আব্দুল জব্বারের বাড়িতে চুরি করতে যায়। ওই সময় শব্দে ঘুমন্ত নাতি হাফেজ মো. শামসুদ্দোহা টের পেলে তার মাথায় হাতুড়ী দিয়ে আঘাত করে। তার চিৎকারে বাড়ির অন্যরা জেগে উঠলে তার নানী ও কাজের বুয়াকেও বেধড়ক মারপিট করে চোরেরা পালিয়ে যায়। তবে বিষয়টি ডাকাতি নয় বলে দাবি করেন তিনি।
এ ব্যাপারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)’র মুখপাত্র শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, আশংকাজনক অবস্থায় কিশোর শামসুদ্দোহাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত কিশোর মো. শামসুদ্দোহা ক্বোরআনের হাফেজ। সে মাহে রমজানে তারাবি নামাজের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। সে নগরীর গল্লামারী এলাকার গোলাম জাহেদ রহমানের ছেলে। লাশ দাফন শেষে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
###

খুলনায় জাসদের উদ্যোগে কর্ণেল তাহের দিবস পালিত :

খুলনা ব্যুরো :
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল – জাসদ খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্বোগে মঙ্গলবার বিকেলে উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাসদ খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি রফিকুল হক খোকনের সভাপতিত্বে এবং জাসদ খুলনা মহানগর কমিটির সাধারন সম্পাদক খালিদ হোসেন এর পরিচালনায়  শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তমএর রাজনৈতিক আদর্ম ও তার জীবন – সংগ্রামের উপর সভায় আলোচনা করেন, জাসদ খুলনা মহানগর কমিটির সহসভাপতি মিজানুর রহমান রাজা, সহ সভাপতি উইনুস আলী মোল¬া, জেলা জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির শেখ,জাসদ নেতা আকবর আলী শেখ,ডাঃ এস,এম,জাহিরুল ইমাম,মোসারেফ হোসেন,আবদুল খালেক মুন্সি,এ্যাড. নজরুল ইসলাম খান,কাঝী হাসনাত কমিট,মহত শেখ, সাহাবুদ্দিন সাবু,মহত শেখ,আব্দুস সবুর মোল¬া,মিন, মেহেরনেছা, সামজদে শেখ, ছাত্র নেতা সুমন শেখ,কমল হোসেন,আবু বক্কর সিদ্দিকি রাজা,শাহারিয়ার নাফিজ ইমন প্রমুখ।সভায় বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আন্নতম সেকটর কমান্ডার শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তমকে মিথ্যা আভিযোগে ১৯৭৬ সালর ২১ জুলাই ফাসি দিয়ে হত্যা করা হয়।তাকে যে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে দেশের সর্বাউচ্চো আদালদ রায় দিয়েছে।তার বিরুদ্ধো আনিত অভিযোহের কোন নথি পত্র নাই।১৯৭৫ সারের ১৫ই আগোস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার মদ্ধো দিয়ে সেনাবাহিনিতে হত্যা,কু এবং ক্ষমতাদখলের রাজনীতি শুরু হয় তখন ৭৫ এর ৭ নভেম্বর শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তমএর নেতৃত্বে সিপাহি জনতার অভূত্থানের মধ্য দিয়ে দেশকে একটি স্তিথিশীল আনেন।। এমনকি জিয়াউর রহমানও প্রানে রক্ষা পান।কিন্তু জিয়া ক্ষমতার লোভে মার্কিন-পাকিস্থানের সাথে যোহ সাজোসে  কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তমকে হত্যা করে, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিদের নিয়ে দেশ পরিচালনা করে।তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও একই ভাবে রাজনীতি করছেন। বিএনপি-জামাত-আগুন সন্ত্রাসী-জঙ্গীবাদের বিরূদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জনতার লরাই করার জন্য দলের সখল নেতা কর্মিদের প্রতি আহবান জানান।
###

খুলনায় বিদেশি পিস্তল , গুলিসহ জনযুদ্ধের ক্যাডার গ্রেফতার :

খুলনা ব্যুরো :
খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ রকিবুল ওরফে রকি (২৮) নামে এক চরমপন্থি ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টারদিকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ফুলতলা উপজেলার যুগ্নিপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সে চরমপন্থি দল পূর্ব বাংলার কমিউনিষ্ট পার্টি (এমএল-জনযুদ্ধ)’র ক্যাডার এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রোকনুজ্জামান জানান, অস্ত্র কেনার জন্য পরিচয় গোপন রেখে গোয়েন্দা শাখার পক্ষ থেকে সন্ত্রাসী রকি’র সাথে যোগাযোগ করা হয়। সে ৪০ হাজার টাকায় অস্ত্র ও গুলি বিক্রি করতে রাজি হয়ে গোয়েন্দা ফাঁদে পা দেয়। সে মোতাবেক মঙ্গলবার রাতে ফুলতলা উপজেলার যুগ্নিপাশা মেইন রোড এলাকায় গেলে সে অস্ত্র বিক্রি করতে আসলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও এক রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ফুলতলা ও অভয়নগর থানায় হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে ফুলতলার দামোদর গ্রামের রূহুল আমিনের ছেলে। গোয়েন্দা কার্যালয়ে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
####

খুলনায় যুদ্ধাপরাধী খান এ সবুরের নামে সড়কের নাম না রাখার দাবী :

খুলনা ব্যুরো :
‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় দালাল ও যুদ্ধাপরাধী খান এ সবুর সহ অন্যান্য স্বাধীনতাবিরোধীদের নামে কোন সড়কের নাম বা স্থাপনা থাকতে পারে না। উচ্চতর আদালতে দায়ের করা মামলায় রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, খুলনায় খান এ সবুর সড়ক সহ বাংলাদেশের কোনও স্থাপনায় স্বাধীনতাবিরোধীদের নাম রাখা যাবে না। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশন উচ্চতর আদালতের নির্দেশ কার্যকর করেনি। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের মূল্যে অর্জিত বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদে সবুর খানদের কবর দেয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মদানকে উপহাসের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করবার জন্য—যা ছিল বাংলাদেশকে পাকিস্তানে রূপান্তরিতকরণের চক্রান্তের অন্তর্গত। দেরিতে হলেও  প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার মাধ্যমে ৩০ লক্ষ শহীদের পরিবারবর্গ সহ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার ধারক সর্বস্তরের নাগরিকের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।-এভাবে বললেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভায় নাগরিক নেতৃবৃন্দ।
বুধবার বিকাল ৪টায় বিএমএ মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি খুলনার আয়োজনে ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় দালাল ও যুদ্ধাপরাধী খান এ সবুর নামে যে সড়কের নামকরণ পরিবর্তনের জন্য উচ্চতর আদালতের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নের লক্ষে করণীয় নির্ধারণের জন্য নাগরিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা: শেখ বাহারুল আলম। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মহেন্দ্র নাথ সেন। সভায় অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য শ্যামল সিংহ রায়, সাংস্কৃতিক কর্মি শাহিন জামাল পণ, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, পেশাজীবী, সাংস্কুতিক কর্মি, সাংবাদিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

####