জলবায়ূ পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মডেল সাতক্ষীরার ১০ গ্রাম : সংবাদ সম্মেলনে সুশীলনের দাবী


375 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
জলবায়ূ পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মডেল সাতক্ষীরার ১০ গ্রাম : সংবাদ সম্মেলনে সুশীলনের দাবী
নভেম্বর ১, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে সমাজভিত্তিক সংগঠনসমূহকে আরও শক্তিশালী করে তাদের জীবিকায়ন চিন্তা আরও বৃদ্ধি করতে হবে। তাদের মধ্য থেকে নারী নেতৃত্ব তৈরি করে সমাজভিত্তিক কাজের সম্প্রসারন করতে হবে। এই লক্ষ্যে দেশে সাতক্ষীরাসহ ১৬ টি জেলায় তৃণমুল পর্যায়ে আট শতাধিক সমাজভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে। জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের কাছে তাদের অবস্থান তুলে ধরে এই সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা চাওয়া হবে ।সম্মেলনে  প্রান্তিক ও প্রত্যন্ত এলাকায় গড়ে ওঠা এসব সংগঠনসমূহের জলবায়ু প্রতিঘাত  সহিষ্ণু ও টেকসই জীবিকায়নের মডেল তুলে ধরা হবে।

রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন আয়োজকরা। বেসরকারি সংস্থা সুশীলনের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেছেন সাহসী নারী পুরুষের সফলতা ও সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে জনমত সৃষ্টি করা হবে। একই সাথে ভবিষ্যতমুখী কর্মসূচি প্রণয়ন করা হবে । সুশীলন, অক্সফাম ও রি-কল এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।  এতে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন অ্যালাইয়ান্স কমিটির সভাপতি সেহেলি পারভিন ঝরনা ও উজ্জ্বল কর্মকার। এ সময় রি-কলএর মহসীন আলম, রুখসানা সরোয়ার, সুপর্না কর্মকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে  প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল। এসময় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক  মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সেহেলি পারভিন ঝরনা বলেন এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে শ্যামনগরের আটুলিয়া ইউনিয়নের আইলা বিধ্বস্ত দশটি গ্রাম বেছে নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৩৩৫ জন কাঁকড়া চাষী ও ৩৭ জন শপিং ব্যাগ প্রস্তুতকারক রয়েছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন এসব গ্রামের ২৬ টি জনসংগঠনের প্রতিটিতে গড় ১২৫টি পরিবার রয়েছে। তিনি জানান তাদেরকে মডেল হিসাবে উপস্থাপন করতে এরই মধ্যে এলাকা জুড়ে খাবার পানির জন্য পুকুর খনন, পন্ড স্যান্ড ফিল্টার (পিএসএফ) বসানো, বনায়ন, কাঁকড়া চাষ ও কৃষি, মৎস্য ও গবাদি পশু পালন শুরু করা হয়েছ্।ে সেখান থেকে অর্জিত ফলাফলের চিত্রও জাতীয় সম্মেলনে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। আগামি ৪ ও ৫ নভেম্বর ঢাকায় খামারবাড়ি কৃষিবিদ  ইন্সটিটিউশনে  অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে  প্রধান অতিথি থাকবেন জাতীয় সংসদের স্পীকার  ড.শিরিন শারমিন চৌধুরী এবং  মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ প্রতিমন্ত্রি নারায়ন চন্দ্র চন্দ। এছাড়া শেষ দিনে উপস্থিত থাকবেন  ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বি মিয়া ও সমাজকল্যান প্রতিমন্ত্রি এড. প্রমোদ মানকিন।

সংবাদ সম্মেলনে উপকূলীয় এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠরি জন্য জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ণ, তৃণমূল সংগঠনগুলিকে নিবন্ধনের আওতায় আনা, বিশেষ স্কুল, নারী কৃষকদের স্বীকৃতি প্রদান, কৃষি সম্প্রসারন সেবা বৃদ্ধি, পশুপালনে অর্থায়ন করা, পরিবেশ বন্ধব জ্বালানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা, মা ও শিশু মৃত্যুরোধে প্রকল্প গ্রহন, যুব ও যুব নারীদের প্রশিক্ষন, দুর্যোগ ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসন , নারীদের সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান, স্বাস্থ্য সেবা বৃদ্ধি ও হাওড় ফাউন্ডেশনকে কার্যকর করাসহ ১৪ দফা দাবি তুলে ধরা হয় ।
##
প্রেস বিজ্ঞপ্তি