ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট


1447 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট
আগস্ট ১২, ২০১৫ ফটো গ্যালারি স্বাস্থ্য
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
‘মা’ হওয়ার ইচ্ছা প্রতিটি মেয়ের মধ্যেই থাকে৷ তবে সেটা নিয়ে নানা পরিকল্পনাও থাকে। অনেক সময় অপ্রত্যাশিত প্রেগনেন্সির ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে আগেভাগে পরীক্ষা করে জানতে পারলে সহজে বিষয়টা সমাধান করা যায়। কিন্তু আকস্মিক প্রেগন্যান্সিতে অনেকেই প্রথমে টেস্ট করাতে যেতে চান না৷ বিশেষত অপ্রত্যাশিত প্রেগন্যান্সির ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়৷ অবশ্য এখন মহল্লার ফার্মেসিতেও প্রেগনেন্সি টেস্টের স্ট্রিপ পাওয়া যায়। যদি সেটাও হাতের কাছে না থাকে তাহলে ঘরে বসে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিস দিয়ে টেস্ট করে দেখতে পারেন।

ব্লিচিং পাউডার: শুনতে অবাক লাগলেও ব্লিচিং পাউডার দিয়ে টেস্ট করেই বুঝতে পারেন আপনি অন্তঃসত্ত্বা কি না৷ এক্ষেত্রে আপনাকে আধকাপ ব্লিচিং পাউডার নিতে হবে৷ দিনের প্রথম ইউরিন ওই ব্লিচিং পাউডারে দিয়ে দিন৷ দুটির মিশ্রণে যদি ফেনা তৈরি হয় তাহলে আপনি সন্তানসম্ভবা৷

পাইন সল: ফিনাইলের মতো একপ্রকার ঘর পরিস্কার করার তরল হল পাইন সল৷ আধকাপ পাইন সল নিন৷ তাতে দিনের প্রথম ইউরিন মেশান৷ পাইন সলের রঙ যা-ই হোক না কেন তা যদি আপানার ইউরিনের সঙ্গে মিশে রঙ পরিবর্তন করে, বুঝতে হবে আপনি প্রেগন্যান্ট৷

ডেনডেলিয়ন পাতা: ডেনডেলিয়ন একধরনের বন্য ফুল৷ এর পাতাও আপনাকে বলে দিতে পারে আপনি প্রেগন্যান্ট কি না৷ প্রথমে এই ফুলগাছ থেকে কয়েকটি পাতা নিয়ে ছায়ায় একটি প্লাস্টিকের উপরে রাখুন৷ এবার দিনের প্রথম ইউরিনে এটি দিয়ে দিন৷ ইউরিন শুষে নেয়ার পরে এর পরিবর্তন লক্ষ্য করুন৷ ১০মিনিট পরে যদি পাতাটির উপরে ফোস্কার মতো দাগ তৈরি হয় তাহলে আপনি প্রেগন্যান্ট৷

সরষে বাটা: যদি পিরিয়ডের নির্দিষ্ট দিন পার হয়ে যায় তাহলে তা প্রেগন্যান্সির লক্ষণ হতে পারে৷ কিন্তু এক্ষেত্রে প্রেগন্যান্ট না হয়ে শুধুমাত্র ডিলেড পিরিয়ডও হতে পারে৷ এক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি কনফার্ম করার জন্য ইষদুষ্ণ জলে সরষে পাউডার বা সরষে বাটা মিশিয়ে স্নান করুন৷ যদি আপনি প্রেগন্যান্ট না হন তাহলে পর দিনই আপনার পিরিয়ড হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকবে৷

তুনা জুস ও ভিনিগার: একটি কাপের চার ভাগের এক ভাগ তুনা মাছের তেল ও সমপরিমাণ ভিনিগার মেশান৷ এতে প্রেগন্যান্সি টেস্টের জন্য দিনের প্রথম ইউরিন মেশান৷ যদি এই মিশ্রণের রঙ পরিবর্তিত হয়ে সবুজ হয় তাহলে বুঝে নিতে হবে আপনি প্রেগন্যান্ট৷ কিন্তু যদি রঙ পরিবর্তিত হয়ে হলুদ অথবা কমলা হয় তাহলে আপনি প্রেগন্যান্ট নন৷

সাবান: প্রতিদিনের ব্যবহারের সাবানের সাহায্যেও বুঝতে পারবেন আপনি প্রেগন্যান্ট কি না৷ একটি সাবানের সঙ্গে দিনের শুরুর ইউরিন মেশান৷ এতে যদি ফেনা তৈরি হয় তাহলে বুঝতে হবে আপনি প্রেগন্যান্ট।—সুত্র বাংলাদেশ প্রতিদিন