‘জঙ্গি-সঙ্গি রুখতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে’


388 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘জঙ্গি-সঙ্গি রুখতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে’
নভেম্বর ১২, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

বিশেষ প্রতিনিধি :
মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামায়াত ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল বিএনপি ধর্মের নামে  সাম্প্রদায়িক উন্মাদনা সৃষ্টি করে দেশে জঙ্গীবাদের মদত যোগাচ্ছে। তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার জন্য ঢাকার গুলশান, সোলাািকয়াসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। একইভাবে তারা কল্যাণপুরসহ দেশের সর্বত্র জঙ্গীদের মদত দিয়ে আরো সহিংসতা সৃষ্টির চেষ্টা চালালেও আইনশৃঙ্খলঅ রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা তা ব্যর্থ করে দিয়েছে। এরপর ও মৌলবাদি ওই গোষ্টী চুপ করে বসে নেই। তাই বর্তমান সরকারের উন্নয়নের জোয়ার অব্যহত রাখতে ও জঙ্গীবাদের মোকাবিলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।

শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে জেলা জাসদ আয়োজিত ‘জঙ্গীবাদ নির্মুল, জঙ্গী সঙ্গী বর্জন ও বিচারের’ দাবিতে অনুষ্ঠিত গোল টেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সাতক্ষীরা জেলা জাসদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা আাওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জজ কোর্টের পিপি অ্যাড, ওসমান গনি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামন রাসেল, জাসদ নেতা অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুস সোবহান বাবলু, জেলা জাসদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন শেলী, জাসদ নেতা পাপিয়া আহম্মেদ, জাসদের তালা শাখার সভাপতি আবুল কাশেম, সহসভাপতি জাকির হোসেন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহসভাপতি মিজানুর রহমান, গণফোরামের সাতক্ষীরা শাথার সাধারণ সম্পাদক আলী নূর খান বাবুল, জাপা নেতা মশিউর রহমান, স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত প্রমুখ।

বক্তারা আরো বলেন, বিএনপি ও জামায়াত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে দেশে জঙ্গীবাদ প্রতিষ্ঠা করার মদত যোগাচ্ছে। তাই মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যুদ্ধাপরাধীদের ন্যয় জঙ্গী ও তাদের মদতদাতাদের বিচার করতে হবে। যুবসমাজ যাতে জঙ্গিবাদের শিকার না হয় সেজন্য পরিবার, স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। জঙ্গী ও নাশকতা সৃষ্টির মামলায় যাতে আসামীরা সহজে জামিন না পায় সেজন্য ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ইচ্ছামত প্রত্যয়নপত্র দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আসামীদের সাজা দিতে হলে তাদের বিরুদ্ধে সুনিদ্দিষ্ট অভিযোগ করতে হবে।#