ছদ্মবেশী শত্রুপক্ষই আ’লীগের আতঙ্ক : ওবায়দুল কাদের


244 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ছদ্মবেশী শত্রুপক্ষই আ’লীগের আতঙ্ক : ওবায়দুল কাদের
আগস্ট ২৮, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত নয়, নিজেদের ভেতরে থাকা ছদ্মবেশী শত্রুপক্ষই আওয়ামী লীগের জন্য আতঙ্কের কারণ।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলিস্তানে মহানগর নাট্যমঞ্চে যুবলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের মাসব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ছদ্মবেশী শত্রুপক্ষ আছে। এরাই বেশি সক্রিয়। এরাই গুজব-সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। এরা সুশীলেও আছে, মিডিয়ায়ও আছে। গণমাধ্যমের একটি অংশ অপপ্রচার করছে। এরা বিভিন্ন আখড়া থেকে বৈঠক করে সরকার হঠানোর ষড়যন্ত্র করছে। সরকার হঠাতে চোরাগলির পথ বেছে নিয়েছে এই গোষ্ঠী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এই ছদ্মবেশীরা যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য সারা দুনিয়ায় প্রচার চালিয়েছে। জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক বানানোর জন্য সব ধরনের চেষ্টা করেছে। নিরীহ শিশুদের যুক্তিসঙ্গত সামাজিক আন্দোলনকে নিয়ে ছদ্মবেশী কুচক্রীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বলেছে, ‘বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে, যেখানে কোনো হতাহতই হয়নি’। এই অপপ্রচার নোবেল বিজয়ীদের পর্যন্ত বিবৃতি দিতে প্রলুব্ধ করেছে। এ কুচক্রী মহলের কতটা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক রয়েছে- সেটা এখন দিবালোকের মত পরিষ্কার।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ২১ আগষ্টের খুনিদের পৃষ্ঠপোষকরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চায়। বিএনপি নেতারা ২১ আগষ্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার চান! এটাকে কী বলবেন? ইতিহাসের নৃশংস বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতি নিষ্ঠুর রসিকতা? ধিক্কার জানাই এই নোংরা রাজনীতিকে। বিএনপি খুন করে খুনের বিচার চাইতে পারে। দুর্নীতি করে দুর্নীতির বিচার চাইতে পারে, দণ্ডিত হয়েও নিরাপরাধ বলে নিজেদের জাহির করতে পারে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এরাই (বিএনপি) সেই দল যারা দলের গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাদ দিয়েছে। ৭ ধারা বাতিল করে তারা দুর্নীতিবাজ, পাগল ও মাতালদের দলে স্থান করে দিয়েছে। তারা এখন নির্বাচন চায় না। কারণ, তারা জানে নির্বাচন হলে ক্ষমতায় যেতে পারবে না। তাই চক্রান্তের চোরাগলি বাছাই করেছে। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে শেখ হাসিনাকে হঠানোর ষড়যন্ত্র করছে। যুবলীগসহ দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে গাঁথা। সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছি। এমন রাজনীতিকে ধিক্কার জানাই।

যুবলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সেতুমন্ত্রী বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে যুবলীগকে সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে কোনো বিশৃঙ্খলা না করতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ সেরনিয়াবাত, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরন, আবদুস সাত্তার মাসুদ, আতাউর রহমান, মহিউদ্দিন আহম্মেদ মহি, ফজলুল হক আতিক, কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ইসমাইল হোসেন, জাফর আহম্মেদ রানা প্রমুখ।