ঘুষের অভিযোগ প্রমাণ হলে সাংসদ পদ খারিজ


369 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ঘুষের অভিযোগ প্রমাণ হলে সাংসদ পদ খারিজ
মার্চ ১৭, ২০১৬ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
মন্ত্রী-সাংসদদের ঘুষের ভিডিও তদন্তে সত্য প্রমাণ হলে তাদের সংসদ সদস্যপদ খারিজ করা হবে। গতকাল বুধবার এমন ইঙ্গিত দিয়েই বিষয়টি তদন্তে লোকসভার এথিকস কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। অন্যদিকে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক গোয়েন্দা দপ্তর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন মন্ত্রী ও সাংসদের ঘুষ গ্রহণের ওই ভিডিও প্রকাশ করে দিলি্লভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম নারদ নিউজ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ওই ভিডিও নিয়ে তোলপাড় চলছে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে। দলের মন্ত্রী সাংসদদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগকে ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি গতকাল এক জনসভায় বলেন, আমাকে ভয় দেখাবেন না। এই ভিডিও ষড়যন্ত্র।

লোকসভার অধিবেশনে গতকাল স্পিকার সুমিত্রা মহাজন বলেন, ভিডিওতে যেসব সাংসদদের প্রকাশ্যে টাকা নিতে দেখা গেছে, তাতে ভারতের পার্লামেন্ট সম্পর্কে মর্যাদাহানি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য এথিকস কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি ওই এথিকস কমিটির চেয়ারম্যান। আর এতে সদস্য রয়েছেন সব দলের সাংসদ-প্রতিনিধিরা। এদিকে সংসদের অপরকক্ষ রাজ্যসভায় গতকালও ঘুষের ভিডিও নিয়ে শোরগোল হয়। সিপিএম ও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা প্রবল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। সিপিএম সাংসদ সীতারাম ইয়েচুরিসহ অনেকে এ ঘটনার তদন্ত দাবি করেন। অন্যদিকে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক অ’ব্রায়েনসহ অন্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে বলতে থাকেন, ওই ভিডিও জাল। নারদ নিউজ দুবাই থেকে টাকা এনে ওই জাল ভিডিও তৈরি করিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগে তৃণমূলের বদনাম ছড়ানোর জন্য এটি ষড়যন্ত্র। ওই ভিডিও কীভাবে তৈরি হলো তার তদন্ত দাবি করেন ডেরেক।

এদিকে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত মেলার পর নারদ নিউজকে বিদেশ থেকে টাকা আনার ব্যাপারে তলব করেছে ইডি। সম্পূর্ণ ভিডিও ফুটেজ, কোন কোন তারিখে এ ভিডিও তোলা হয়, সেসবই সংস্থ্থার কাছে জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সত্যতা প্রমাণের জন্য ভিডিও ফুটেজ পাঠানো হবে হায়দরাবাদের সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে। ইডি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করলে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে মামলা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তের দায়িত্ব পেতে পারে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কলকাতা শাখা।