গণপূর্তের সাবেক কর্মচারী খুন : দুই সহোদরসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড


105 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
গণপূর্তের সাবেক কর্মচারী খুন : দুই সহোদরসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
অক্টোবর ৫, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে গণপূর্ত বিভাগের সাবেক কর্মচারী আব্দুর রহমান আমিনকে হত্যা ও ডাকাতির মামলায় দুই সহোদরসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দণ্ডিত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার সকালে আসামিদের উপস্থিতিতে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।

রায়ে চার আসামি কাসেম, নজরুল, লিটন ও সাত্তারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্তরা হচ্ছেন-সিরাজ উদ্দিন ওরফে সিরাজ, খোকন, সাহেদ ও কান্তু মিয়া।

দণ্ডিত আটজনের মধ্যে সাহেদ ছাড়া বাকি সাতজনই করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের সিংগুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কাসেম ও নজরুল এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত সিরাজ এই তিনজন সহোদর। তারা সিংগুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে। সাহেদ পার্শ্ববর্তী বারঘড়িয়া ইউনিয়নের হাসনপুর গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ জেলা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক তদারক সহকারী কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার কালোপানি বজরা গ্রামের আব্দুর রহমান আমিন চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের সিংগুয়া গ্রামর শ্বশুরবাড়ির এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। ২০০৬ সালের ২২ এপ্রিল রাতে আসামিরা ডাকাতি করলে গেলে আমিন তাতে বাধা দেন। বাধা পেয়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই আমিনের মৃত্যু হয়। এ সময় আমিনের স্ত্রী নূরুন নাহার ওরফে রাবেয়া আহত হন।

এ ঘটনায় পরদিন নিহত আমিনের স্ত্রী নূরুন নাহার বাদী হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে করিমগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) স্থানান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে সিআইডির এএসপি রফিকুল ইসলাম আটজনকে অভিযুক্ত করে ২০০৮ সালের ২৮ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

সাক্ষ্য-জেরা শেষে সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম এবং আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট অশোক সরকার মামলাটি পরিচালনা করেন।