জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


343 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে  প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
মে ১৩, ২০১৭ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
সাতক্ষীরায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা এক ব্যক্তিকে নানাভাবে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সদর উপজেলার বকচরা গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে ফজলুর রহমান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর মৌজায় ১২নং খতিয়ানে মোট ৩১টি দাগে ৩ একর ৭২ শতক জমির বৈধ মালিক জোনাব আলী ও জোহর আলী। বাকী ১৮৬ শতক জমির তিনের একাংশের মালিক জোনাব আলীর মেয়ে ফাতেমা খাতুন।

জোনাব আলীর ছেলে নিয়াম উদ্দিন। নিয়াম উদ্দিনের ছেলে লুৎফার রহমানের সাথে আপোষ করে আমার মাধ্যমে ফাতেমা খাতুন তার জামাতা আহসান হাবিবের কাছে ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ ২০ শতক জমি বিক্রি করেন।

বাকী জমি ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারী ১টি দলিলে ও ২০১৭ সালের ৮ মার্চ ২টি দলিলে সাতক্ষীরা সদর সাব রেষ্ট্রি অফিসে রেজিঃ হয়। ১৯২৮ ও ১৯৬২ সালের রেকড অনুযায়ী এই জমির মালিক ছিলেন জোনাব আলী সরদার। প্রায় ৩০/৪০ বিঘা জমি রেখে জোনাব আলী মারা যান।

তবে তিনি তার ভাই জোহর আলীকে কিছু জমি থেকে বঞ্চিত করেছিলেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, নিয়াম উদ্দিন সরদার তার বোন ফাতেমা খাতুনক ফাঁকি দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে খুলনা থেকে একটি  জাল সোলেনামা তৈরী করেন। এই জাল সোলেনামা দেখিয়ে ১৯৯১ সালে সাতক্ষীরা দ্বিতীয় মুনসেফ আদালতে সব জমির নাম খারিজ করেন।

কিন্তু ১৯৯০ সালে মাঠ জরিপে হাল রেকড করার সময় তাতে বাধা দেন ফাতেমা খাতুনের ছেলে শহিদুল ইসলাম। এসময় নিয়াম উদ্দিনের ছেলে লুৎফার রহমান জানায় তোমার মা কোন জমি পাবে না। কারন  তোমার নানা জোনাব আলী সব জমি আমার বাবা নিয়াম উদ্দিনের নামে লিখে দিয়ে গেছেন।

এনিয়ে সিআইডি পুলিশের সহয়াতায় এক শালিশে বৈঠকে নিয়াম উদ্দিন সরদার জাল সোলেনামা কারার কথা স্বীকার করে নিজ খরচে জমির তিনের একাংশ ফাতেমা খাতুনের নামে রেকড করে দেয়ার অঙ্গিকার করে। একই সাথে ফসলের ভাগ দিবে বলে জানায়। কিন্তু অদ্যবধি ফসলের কোন ভাগ দেয়নি।

তিনি আরো বলেন, ফাতেমা খাতুনের কাছ থেকে তিনি নিজে (ফজলুর রহমান) কিছু জমি ক্রয় করেন। কিন্তু উক্ত জমিতে ফসল আবাদ করতে গেলে লুৎফার রহমান ও তার লোকজন তাকে প্রাণনাশের হুমকি)দেয়। একপর্যায় গত পৌষ মাসে লুৎফার রহমানের কথামত গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে জমি মাপ জরিপ করে সীমানা নির্ধারন করি।

এসময় একই গ্রামের ইকরাত আলীকে একটি জমি লিখে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। আমি সেই জমি লিখেও দিয়েছে। কিন্তু লুৎফার রহমান আজও সেই জমির দুঝে দেয়নি। ফলে ওই জমি নিয়ে লুৎফার রহমানের সাথে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এই বিরোধের জের ধরে লুৎফার রহমান আমাদেরকে হয়রানি করার ষড়যন্ত্র অব্যহত রেখেছে। সে ২০১৩ সালের নৈরাজ্যের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে লুৎফার রহমান ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
##