জালালাবাদ ক্রিকেট একাদশ চ্যাম্পিয়ন


366 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
জালালাবাদ ক্রিকেট একাদশ চ্যাম্পিয়ন
মে ৬, ২০১৬ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া:
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৯নং হেলাতলা ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রয়াত হোসেন আলী স্মরণে প্রথম হোসেন আলী স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট/১৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দিনভর কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল ফুটবল মাঠে তুলসিডাঙ্গা জুনিয়র একতা সংঘের উদ্যোগে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে ক্রিকেটের ফাইনালে উপজেলার জালালাবাদ ক্রিকেট একাদশ একই উপজেলার সোনাবাড়িয়া ক্রিকেট একাদশের মুখোমুখি হয়। সোনাবাড়িয়া ক্রিকেট একাদশ টসে জিতে জালালাবাদ ক্রিকেট একাদশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রন জানায়। ব্যাটিংয়ে জালালাবাদ ক্রিকেট একাদশ নির্ধারিত ওভারে ৭০ রান করে। দলের পক্ষে আলি সর্বোচ্চ ৫৪ রান সংগ্রহ করেন। জবাবে সোনাবাড়িয়া ক্রিকেট একাদশ সবকটি ইউকেট হারিয়ে ৪০ রান করে। দলের পক্ষে সুমন সর্বোচ্চ ১৬ রান সংগ্রহ করেন। ফলে জালালাবাদ ক্রিকেট একাদশ প্রথম হোসেন আলী ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

খেলাটি উপভোগ করেন এবং খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠ,কলারোয়া বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান কামরুল, কোষাধ্যক্ষ সহকারী অধ্যাপক কে এম আনিছুর রহমান, প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক এমএ সাজেদ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান তুহিন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনি, শেখ জিয়া, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মারুফ আহম্মেদ জনি, বাবু, ইমন, গোলাম প্রমুখ।  খেলাগুলো পরিচালনা করেন অ্যাম্পায়ার শরিফুল আলম বাবু, রাজু ইসলাম, মেহেদী হাসান, ধারাভাষ্যে ছিলেন আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের মাহি এবং স্কোরিং এ ছিলেন শেখ নাজমুল হুসাইন ও আশিক।
ছবি আছে————–
কলারোয়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে এক স্কুল শিক্ষক ॥ আদালতে মামলা ॥
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় যৌতুকের দাবিতে এক স্কুল শিক্ষক তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। এ ঘটনায় স্ত্রী রোকেয়া খাতুন বাদী হয়ে স্বামী,শাশুড়ী,ননদসহ ৪ জনকে আসামী করে সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা হয়েছে। যার নং-৯৭/১৬ইং ।  মামলার বিবরণে জানা যায়
বিগত ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার লক্ষিখোলা গ্রামের মোহর আলীর মোল্যার ছেলে সাতপোতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কবিরুল ইসলামের (২৫) সহিত ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক একই  উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া গ্রামের লোকমান হেকিমের এমমাত্র মেয়ে রোকেয়া খাতুনের (২০) রেজিষ্ট্রি বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুকলোভী স্বামী তার স্ত্রীর পিতার নিকট থেকে যৌতুক বাবদ ১ লক্ষ টাকা ও সাংসারিক বিভিন্ন জিনিস বাবদ ৫০ হাজার টাকা আদায় করে নেয়। বিয়ের ২/৩ মাস ভালভাবে ঘর সংসার চলার পর আবারো ২ লক্ষ টাকা  যৌতুক দাবি করে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালাতে থাকে। স্ত্রী রোকেয়া খাতুন পিতার বাড়ি থেকে ওই টাকা নিয়ে আসতে অস্বীকার করলে স্বামী তাকে বেদম পারপিট করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এরপর চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারী বিষয়টি নিয়ে উপজেলার ৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন পরিষদে একটি শালিসী বৈঠক বসে। ওই শালিসী বৈঠকে স্বামী একটি এ্যাপাসি মোটর সাইকেল দাবি করে। শালিসের সিদ্ধান্ত মোতাবেক মেয়ের সুখ শান্তির কথা ভেবে মোটরসাইকেল বাবদ নগদ দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে মেয়েটিকে জামাইয়ের হাতে

তুলে দেন। এর কিছু দিন পর আবারো যৌতুক লোভী ওই লম্পট শিক্ষক  যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারপিট শুরু করে। এমনকি মারপিট করে আবারো বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় স্ত্রীর পিতা কলারোয়া থানায় ২৭ মার্চ একটি সাধারণ ডায়েরী করে এবং চিকিৎসা দিয়ে মেয়েটিকে সুস্থ করে ৬ এপ্রিল সাতক্ষীরা আদলতে একটি যৌতুক আইনের ৪ ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করে ।  যার নং-৮৪/১৬ইং। মামলা চলাকালীন সময়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের মৌখিক আপোষ মিমাংসা করিয়া ওই স্বামী স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি যায়। এর কিছু দিনপর আবারো দুই লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে স্ত্রীকে মারপিট শুরু করে স্বামী। একপর্যায়ে ২০ এপ্রিল সকাল ১০ টার দিকে ওই দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে পাষন্ড স্বামী,শাশুড়ী, ননদ ও ভাগনী যৌথভাবে স্ত্রী রোকেয়াকে গলা চাপিয়া ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার চেষ্টা করে এবং তলপেটে লাথি মারে যাতে রক্তপাতসহ মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এ সময় স্ত্রী সংগাহীন অবস্থায় পড়ে থাকলে মৃত্যু ভেবে লাথি মেরে ঘরের বারান্দা থেকে বাইরে ফেলে দেয়। পরে জ্ঞান ফিরলে পাড়া প্রতিবেশীর সহযোগিতা নিয়ে পিতার বাড়ি লাঙ্গলঝাড়াতে চলে আসে । পিতা মেয়েটিকে আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সতর হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসা নিয়ে সামান্য সুস্থ  হয়ে মামলা করতে দেরিয়ে হয়েছে বলে মামলার বিবরণে বলা হয়েছে।