জনতার রাষ্ট্রপতিকে শেষবিদায় জানাচ্ছে জনতা


383 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
জনতার রাষ্ট্রপতিকে শেষবিদায় জানাচ্ছে জনতা
জুলাই ৩০, ২০১৫ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :
ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও পরমাণুবিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালামকে আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। ইতিমধ্যে তাঁর মরদেহ জন্মস্থান তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে নেওয়া হয়েছে। সেখানেই তাঁর দাফন হবে। রামেশ্বরমে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘জনতার রাষ্ট্রপতি’-খ্যাত আবদুল কালামকে শেষ বিদায় জানাতে আজ সকাল থেকে রামেশ্বরমের সড়কে হাজারো জনতার ঢল নেমেছে। তাঁরা শেষবারের মতো তাঁদের প্রিয় মানুষটিকে শ্রদ্ধা জানাতে চান। জানাতে চান হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।
রামেশ্বরমে আছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকার, সংসদবিষয়ক মন্ত্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডু। যোগ দেবেন বিরোধী দল কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী।
রাজধানী নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে গতকাল বুধবার সকালে আবদুল কালামের মরদেহ নিয়ে বিমানবাহিনীর উড়োজাহাজ তামিলনাড়ু রওনা হয়। এর আগে বিমানবন্দরে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে এই ‘ভারতরত্ন’ খেতাবজয়ীকে নিবেদন করা হয় শেষ শ্রদ্ধা। পরে তামিলনাড়ুর মাদুরাই বিমানবন্দর থেকে তাঁর মরদেহ হেলিকপ্টারে করে নেওয়া হয় রামেশ্বরমে।
গতকাল বিকেলে রামেশ্বরম শহরের বাসস্ট্যান্ডের কাছে খোলা মাঠে সাবেক রাষ্ট্রপতির মরদেহ রাখা হয়। সেখানে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ ‘ভারতের মিসাইলম্যানের’ কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই অনন্যসাধারণ মানুষটিকে একনজর দেখার জন্য বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রামের বাড়ি নেওয়ার পথের দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকেন আরও হাজারো মানুষ।
ভারতের পরমাণু কর্মসূচির পথিকৃৎ ৮৪ বছর বয়সী আবদুল কালাম গত সোমবার সন্ধ্যায় মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে বক্তৃতা করার সময় হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। আবদুল কালাম চিরকুমার ছিলেন।
গত মঙ্গলবার সকালে সামরিক বাহিনীর বিশেষ বিমানে শিলং থেকে নয়াদিল্লিতে নেওয়া হয় কালামের মরদেহ। বিমানবন্দরেই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকার ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর তিন প্রধান। প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে সেখানে তাঁকে দেওয়া হয় গার্ড অব অনার। পরে চোখের জলে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন লোকজন।