খুলনা সংবাদ ॥ রূপসায় কিশোরী ধর্ষণের বিচার দাবিতে মানববন্ধন


363 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
খুলনা সংবাদ ॥ রূপসায় কিশোরী ধর্ষণের বিচার দাবিতে মানববন্ধন
আগস্ট ২০, ২০১৫ খুলনা বিভাগ
Print Friendly, PDF & Email

ওয়াহেদ-উজ-জামান,খুলনা :
নগরীর রূপসা বেড়ীবাঁধ এলাকায় কিশোরী (১৩) কে ধর্ষণ ঘটনায় অভিযুক্ত হোটেল মালিক রেজা হাওলাদারের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সকালে বেড়ীবাঁধ এলাকায় ২২ নং ওয়ার্ড শিশু সুরক্ষা কমিটি এ কর্মসূচির  আয়োজন করে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা ছাড়াও পপুলেশন সার্ভিসস এন্ড ট্রেনিং সেন্টার, এনজিও , মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
শিশু সুরক্ষা কমিটির সভাপতি, কাউন্সিলর মোঃ মাহবুব কায়সারের সভাপতিত্বে সংহতি জানিয়ে বক্তৃতা করেন সংরক্ষিত আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাদিরা হোসেন তুলি, মানবাধিকার বাস্তবায়ন কমিটির জেলা সমন্বয়কারী এড.মোমিনুল ইসলাম, নাগরিক ফোরামের খাদিজা কবির তুলি, শিশু ফোরামের সভাপতি আসিফ এলাহী, আব্দুর করিম মোল্লা, মাওলানা আব্দুর রহমান, মো: শামীম, শামীমা আক্তার, তারিকুল আলম, জেরিন সুলতানা, আলী আকবর, শাহজাহান শিকদার, আব্দুস সাত্তার, মো: বাদল সিপাহী, কমল বাবু, নজরুল ইসলাম,আব্দুর রহমান, পিএসটিসির রেহেনা আক্তার, সেলিনা আক্তার, শাহনাজ আক্তার প্রমুখ।
কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা বলেন, কিশোরী ধর্ষণকারী রেজাকে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে। আইনের কোন ফাঁক-ফোকর দিয়ে যেন এই ভয়ঙ্কর অপরাধীরা পার পেয়ে না যেতে পারে।
গত শুক্রবার রাতে রূপসা ঘাট এলাকার হোটেল মালিক রেজা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। মেয়েটির আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী ধর্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
#
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দির ভবনের

নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
খুলনা প্রতিনিধি : বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দির ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে মূল মন্দির ভবনের জন্য নির্ধারিত স্থানে কোদাল দিয়ে মাটি খননের মাধ্যমে নির্মাণ কাজের সূচনা করেন। এর আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে সব ধর্মের মানুষ নির্বিঘেœ স্ব স্ব ধর্ম পালন করতে পারে এবং সবার মধ্যে সম্প্রীতি বজায় থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি স্ব স্ব ধর্মীয় আচার পালনের সুযোগ পায়। তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল মসজিদের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলেছে। এই মন্দির নির্মাণের ব্যাপারেও তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সম্ভব সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মন্দির কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. সমীর কুমার সাধু উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে এ ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশেষ করে উপাচার্যের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় ট্রেজারার খান আতিয়ার রহমান, কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. শেখ মোঃ রজিকুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টিপু সুলতান, স্থাপত্য ডিসিপ্লিন প্রধান ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. অনির্বাণ মোস্তফা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আহমেদ আহসানুজ্জামান, সমিতির সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলাম, মন্দির নির্মাণ উপ-কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস ও মন্দির কমিটির সদস্য-সচিব সহকারী রেজিস্ট্রার কৃষ্ণপদ দাসসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর একাডেমিক ভবন ও অপরাজিতা হলের মধ্যবর্তী সড়কের দক্ষিণে একতলা বিশিষ্ট মূল মন্দির ভবনের জন্য নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৬ লক্ষ টাকা। আগামী সরস্বতী পূজার আগেই নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করেছেন সংশ্লিষ্ট কমিটি।