চুকনগরে ধানের বীজতলা নষ্ট : কৃষকদের মাঝে হতাশা


249 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
চুকনগরে ধানের বীজতলা নষ্ট : কৃষকদের মাঝে হতাশা
জানুয়ারি ৭, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গাজী আব্দুল কুদ্দুস ::

চুকনগরে প্রচন্ড শীতে ইরি বোরো মৌসুমে ধানের বীজতলা নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে এ মৌসুমে পাতার অভাবে উপজেলার অর্ধেক জমি অনাবাদি থাকার আশংকা দেখা দিয়েছে। হতাশ হয়ে পড়েছে কৃষি অধ্যুষিত এ অঞ্চলের কৃষকরা।
সরজমিনে কয়েকটি ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায় ও একাধিক কৃষক জানায়, এ বছর উপজেলার আটলিয়া, মাগুরাঘোনা, খর্নিয়া ও শোভনা ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় শীতের মৌসুমের শুরুতে অথ্যাৎ অগ্রাহয়ন মাসের শুরুতে কৃষকরা ইরি বোরো মৌসুমে ধানের বীজতলা তৈরির জন্য ধান ফেলতে শুরু করে। কিন্তু ধান ফেলানোর পর বীজের জন্য পাতা গজালেও পাতা গুলোর গোড়ার শিকর আস্তে আস্তে পচে যাচ্ছে। এরপর ধীরে ধীরে পাতার আগা শুকিয়ে ধানের বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। প্রতিকার হিসাবে বহু প্রতিষেধক ঔষধ ব্যবহার করা হলেও তাতে কোন উপকার বা প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এ বছর শুধু প্রচন্ত শীতের কারণে বীজতলা নষ্ট হচ্ছে তা নয়। একাধিক কৃষক জানায়, মুলত্র গত বর্ষার মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হওয়া এবং জমিতে নোনা পানির তোলার কারণে জমির মাটি নোনা হয়ে যাওয়ায় পাতা হওয়ার পরও বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়,এ বছর ডুমুরিয়া উপজেলায় প্রায় ২১হাজার ৪শ ৫০হেক্টর জমিতে ইরি ধানের আবাদ করা হবে। কিন্তু ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অর্ধেক জমি অনাবাদি থেকে যাওয়ার আশংকা করছে কৃষকরা। উপজেলার বাদুড়িয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম, কুলবাড়িয়া গ্রামের জাহাবাক্র, মঠবাড়িয়া গ্রামের সোহেল রানা, চাকুন্দিয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম মোড়ল ও আব্দুস সবুর জানায়, এ বছর আমাদের ধানের পাতা মরে যাওয়ায় উচ্চ মূল্যে পাতা ক্রয় করে জমি চাষাবাদ করতে পারব বলে মনে হয় না। এছাড়া অনেকে উপজেলার বাইরের এলাকা থেকে চড়া মূল্যে পাতা ক্রয় করে রোপন করলেও তা নোনার কারণে মারা যাচ্ছে। তাই এ বছর জমি আবাদ করা নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে কৃষি অধ্যুষিত এ অঞ্চলের কৃষকরা।

##